দাদার বিরুদ্ধে নাতনি গুমের অভিযোগ!
jugantor
দাদার বিরুদ্ধে নাতনি গুমের অভিযোগ!

  আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি  

২০ জুন ২০১৯, ২২:৪৫:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

শ্বশুরের নির্যাতনে আহত গৃহবধূ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

বরগুনার তালতলী উপজেলার চান্দখালী গ্রামের কলেজপড়ুয়া কন্যাকে দাদা রশিদ তালুকদার গুম করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগে মেয়েটির বাবা মজিবর তালুকদারের।

ষড়যন্ত্র করে নাতনি গায়েবের অভিযোগ তোলায় পুত্রবধূ শিল্পী বেগমকে বুধবার সন্ধ্যায় বেধরক মারধর করেছে শ্বশুর ও শাশুড়ি। আহত পুত্রবধূকে রাতে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, তালতলী উপজেলার চান্দখালী গ্রামের মজিবর তালুকদারের কন্যা আমতলী বকুলনেছা মহিলা কলেজে দ্বাদশ শ্রেণিতে লেখাপড়া করছে। এ বছর জানুয়ারি মাসে ওই কলেজ পড়ুয়া কন্যাকে ব্যবসায়ী এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেয়।

ওই বিয়ে পছন্দ হয়নি কন্যার দাদা রশিদ তালুকদারের। দাদা রশিদ তালুকদার ব্যবসায়ী ওই ছেলের কাছে নাতনী দিতে রাজি না।

গত ৯ জুন দাদা রশিদ তালুকদার কন্যার বাবা-মাকে না জানিয়ে ষড়যন্ত্র করে একই গ্রামের নুরুন্নাহার, কুলসুম ও জহিরুলের সঙ্গে নাতনিকে চট্রগ্রামে পাঠিয়ে দেয় এমন অভিযোগ কন্যার বাবা মজিবর তালুকদারের।

মেয়েকে না পেয়ে বাবা মজিবর তালুকদার ও মা শিল্পী বেগমসহ স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। গত ১২ দিনেও মেয়ের কোনো সন্ধান পায়নি।

বুধবার সন্ধ্যায় পুত্রবধু শিল্পী বেগম শ্বশুর রশিদ তালুকদারের কাছে মেয়ে লুকানোর বিষয়ে জানতে চায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শ্বশুর ও শাশুড়ি পুত্রবধূকে বেধরক মারধর করে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

কন্যার বাবা মজিবর তালুকদার জানান, আমি আমার কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে পারিবারিক মতে বিয়ে দিয়েছি। ওই বিয়ে আমার বাবা রশিদ তালুকদারের পছন্দ হয়নি। বিয়ের পর থেকেই আমার মেয়েকে আমার বাবা বিভিন্ন ভাবে কু-পরামর্শ দিয়ে আসছে।

এ বিষয়ে দাদা রশিদ তালুকদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. বাবুল ভুইয়্যা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মেয়েটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নিখিল চন্দ্র বলেন, শিল্পীর শরীরের ফুলা জখমের চিহৃ রয়েছে।

তালতলী থানার ওসি শেখ শাহিন রহমান বলেন, আমি এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দাদার বিরুদ্ধে নাতনি গুমের অভিযোগ!

 আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি 
২০ জুন ২০১৯, ১০:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শ্বশুরের নির্যাতনে আহত গৃহবধূ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
শ্বশুরের নির্যাতনে আহত গৃহবধূ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

বরগুনার তালতলী উপজেলার চান্দখালী গ্রামের কলেজপড়ুয়া কন্যাকে দাদা রশিদ তালুকদার গুম করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগে মেয়েটির বাবা মজিবর তালুকদারের।

ষড়যন্ত্র করে নাতনি গায়েবের অভিযোগ তোলায় পুত্রবধূ শিল্পী বেগমকে বুধবার সন্ধ্যায় বেধরক মারধর করেছে শ্বশুর ও শাশুড়ি। আহত পুত্রবধূকে রাতে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, তালতলী উপজেলার চান্দখালী গ্রামের মজিবর তালুকদারের কন্যা আমতলী বকুলনেছা মহিলা কলেজে দ্বাদশ শ্রেণিতে লেখাপড়া করছে। এ বছর জানুয়ারি মাসে ওই কলেজ পড়ুয়া কন্যাকে ব্যবসায়ী এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেয়।

ওই বিয়ে পছন্দ হয়নি কন্যার দাদা রশিদ তালুকদারের। দাদা রশিদ তালুকদার ব্যবসায়ী ওই ছেলের কাছে নাতনী দিতে রাজি না। 

গত ৯ জুন দাদা রশিদ তালুকদার কন্যার  বাবা-মাকে না জানিয়ে ষড়যন্ত্র করে একই গ্রামের নুরুন্নাহার, কুলসুম ও জহিরুলের সঙ্গে নাতনিকে চট্রগ্রামে পাঠিয়ে দেয় এমন অভিযোগ কন্যার বাবা মজিবর তালুকদারের।

মেয়েকে না পেয়ে বাবা মজিবর তালুকদার ও মা শিল্পী বেগমসহ স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। গত ১২ দিনেও মেয়ের কোনো সন্ধান পায়নি। 

বুধবার সন্ধ্যায় পুত্রবধু শিল্পী বেগম শ্বশুর রশিদ তালুকদারের কাছে মেয়ে লুকানোর বিষয়ে জানতে চায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শ্বশুর ও শাশুড়ি পুত্রবধূকে বেধরক মারধর করে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

কন্যার বাবা মজিবর তালুকদার জানান, আমি আমার কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে পারিবারিক মতে বিয়ে দিয়েছি। ওই বিয়ে আমার বাবা রশিদ তালুকদারের পছন্দ হয়নি। বিয়ের পর থেকেই আমার মেয়েকে আমার বাবা বিভিন্ন ভাবে কু-পরামর্শ দিয়ে আসছে।

এ বিষয়ে দাদা রশিদ তালুকদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. বাবুল ভুইয়্যা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মেয়েটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নিখিল চন্দ্র বলেন, শিল্পীর শরীরের ফুলা জখমের চিহৃ রয়েছে।

তালতলী থানার ওসি শেখ শাহিন রহমান বলেন, আমি এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন