নববধূকে শয়নকক্ষে রেখে বরের আত্মহত্যা!
jugantor
নববধূকে শয়নকক্ষে রেখে বরের আত্মহত্যা!

  যুগান্তর রিপোর্ট, তাহিরপুর  

১১ আগস্ট ২০১৯, ০১:৫৮:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে বাসররাতে নববধূকে শয়নকক্ষে রেখে অজিত বর্মণ (২৩) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

অজিত উপজেলার শ্রীপুর উওর ইউনিয়নের হাওর সংলগ্ন মুজরাই গ্রামের মীর বদনের ছেলে।

নিহতের পারিবার জানায়, উপজেলার মুজরাই গ্রামের অজিত বর্মণের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বারকুঁড়ি গ্রামের সুধন বর্মাণের মেয়ে সঞ্চিতা বর্মণের (১৯) পারিবারিক সম্মতিক্রমে বুধবার বিয়ে হয়।

নববধূকে মুজরাই গ্রামে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসার পর শুক্রবার বাসররাতে শয়নকক্ষে স্ত্রীকে রেখে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার কথা বলে অজিত ঘর থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি।

মধ্যরাত অবধি শয়নকক্ষে না ফেরায় অনেক খোঁজাখোজির পর বসত বাড়ির পশ্চিম পাশের গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায় পরিবার ও প্রতিবেশীরা।

খবর পেয়ে পরদিন শনিবার থানা পুলিশ মরদেহ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

নিহতের পিতা মীরবদন বললেন, আমার প্রথম স্ত্রী এক ছেলে সন্তান রেখে পরলোকগমন করার পর আমি দ্বিতীয় বিয়ে করি।

আমার দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রীর তিন ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে অজিত ছিল বড়। তাকে অনেক সাধ আল্লাদ করে বিয়ে করিয়ে ছিলাম কিন্তু কী কারনে সে আত্মহত্যা করল তা আমি বা আমাদের পরিবারের কেউ জানি না।

নববধূকে থেকে সদ্য বিধবা হওয়া সঞ্চিতা বর্মণ যুগান্তরকে বললেন, ভাল ভাবে আমার সঙ্গে দুটো কথাই তো হয়নি, শুধু শয়ন কক্ষে প্রবেশ করে আবার প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার কথা বলে বেড়িয়ে গেলেন তিনি (অজিত), আমি এতটুকুই জানি।

তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, পুলিশ আত্মহত্যার কারণ অনুসন্ধান করছে।

নববধূকে শয়নকক্ষে রেখে বরের আত্মহত্যা!

 যুগান্তর রিপোর্ট, তাহিরপুর 
১১ আগস্ট ২০১৯, ০১:৫৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে বাসররাতে নববধূকে শয়নকক্ষে রেখে অজিত বর্মণ (২৩) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

অজিত উপজেলার শ্রীপুর উওর ইউনিয়নের হাওর সংলগ্ন মুজরাই গ্রামের মীর বদনের ছেলে।

নিহতের পারিবার জানায়, উপজেলার মুজরাই গ্রামের অজিত বর্মণের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বারকুঁড়ি গ্রামের সুধন বর্মাণের মেয়ে সঞ্চিতা বর্মণের (১৯) পারিবারিক সম্মতিক্রমে বুধবার বিয়ে হয়।

নববধূকে মুজরাই গ্রামে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসার পর শুক্রবার বাসররাতে শয়নকক্ষে স্ত্রীকে রেখে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার কথা বলে অজিত ঘর থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি।

মধ্যরাত অবধি শয়নকক্ষে না ফেরায় অনেক খোঁজাখোজির পর বসত বাড়ির পশ্চিম পাশের গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায় পরিবার ও প্রতিবেশীরা।

খবর পেয়ে পরদিন শনিবার থানা পুলিশ মরদেহ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

নিহতের পিতা মীরবদন বললেন, আমার প্রথম স্ত্রী  এক ছেলে সন্তান রেখে পরলোকগমন করার পর আমি দ্বিতীয় বিয়ে করি।

আমার দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রীর তিন ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে অজিত ছিল বড়।  তাকে অনেক সাধ আল্লাদ করে বিয়ে করিয়ে ছিলাম কিন্তু কী কারনে সে আত্মহত্যা করল তা আমি বা আমাদের পরিবারের কেউ জানি না।

নববধূকে থেকে সদ্য বিধবা হওয়া সঞ্চিতা বর্মণ যুগান্তরকে বললেন, ভাল ভাবে আমার সঙ্গে দুটো কথাই তো হয়নি, শুধু শয়ন কক্ষে প্রবেশ করে আবার প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার কথা বলে বেড়িয়ে গেলেন তিনি (অজিত),  আমি এতটুকুই জানি।

তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, পুলিশ আত্মহত্যার কারণ অনুসন্ধান করছে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন