তাহিরপুরে মাদ্রাসায় যাওয়ার চাপে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রের আত্মহত্যা!
jugantor
তাহিরপুরে মাদ্রাসায় যাওয়ার চাপে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রের আত্মহত্যা!

  যুগান্তর রিপোর্ট, তাহিরপুর  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৩:১৪:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে মাদ্রাসায় যাবার চাপ সইতে না পেরে বড় বোনের বসতঘরে তোফায়েল আহমদ (১২) নামে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র আত্মহত্যা করেছে।

সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে।

নিহত তোফায়েল উপজেলার শ্রীপুর (উত্তর) ইউনিয়নের বড়ছড়া শুল্ক স্টেশন লাগোয়া বড়ছড়া পূর্বপাড়ার হারুন মিয়া ওরফে হারুন ডাক্তার ও জবেদা দম্পতির ছেলে। সে উপজেলার বালিয়াঘাট এলাকা সংলগ্ন গোলকপুর মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

নিহতের পিতা হারুন এক সময় উপজেলার বাদাঘাটের কামড়াবন্দ গ্রামের বাসিন্দা হিসেবে এলাকায় পল্লী চিকিৎসক ছিলেন।

দারিদ্রের কারণে গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি পরিবার নিয়ে বড়ছড়া শুল্ক স্টেশনের পূর্বপাড়ায় বসবাস করে পাহাড়ি ছড়ায় ভেসে আসা ‘বাংলা কয়লা’কুঁড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তোফায়েল নিয়মিত মাদ্রাসায় যেত না। পাশাপাশি সে পড়াশোনায় অমনোযোগী ছিল।

অপরদিকে গত ১০ দিন পূর্বে মাদ্রাসা থেকে ছুটি নিয়ে বাড়ি এসেছিল। কিন্তু নানা অজুহাতে সে মাদ্রাসায় যেতে অনিহা প্রকাশ করে আসছিল। এ কারণে তার মা-বাবা তাকে বকাঝকা করে মাদ্রাসায় ফিরে যেতে কিছুটা চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন।

এদিকে মাদ্রাসায় ফিরে যাবার চাপ সইতে না পেরে সোমবার বেলা ১টার দিকে পরিবারের সবার অলক্ষ্যে বড়ছড়া পূর্বপাড়ার নিজ বসতবাড়ি লাগোয়া বড়বোন তাজ মহল বেগমের বসতঘরের আড়ার সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে তোফায়েল আত্মহত্যা করে।

তাহিরপুর থানার এসআই মো. গোলাম মোস্তফা যুগান্তরকে জানান, সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে লাশ সন্ধ্যায় সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তাহিরপুরে মাদ্রাসায় যাওয়ার চাপে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রের আত্মহত্যা!

 যুগান্তর রিপোর্ট, তাহিরপুর 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে মাদ্রাসায় যাবার চাপ সইতে না পেরে বড় বোনের বসতঘরে তোফায়েল আহমদ (১২) নামে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র আত্মহত্যা করেছে।

সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে।

নিহত তোফায়েল উপজেলার শ্রীপুর (উত্তর) ইউনিয়নের বড়ছড়া শুল্ক স্টেশন লাগোয়া বড়ছড়া পূর্বপাড়ার হারুন মিয়া ওরফে হারুন ডাক্তার ও জবেদা দম্পতির ছেলে। সে উপজেলার বালিয়াঘাট এলাকা সংলগ্ন গোলকপুর মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

নিহতের পিতা হারুন এক সময় উপজেলার বাদাঘাটের কামড়াবন্দ গ্রামের বাসিন্দা হিসেবে এলাকায় পল্লী চিকিৎসক ছিলেন।

দারিদ্রের কারণে গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি পরিবার নিয়ে বড়ছড়া শুল্ক স্টেশনের পূর্বপাড়ায় বসবাস করে পাহাড়ি ছড়ায় ভেসে আসা ‘বাংলা কয়লা’কুঁড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তোফায়েল নিয়মিত মাদ্রাসায় যেত না। পাশাপাশি সে পড়াশোনায় অমনোযোগী ছিল।

অপরদিকে গত ১০ দিন পূর্বে মাদ্রাসা থেকে ছুটি নিয়ে বাড়ি এসেছিল। কিন্তু নানা অজুহাতে সে মাদ্রাসায় যেতে অনিহা প্রকাশ করে আসছিল। এ কারণে তার মা-বাবা তাকে বকাঝকা করে মাদ্রাসায় ফিরে যেতে কিছুটা চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন।

এদিকে মাদ্রাসায় ফিরে যাবার চাপ সইতে না পেরে সোমবার বেলা ১টার দিকে পরিবারের সবার অলক্ষ্যে বড়ছড়া পূর্বপাড়ার নিজ বসতবাড়ি লাগোয়া বড়বোন তাজ মহল বেগমের বসতঘরের আড়ার সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে তোফায়েল আত্মহত্যা করে।

তাহিরপুর থানার এসআই  মো. গোলাম মোস্তফা যুগান্তরকে জানান, সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে লাশ সন্ধ্যায় সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন