Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

৬০ বছর পরও কবরে মৃতদেহ অক্ষত!

Advertisement

Icon

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:৩৪ এএম

৬০ বছর পরও কবরে মৃতদেহ অক্ষত!

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৬০ বছরের পুরনো অক্ষত মৃতদেহের সন্ধান। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় মাটি কাটার সময় আনুমানিক ৬০ বছরের পুরনো একটি অক্ষত মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া গেছে। 

শ্রমিকরা মাটি কাটার সময় কয়েক ফুট নিচেই একটি মৃতদেহ পায়। মৃতদেহটিতে পচন ধরেনি– এমনকি পরনের কাফনের কাপড়ও ছিল একদম ঠিকঠাক।

সোমবার দুপুরে উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের অভিরামপুর হাজিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ নিয়ে দিনভর স্থানীয় মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনা হয়।  তারা ভাবছেন– এটি কোনো পরহেজগার ব্যক্তির মরদেহ, তাই হয়তো এতে পচন ধরেনি। তবে মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এলাকাবাসী জানান, সোমবার অভিরামপুর হাজিপাড়া গ্রামে কয়েকজন শ্রমিক মাটি কাটার সময় মাটির ৩-৪ ফুট নিচে একটি মরদেহ অক্ষত অবস্থায় দেখতে পান। কাফনের কাপড়ও অক্ষত রয়েছে। তবে মরদেহটির পরিচয় কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার মানুষ মরদেহটি দেখার জন্য ভিড় করে। পরে মরদেহটি ফের জানাজা পড়িয়ে দাফন করা হয়।

গ্রামের পঁচাত্তর বছর বয়সী আবদুল মালেক জানান, ওই স্থানে একটি উঁচু ঢিবি ছিল। জমির মালিক ঢিবির মাটি অন্যত্র বিক্রি করায় শ্রমিকরা ৩-৪ ফিট মাটি কাটার পরেই মরদেহটি দেখতে পায়। 

লাশের মুখমণ্ডল ও কাফনের কাপড় অক্ষত ছিল। ওই স্থানে কোনো দিন কবরস্থান ছিল বলে তার জানা নেই। 

গোবিন্দগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আফজাল হোসেন জানান, লাশটি আনুমানিক ৬০ বছর আগের হতে পারে। তবে এলাকার কেউই লাশটির পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি।

Advertisement

গাইবান্ধা লাশ দাফন অক্ষত

Advertisement

আরও পড়ুন

মঠবাড়িয়ায় মাদ্রাসার চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরির অভিযোগ

মঠবাড়িয়ায় মাদ্রাসার চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরির অভিযোগ

তাজমীনকে ফুঁসলিয়ে যেভাবে কক্সবাজারে নিয়ে যান রাজু

তাজমীনকে ফুঁসলিয়ে যেভাবে কক্সবাজারে নিয়ে যান রাজু

তাজমীন হত্যাকাণ্ড: দানা বাঁধছে নতুন নতুন রহস্য

তাজমীন হত্যাকাণ্ড: দানা বাঁধছে নতুন নতুন রহস্য

সীমান্তে ৪ নারী-পুরুষ পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় পিছু হটল বিএসএফ

সীমান্তে ৪ নারী-পুরুষ পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় পিছু হটল বিএসএফ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম