পরিত্যক্ত প্ল্যাস্টিকে লাল-সবুজের বাংলাদেশ
jugantor
পরিত্যক্ত প্ল্যাস্টিকে লাল-সবুজের বাংলাদেশ

  খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি  

১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১:৪৪:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

মানচিত্র
মানচিত্র। ছবি: যুগান্তর

বিশ্বব্যাপী ভয়ংকর আতংক প্ল্যাস্টিক। পৃথিবীর জল ও স্থলে উভয় স্থান প্ল্যাস্টিক দূষণের কবলে। প্ল্যাস্টিকের কারণে দূষিত হচ্ছে পাহাড়ের প্রকৃতি ও প্রাণ। বিশেষত পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে প্ল্যাস্টিক বর্জ্যে সয়লাব। 

পর্যটকদের অসচেনতনার কারণে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হচ্ছে পর্যটন কেন্দ্র। তবে এ সব প্ল্যাস্টিক বর্জ্যের দূষণ থেকে প্রকৃতি ও প্রাণ বাঁচাতে লড়াই করছে বিডি-ক্লিন খাগড়াছড়ি নামে একটি সংগঠন। 

রাঙামাটির পর্যটন কেন্দ্র সাজেকে প্রায় ৭ দিনব্যাপী পরিষ্কার অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০ হাজার পরিত্যক্ত প্ল্যাস্টিক বোতল উদ্ধার করেছে সংগঠনটি। এ ছাড়া খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র থেকে সংগ্রহ করেছে আরও ২৫ হাজার প্ল্যাস্টিক বোতল। পরিত্যক্ত এ সব বোতল নিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করছে সংগঠনটি। 

কুড়িয়ে আনা নানা রংয়ের পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতলে বাংলাদেশের লাল-সবুজ মানচিত্র তৈরি করা হয়েছে। শুধু একটি মানচিত্রই নয় কলমদানি, ফুলের টব, ডাস্টবিনসহ নানা ধরনের ‘শো পিস’ তৈরি করা হয়েছে এ সব পরিত্যক্ত বোতলে। যা দেখা যাবে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি-ক্লিন খাগড়াছড়ি আয়োজিত জনসচেতনতামূলক এক প্রদর্শনীতে। 

বুধবার সকালের দিকে খাগড়াছড়ি জেলা শহরের কদমতলী পুলিশ ক্লাবের পাশের খোলা মাঠে আয়োজিত দিনব্যাপী প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস।

আয়োজক সংগঠন বিডি-ক্লিন খাগড়াছড়ির সমন্বয়ক মো. সাহাদাত হোসেন কায়েশ জানান, প্রদর্শনীতে পরিত্যক্ত বোতলকে রিসাইক্লিং করে কিভাবে তেল ও গ্যাস উৎপাদন করা যায় সেটিরও প্রতীকী উপস্থাপন করা হবে। 

খাগড়াছড়ি পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলনের সভাপতি প্রদীপ চৌধুরী জানান, আমাদের পর্যটন কেন্দ্রগুলো প্ল্যাস্টিক বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। বিডি-ক্লিনের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে প্ল্যাস্টিকের দূষণরোধে সরকারিভাবে উদ্যোগ নেয়া উচিত। ভবিষ্যৎ প্ল্যাস্টিকের যথেচ্ছ ব্যবহার পরিবেশকে বিপর্যস্ত করে তুলবে।

পরিত্যক্ত প্ল্যাস্টিকে লাল-সবুজের বাংলাদেশ

 খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি 
১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মানচিত্র
মানচিত্র। ছবি: যুগান্তর

বিশ্বব্যাপী ভয়ংকর আতংক প্ল্যাস্টিক। পৃথিবীর জল ও স্থলে উভয় স্থান প্ল্যাস্টিক দূষণের কবলে। প্ল্যাস্টিকের কারণে দূষিত হচ্ছে পাহাড়ের প্রকৃতি ও প্রাণ। বিশেষত পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে প্ল্যাস্টিক বর্জ্যে সয়লাব।

পর্যটকদের অসচেনতনার কারণে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হচ্ছে পর্যটন কেন্দ্র। তবে এ সব প্ল্যাস্টিক বর্জ্যের দূষণ থেকে প্রকৃতি ও প্রাণ বাঁচাতে লড়াই করছে বিডি-ক্লিন খাগড়াছড়ি নামে একটি সংগঠন।

রাঙামাটির পর্যটন কেন্দ্র সাজেকে প্রায় ৭ দিনব্যাপী পরিষ্কার অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০ হাজার পরিত্যক্ত প্ল্যাস্টিক বোতল উদ্ধার করেছে সংগঠনটি। এ ছাড়া খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র থেকে সংগ্রহ করেছে আরও ২৫ হাজার প্ল্যাস্টিক বোতল। পরিত্যক্ত এ সব বোতল নিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করছে সংগঠনটি।

কুড়িয়ে আনা নানা রংয়ের পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতলে বাংলাদেশের লাল-সবুজ মানচিত্র তৈরি করা হয়েছে। শুধু একটি মানচিত্রই নয় কলমদানি, ফুলের টব, ডাস্টবিনসহ নানা ধরনের ‘শো পিস’ তৈরি করা হয়েছে এ সব পরিত্যক্ত বোতলে। যা দেখা যাবে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি-ক্লিন খাগড়াছড়ি আয়োজিত জনসচেতনতামূলক এক প্রদর্শনীতে।

বুধবার সকালের দিকে খাগড়াছড়ি জেলা শহরের কদমতলী পুলিশ ক্লাবের পাশের খোলা মাঠে আয়োজিত দিনব্যাপী প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস।

আয়োজক সংগঠন বিডি-ক্লিন খাগড়াছড়ির সমন্বয়ক মো. সাহাদাত হোসেন কায়েশ জানান, প্রদর্শনীতে পরিত্যক্ত বোতলকে রিসাইক্লিং করে কিভাবে তেল ও গ্যাস উৎপাদন করা যায় সেটিরও প্রতীকী উপস্থাপন করা হবে।

খাগড়াছড়ি পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলনের সভাপতি প্রদীপ চৌধুরী জানান, আমাদের পর্যটন কেন্দ্রগুলো প্ল্যাস্টিক বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। বিডি-ক্লিনের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে প্ল্যাস্টিকের দূষণরোধে সরকারিভাবে উদ্যোগ নেয়া উচিত। ভবিষ্যৎ প্ল্যাস্টিকের যথেচ্ছ ব্যবহার পরিবেশকে বিপর্যস্ত করে তুলবে।