বিয়ের ২ দিন পর ডাকাতের গুলিতে প্রাণ গেল যুবকের
jugantor
বিয়ের ২ দিন পর ডাকাতের গুলিতে প্রাণ গেল যুবকের

  চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৮:২৪:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ের ২ দিন পর ডাকাতের গুলিতে যুবক নিহত

কক্সবাজারে পেকুয়া উপজেলায় বিয়ের দুদিন পর ডাকাত দলের গুলিতে এক মালয়েশিয়া প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার মা ও ছোটভাই।

মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের সাপেরগারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নুরুন্নবী একই এলাকার হাসান শরীফের ছেলে। আহতরা হলেন- মা মাহাজেরা খাতুন (৮০) ও ছোটভাই মোজাম্মেল (২২)।

নিহতের স্বজনরা জানান, এক মাস আগে নুরুন্নবী মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরেন। গত রোববার তার বিয়ে হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে পাঁচজন অতিথি বেড়াতে আসেন।

নিহতের ভাই ফরিদুল আলম বলেন, সন্ধ্যায় মেহমানদের বিদায় জানিয়ে আমি ঘরে ফিরছিলাম। সে সময় মুখোশপরিহিত বেশ কয়েক জন যুবক আমাকে পেছন থেকে জাপটে ধরে। হাত-পা বেঁধে তারা আমাকে মারধর করে মাটিতে ফেলে রাখে।

৮-১০ জনের একটি ডাকাত দল বসতঘরে প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে প্রথম দফায় ব্যর্থ হয়। পরে ডাকাত দলটি বাড়ির পেছনে রান্নাঘরের দরজা ভেঙে বাড়িতে ঢুকে পড়ে।
এ সময় তাদের প্রতিহত করতে চাইলে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে ডাকাত সদস্যরা।

এতে নুরুন্নবী গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়। গুলি ও ধারালো অস্ত্রের কোপে মা হাজেরা খাতুন ও ছোটভাই মোজাম্মেল গুরুতর আহত হয়েছেন।

পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজম বলেন, ডাকাত দলের সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

বিয়ের ২ দিন পর ডাকাতের গুলিতে প্রাণ গেল যুবকের

 চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৮:২৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বিয়ের ২ দিন পর ডাকাতের গুলিতে যুবক নিহত
ফাইল ছবি

কক্সবাজারে পেকুয়া উপজেলায় বিয়ের দুদিন পর ডাকাত দলের গুলিতে এক মালয়েশিয়া প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার মা ও ছোটভাই।

মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের সাপেরগারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নুরুন্নবী একই এলাকার হাসান শরীফের ছেলে। আহতরা হলেন- মা মাহাজেরা খাতুন (৮০) ও ছোটভাই মোজাম্মেল (২২)।

নিহতের স্বজনরা জানান, এক মাস আগে নুরুন্নবী মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরেন। গত রোববার তার বিয়ে হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে পাঁচজন অতিথি বেড়াতে আসেন।

নিহতের ভাই ফরিদুল আলম বলেন, সন্ধ্যায় মেহমানদের বিদায় জানিয়ে আমি ঘরে ফিরছিলাম। সে সময় মুখোশপরিহিত বেশ কয়েক জন যুবক আমাকে পেছন থেকে জাপটে ধরে। হাত-পা বেঁধে তারা আমাকে মারধর করে মাটিতে ফেলে রাখে।

৮-১০ জনের একটি ডাকাত দল বসতঘরে প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে প্রথম দফায় ব্যর্থ হয়। পরে ডাকাত দলটি বাড়ির পেছনে রান্নাঘরের দরজা ভেঙে বাড়িতে ঢুকে পড়ে।
এ সময় তাদের প্রতিহত করতে চাইলে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে ডাকাত সদস্যরা।

এতে নুরুন্নবী গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়। গুলি ও ধারালো অস্ত্রের কোপে মা হাজেরা খাতুন ও ছোটভাই মোজাম্মেল গুরুতর আহত হয়েছেন।

পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজম বলেন, ডাকাত দলের সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন