গাজীপুরে বেওয়ারিশভাবে দাফন করা গলাকাটা লাশটি পুলিশের
jugantor
গাজীপুরে বেওয়ারিশভাবে দাফন করা গলাকাটা লাশটি পুলিশের

  গাজীপুর প্রতিনিধি  

১২ মার্চ ২০২০, ২১:০৪:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

পুলিশ

গাজীপুরে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের কাছ থেকে ৪ মার্চ উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত পরিচয়ের গলা কাটালাশের পরিচয় বের করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

উদ্ধারকৃত ওই লাশটি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের এক সদস্যের। তার নাম মো. শরীফ আহমেদ (৩৩)।

তিনি ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার ঝিলকি এলাকার মো. আলাউদ্দিন ফকিরের ছেলে। নিহত শরীফ আহমেদ গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগে প্রায় ৬ মাস ধরে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

গত ৮ মার্চ বেওয়ারিশ হিসেবে তার লাশ গাজীপুর মহানগরীর পূর্ব চান্দনা কবরস্থানে দাফন করা হয়। নিহতের বাবা মো. আলাউদ্দিন হোসেন একজন পুলিশ সদস্য। তিনি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা শহর ফাঁড়িতে কনস্টেবল পদে কর্মরত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কবর থেকে লাশ উত্তোলনের জন্য আবেদন করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে শনাক্তের পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গাজীপুর সদর মেট্রো থানার এসআই লুৎফর রহমান বলেন, বেওয়ারিশ হিসেবে লাশ দাফনের চার দিনের মাথায় নিহতের ফিঙ্গার প্রিন্ট পরীক্ষা করে গাজীপুরের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে।

তিনি বলেন, গত ৪ মার্চ দুপুরে গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ৪ নম্বর গেটের কাছে রাস্তার পূর্ব পাশ থেকে পুলিশ কনস্টেবল শরীফ আহমেদের গলা কাটা করা লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর লাশের ময়নাতদন্ত করে ও ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়েও তার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

গত ৮ মার্চ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পূর্ব চান্দনা কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে তার লাশ দাফন করা হয়। তখনও পুলিশ সদস্যরা জানত না এটি তাদের সহকর্মী পুলিশ সদস্যের লাশ।

এদিকে গত ৩ মার্চ শরীফ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার বাবা পুলিশ কনস্টেবল মো. আলাউদ্দিন টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি জিডি করেন।

জিডিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, ২১ দিন ছুটি কাটিয়ে গত ২ মার্চ কর্মস্থলে যোগ দেন শরীফ। সর্বশেষ ৩ মার্চ রাত ১১টা ১০ মিনিটে তার স্ত্রী ও ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এরপর থেকে তার কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না।

নিহতের মামা আব্দুস সালাম বলেন, শরীফ একজন পুলিশ সদস্য ছিল। তাকে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা অত্যন্ত দুঃখজনক। তার মুখমণ্ডল বিকৃত হয়নি। দেখে স্পষ্ট বুঝা যায় এটিই শরীফ।

তিনি আরও বলেন, বুধবার রাত ১০টার দিকে গাজীপুর পিবিআইয়ের এসআই সুমন ফোন করে লাশের পরিচয় শনাক্তের কথা জানিয়েছেন।

গাজীপুরে বেওয়ারিশভাবে দাফন করা গলাকাটা লাশটি পুলিশের

 গাজীপুর প্রতিনিধি 
১২ মার্চ ২০২০, ০৯:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পুলিশ
পুলিশ। ফাইল ছবি

গাজীপুরে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের কাছ থেকে ৪ মার্চ উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত পরিচয়ের গলা কাটালাশের পরিচয় বের করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 

উদ্ধারকৃত ওই লাশটি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের এক সদস্যের। তার নাম মো. শরীফ আহমেদ (৩৩)। 

তিনি ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার ঝিলকি এলাকার মো. আলাউদ্দিন ফকিরের ছেলে। নিহত শরীফ আহমেদ গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগে প্রায় ৬ মাস ধরে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। 

গত ৮ মার্চ বেওয়ারিশ হিসেবে তার লাশ গাজীপুর মহানগরীর পূর্ব চান্দনা কবরস্থানে দাফন করা হয়। নিহতের বাবা মো. আলাউদ্দিন হোসেন একজন পুলিশ সদস্য। তিনি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা শহর ফাঁড়িতে কনস্টেবল পদে কর্মরত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কবর থেকে লাশ উত্তোলনের জন্য আবেদন করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে শনাক্তের পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গাজীপুর সদর মেট্রো থানার এসআই লুৎফর রহমান বলেন, বেওয়ারিশ হিসেবে লাশ দাফনের চার দিনের মাথায় নিহতের ফিঙ্গার প্রিন্ট পরীক্ষা করে গাজীপুরের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে।

তিনি বলেন, গত ৪ মার্চ দুপুরে গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ৪ নম্বর গেটের কাছে রাস্তার পূর্ব পাশ থেকে পুলিশ কনস্টেবল শরীফ আহমেদের গলা কাটা করা লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর লাশের ময়নাতদন্ত করে ও ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়েও তার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। 

গত ৮ মার্চ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পূর্ব চান্দনা কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে তার লাশ দাফন করা হয়। তখনও পুলিশ সদস্যরা জানত না এটি তাদের সহকর্মী পুলিশ সদস্যের লাশ। 

এদিকে গত ৩ মার্চ শরীফ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার বাবা পুলিশ কনস্টেবল মো. আলাউদ্দিন টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি জিডি করেন। 

জিডিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, ২১ দিন ছুটি কাটিয়ে গত ২ মার্চ কর্মস্থলে যোগ দেন শরীফ। সর্বশেষ ৩ মার্চ রাত ১১টা ১০ মিনিটে তার স্ত্রী ও ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এরপর থেকে তার কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না।

নিহতের মামা আব্দুস সালাম বলেন, শরীফ একজন পুলিশ সদস্য ছিল। তাকে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা অত্যন্ত দুঃখজনক। তার মুখমণ্ডল বিকৃত হয়নি। দেখে স্পষ্ট বুঝা যায় এটিই শরীফ। 

তিনি আরও বলেন, বুধবার রাত ১০টার দিকে গাজীপুর পিবিআইয়ের এসআই সুমন ফোন করে লাশের পরিচয় শনাক্তের কথা জানিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন