শিকলমুক্ত হলেন বগুড়ার ফাহিমা
jugantor
শিকলমুক্ত হলেন বগুড়ার ফাহিমা

  বগুড়া ব্যুরো  

০৩ এপ্রিল ২০২০, ২১:৫২:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ফাহিমা খাতুন

বগুড়ার শিবগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে শিকলমুক্ত হলেন ফাহিমা খাতুন (২৮) নামে এক নারী।

বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ বাবার বাড়ি আটমূল ইউনিয়নের আওড়াপাড়া থেকে তাকে মুক্ত করে দেয়। তিনি ওই গ্রামের আবদুল করিমের মেয়ে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবির জানান, ফাহিমা মানসিক প্রতিবন্ধী হলে তাকে চিকিৎসা ও ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।

শিবগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করায় ফাহিমা ৭ বছর আগে বাপের বাড়ি চলে আসেন। এরপর তার অত্যাচারে অতিষ্ট মা তাকে শিকলবন্দী করেন। এখন তাকে তিনদিন নজরদারিতে রাখতে স্থানীয়দের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সমস্যা মনে হলে তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হবে।

মা মেহেরুননেছা জানান, ফাহিমা বেশ কিছুদিন যাবৎ অস্বাভাবিক আচরণসহ ঘরের জিনিসপত্র ভাংচুর করত। এ কারণে ৯ দিন আগে ঘরের মেঝেতে খাটের সঙ্গে শিকল দিয়ে তার হাত-পা বেঁধে রাখা হয়। এ অবস্থায়ই ঘুমাতো ও খাওয়া-দাওয়া করতো ফাহিমা।

তবে ফাহিমার অভিযোগ, তিনি সুস্থ। বাড়িতে বসে বসে খাওয়ার কারণে মা তাকে মারধর করেন। এজন্য তিনি ঘরের কিছু জিনিসপত্র ভেঙে ফেলেছেন।

শিকলমুক্ত হলেন বগুড়ার ফাহিমা

 বগুড়া ব্যুরো 
০৩ এপ্রিল ২০২০, ০৯:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফাহিমা খাতুন
ফাহিমা খাতুন। ছবি: যুগান্তর

বগুড়ার শিবগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে শিকলমুক্ত হলেন ফাহিমা খাতুন (২৮) নামে এক নারী। 

বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ বাবার বাড়ি আটমূল ইউনিয়নের আওড়াপাড়া থেকে তাকে মুক্ত করে দেয়। তিনি ওই গ্রামের আবদুল করিমের মেয়ে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবির জানান, ফাহিমা মানসিক প্রতিবন্ধী হলে তাকে চিকিৎসা ও ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।

শিবগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করায় ফাহিমা ৭ বছর আগে বাপের বাড়ি চলে আসেন। এরপর তার অত্যাচারে অতিষ্ট মা তাকে শিকলবন্দী করেন। এখন তাকে তিনদিন নজরদারিতে রাখতে স্থানীয়দের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সমস্যা মনে হলে তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হবে। 

মা মেহেরুননেছা জানান, ফাহিমা বেশ কিছুদিন যাবৎ অস্বাভাবিক আচরণসহ ঘরের জিনিসপত্র ভাংচুর করত। এ কারণে ৯ দিন আগে ঘরের মেঝেতে খাটের সঙ্গে শিকল দিয়ে তার হাত-পা বেঁধে রাখা হয়। এ অবস্থায়ই ঘুমাতো ও খাওয়া-দাওয়া করতো ফাহিমা।

তবে ফাহিমার অভিযোগ, তিনি সুস্থ। বাড়িতে বসে বসে খাওয়ার কারণে মা তাকে মারধর করেন। এজন্য তিনি ঘরের কিছু জিনিসপত্র ভেঙে ফেলেছেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন