মহম্মদপুরে অসহায়দের দশ টাকায় একদিনের বাজার দিচ্ছেন ১০ তরুণ
jugantor
মহম্মদপুরে অসহায়দের দশ টাকায় একদিনের বাজার দিচ্ছেন ১০ তরুণ

  মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি  

১৫ এপ্রিল ২০২০, ০৫:২৭:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

মহম্মদপুরে অসহায়দের ১০ টাকায় একদিনের বাজার দিচ্ছেন ১০ তরুণ
১০ তরুণের ১০ টাকার সদাইয়ের দোকান থেকে সামাজিক দূরত্ব মেনে খাদ্যসামগ্রী নিচ্ছেন অসহায়রা। ছবি: যুগান্তর

করোনাভাইরাসের কারণে ঘরবন্দি হয়ে থাকা অসহায়-দুস্থদের সহায়তায় অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ১০ তরুণ।

মাত্র ১০ টাকার বিনিময়ে একদিনের খাদ্যসামগ্রী স্থানীয় দরিদ্রদের হাতে তুলে দিচ্ছেন তারা।

এ মানবিক কর্মটি করলেও নিজেদের নাম-পরিচয় গণমাধ্যমে প্রকাশ করতে চাইছেন না এসব তরুণ।
 
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে দরিদ্রদের বাছাই করছেন এসব তরুণ। তাদের প্রতিটি পরিবারের হাতে পৌঁছে দিচ্ছেন একটি কার্ড। এ কার্ড নিয়ে তাদের দোকানে গেলেই মিলছে ১০ টাকায় একদিনের খাদ্যসামগ্রী।

জানা গেছে, গত ৯ এপ্রিল থেকে এই ১০জন তরুণ তাদের নিজ অর্থায়নে এ মানবিক উদ্যোগটি চালু করেন। পরে তাদের সহযোগিতায় এলাকার বিত্তবানরা এগিয়ে আসেন। প্রতিদিনই ৬০ থেকে ৭০ জন দরিদ্র তাদের দোকান থেকে ১০ টাকায় একদিনের বাজার নিতে পারছেন।

এ বাজারের মধ্যে রয়েছে- ৩ কেজি চাল, ১ কেজি আলু, ২৫০ গ্রাম ডাল, ২০০ গ্রাম পেঁয়াজ ও রসুন, ১ প্যাকেট লবন ও ১ হালি ডিম। যার আনুমানিক মূল্য ১৮৯ টাকা।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ উদ্যোগের প্রধান সমন্বয়ক জানান, চলমান সংকটে চক্ষুলজ্জায় যারা ত্রাণ নিচ্ছেন না তাদেরকে খুঁজে বের করে সদাই দিচ্ছি আমরা। তবে কেউ যাতে মনে না করে করেন যে, তাদের ভিক্ষা দেয়া হচ্ছে তাই ১০ টাকা রাখা হয়। আমরা এ কার্যক্রমকে বাড়িয়ে নিয়ে প্রতিটি গ্রামে দরিদ্রদের দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বর্তমানে প্রতিদিন ভ্রাম্যমানভাবে কিছু পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দেয়া হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আগ্রহী আমরা।

এখান থেকে সদাই নেয়া সরোকা, রুবিয়া ও মিজানুর শেখসহ আরো কয়েকজন বলেন, অনেকদিন ঘরে বসা। কাজ-কাম করি না। বসে খেতে খেতে ঘরে টাকা পয়সা নেই । এখান থেকে নামমাত্র ১০ টাকায় সদাই নিয়ে পরিবারকে খাওয়াতে পারছি।


উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মিজানূর বলেন, দেশের এ ক্লান্তিকালে তরুণদের এ উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানিয়েছি। তারা খুবই মহৎ কাজ করছে। আমিও তাদের দোকানে সাহায্য করব। আমি আশা করি সমাজের বিত্তবানরা এ বাজারে সহযোগিতা করবেন।

 

মহম্মদপুরে অসহায়দের দশ টাকায় একদিনের বাজার দিচ্ছেন ১০ তরুণ

 মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি 
১৫ এপ্রিল ২০২০, ০৫:২৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মহম্মদপুরে অসহায়দের ১০ টাকায় একদিনের বাজার দিচ্ছেন ১০ তরুণ
১০ তরুণের ১০ টাকার সদাইয়ের দোকান থেকে সামাজিক দূরত্ব মেনে খাদ্যসামগ্রী নিচ্ছেন অসহায়রা। ছবি: যুগান্তর

করোনাভাইরাসের কারণে ঘরবন্দি হয়ে থাকা অসহায়-দুস্থদের সহায়তায় অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ১০ তরুণ।

মাত্র ১০ টাকার বিনিময়ে একদিনের খাদ্যসামগ্রী স্থানীয় দরিদ্রদের হাতে তুলে দিচ্ছেন তারা।

এ মানবিক কর্মটি করলেও নিজেদের নাম-পরিচয় গণমাধ্যমে প্রকাশ করতে চাইছেন না এসব তরুণ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে দরিদ্রদের বাছাই করছেন এসব তরুণ। তাদের প্রতিটি পরিবারের হাতে পৌঁছে দিচ্ছেন একটি কার্ড। এ কার্ড নিয়ে তাদের দোকানে গেলেই মিলছে ১০ টাকায় একদিনের খাদ্যসামগ্রী।

জানা গেছে, গত ৯ এপ্রিল থেকে এই ১০জন তরুণ তাদের নিজ অর্থায়নে এ মানবিক উদ্যোগটি চালু করেন। পরে তাদের সহযোগিতায় এলাকার বিত্তবানরা এগিয়ে আসেন। প্রতিদিনই ৬০ থেকে ৭০ জন দরিদ্র তাদের দোকান থেকে ১০ টাকায় একদিনের বাজার নিতে পারছেন।

এ বাজারের মধ্যে রয়েছে- ৩ কেজি চাল, ১ কেজি আলু, ২৫০ গ্রাম ডাল, ২০০ গ্রাম পেঁয়াজ ও রসুন, ১ প্যাকেট লবন ও ১ হালি ডিম। যার আনুমানিক মূল্য ১৮৯ টাকা।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ উদ্যোগের প্রধান সমন্বয়ক জানান, চলমান সংকটে চক্ষুলজ্জায় যারা ত্রাণ নিচ্ছেন না তাদেরকে খুঁজে বের করে সদাই দিচ্ছি আমরা। তবে কেউ যাতে মনে না করে করেন যে, তাদের ভিক্ষা দেয়া হচ্ছে তাই ১০ টাকা রাখা হয়। আমরা এ কার্যক্রমকে বাড়িয়ে নিয়ে প্রতিটি গ্রামে দরিদ্রদের দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বর্তমানে প্রতিদিন ভ্রাম্যমানভাবে কিছু পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দেয়া হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আগ্রহী আমরা।

এখান থেকে সদাই নেয়া সরোকা, রুবিয়া ও মিজানুর শেখসহ আরো কয়েকজন বলেন, অনেকদিন ঘরে বসা। কাজ-কাম করি না। বসে খেতে খেতে ঘরে টাকা পয়সা নেই । এখান থেকে নামমাত্র ১০ টাকায় সদাই নিয়ে পরিবারকে খাওয়াতে পারছি।


উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মিজানূর বলেন, দেশের এ ক্লান্তিকালে তরুণদের এ উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানিয়েছি। তারা খুবই মহৎ কাজ করছে। আমিও তাদের দোকানে সাহায্য করব। আমি আশা করি সমাজের বিত্তবানরা এ বাজারে সহযোগিতা করবেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস