টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ২ ভাই নিহত
jugantor
টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ২ ভাই নিহত

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

১৭ জুলাই ২০২০, ১২:২১:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই ভাই নিহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন- চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার আমিনুল ইসলামের ছেলে আমানুল হক ওরফে মো. ফারুক (৩৭) ও আজাদুল হক (২৩)।

শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে টেকনাফের চকবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের দাবি, নিহতরা মাদক কারবারি। চট্টগ্রামের চন্দনাইশ এলাকা থেকে টেকনাফে ইয়াবা কিনতে গেলে তারা আটক হন। পরে তাদেরকে নিয়ে ইয়াবা উদ্ধার অভিযানে গেলে বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে বলেও দাবি করেছেন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

তিনি যুগান্তরকে জানান, টেকনাফের মৌলভীপাড়া এলাকায় ইয়াবা কিনতে এলে আজাদুল হক নামে একজনকে আটক করা হয়। পরে তার তথ্যের ভিত্তিতে মূলহোতা বড় ভাই ফারুককে আটক করা হয়। একপর্যায়ে দুই ভাইকে নিয়ে চকবাজার এলাকায় ইয়াবা উদ্ধার অভিযানে গেলে সহযোগীরা পুলিশের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে।

‘এতে এএসআই মাজাহার, কনস্টেবল দ্বীন ইসলাম ও আমজাদ গুলিবিদ্ধ হয়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়ে। এসময় ইয়াবা কারবারিদের গুলিতে ফারুক ও আজাদ আহত হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

ওসির দাবি, ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে ২টি দেশীয় তৈরি এলজি, ১১ রাউন্ড কার্তুজ ও ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতার মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ২ ভাই নিহত

 টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
১৭ জুলাই ২০২০, ১২:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই ভাই নিহত হয়েছেন। 

নিহতরা হলেন- চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার আমিনুল ইসলামের ছেলে আমানুল হক ওরফে মো. ফারুক (৩৭) ও আজাদুল হক (২৩)। 

শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে টেকনাফের চকবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশের দাবি, নিহতরা মাদক কারবারি। চট্টগ্রামের চন্দনাইশ এলাকা থেকে টেকনাফে ইয়াবা কিনতে গেলে তারা আটক হন। পরে তাদেরকে নিয়ে ইয়াবা উদ্ধার অভিযানে গেলে বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে। 

ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে বলেও দাবি করেছেন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

তিনি যুগান্তরকে জানান, টেকনাফের মৌলভীপাড়া এলাকায় ইয়াবা কিনতে এলে আজাদুল হক নামে একজনকে আটক করা হয়। পরে তার তথ্যের ভিত্তিতে মূলহোতা বড় ভাই ফারুককে আটক করা হয়। একপর্যায়ে দুই ভাইকে নিয়ে চকবাজার এলাকায় ইয়াবা উদ্ধার অভিযানে গেলে সহযোগীরা পুলিশের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে। 
 
‘এতে এএসআই মাজাহার, কনস্টেবল দ্বীন ইসলাম ও আমজাদ গুলিবিদ্ধ হয়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়ে। এসময় ইয়াবা কারবারিদের গুলিতে ফারুক ও আজাদ আহত হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’ 

ওসির দাবি, ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে ২টি দেশীয় তৈরি এলজি, ১১ রাউন্ড কার্তুজ ও ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। 

এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতার মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন