যবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদককে লাঞ্ছনার অভিযোগ
jugantor
যবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদককে লাঞ্ছনার অভিযোগ

  যশোর ব্যুরো  

২১ জুলাই ২০২০, ০০:৪০:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামরুল হাসান লাঞ্ছিতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার বেলা ২টার দিকে নিজ দপ্তরে কর্মকর্তা কর্মচারীদের একাংশের হামলায় চেয়ার, টেবিল ভাংচুর, গালিগালাজ করা হয়েছে। এই ঘটনায় কর্মকর্তা কর্মচারীদের উভয়পক্ষের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

তবে অভিযুক্ত বদিউজ্জামান বাদলের দাবি, ওই কর্মকর্তা গালিগালাজ করায় কর্মচারীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। সেখানে হামলা, ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি।

এ প্রসঙ্গে সন্ধ্যায় সাঁজিয়ালি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই কামরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। সেকশন অফিসার ও কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসানের কক্ষে দুইপক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। কর্মচারী বদিউজ্জামান বাদলের নেতৃত্বে চড়াও হয়।  প্রাথমিকভাবে হামলা, ভাংচুরের আলামত পাইনি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইপক্ষকে ডেকেছি। এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি।

যবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামরুল হাসান বলেন, রোববার উপাচার্যের সঙ্গে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন ও কর্মচারী সমিতির বৈঠক ছিল।  ওই সভার আলোচনার ভিত্তিতে আজ কর্মকর্তা কর্মচারীদের পদোন্নতি ও দাবি দাওয়া সংক্রান্ত একটি চিঠির খসড়া তৈরির জন্য আমার কক্ষে নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বসেছিলাম। বেলা ২টার দিকে ট্রেজারার দপ্তরের সামনে কর্মচারী বদিউজ্জামান বাদলের চিৎকার শুনতে পাই।

তিনি বলেন, এক পর্যায়ে বাদলের নেতৃত্বে মালি মোস্তাক, সেকশন অফিসার ইকবাল হোসেন, শাহীন হোসেন, কর্মচারী ইমদাদুল, আরিফুল ইসলাম শিনসহ বেশ কয়েকজন আমার কক্ষে প্রবেশ করেন। তখন আমি মোবাইলে কথা বলছিলাম। কক্ষে ঢুকেই আমাকে গালিগালাজ শুরু করেন। এরপর থাবা মেরে আমার হাত থেকে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চড়াও হয় তারা। তার সঙ্গে থাকা দলবল কক্ষের চেয়ার টেবিল ও কম্পিউটার তছনছ করেছে। তারা আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে অকথ্য গালিগালাজ করেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।

এক প্রশ্নের জবাবে এটিএম কামরুল হাসান বলেন, কর্মচারী বদিউজ্জামান বাদল বহিষ্কৃত ছিলেন। উচ্চ আদালতের রায়ে সম্প্রতি যোগদান করেছেন। আমরা কর্মকর্তা কর্মচারীদের পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়ে চিঠির খসড়া করছিলাম। এজন্য ক্ষুব্ধ হতে পারেন। সেই জন্য আমার উপর চড়াও হয়ে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। তাছাড়া তার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত কোন বিরোধ নেই।

রাত ৮টার দিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে বদিউজ্জামান বাদল বলেন, হামলা, ভাংচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। দুপুরে ভিসির সঙ্গে কর্মকর্তা কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দের সভা ছিল। সেখানে পদোন্নতি সংক্রান্ত আলোচনা ছিল। আমরা বাইরে ছিলাম। সভা শেষে ৩০-৪০জন কর্মচারী মিলে কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদকের রুমে গিয়েছিলাম। সেখানে কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দও ছিলেন। আমি বলি, ভাই আপনার সাথে কিছু কথা বলবো। তখন উনি (কামরুল হাসান) কর্মচারীদের শুয়োরের বাচ্চা বলে গালিগালাজ করেন। এক পর্যায়ে কর্মচারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়।

তিনি বলেন, ঘটনার পর সাঁজিয়ালি পুলিশ ফাঁড়ি ডেকে নিয়ে বসিয়ে রেখেছে। কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসানও এসেছেন।

যবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদককে লাঞ্ছনার অভিযোগ

 যশোর ব্যুরো 
২১ জুলাই ২০২০, ১২:৪০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামরুল হাসান লাঞ্ছিতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার বেলা ২টার দিকে নিজ দপ্তরে কর্মকর্তা কর্মচারীদের একাংশের হামলায় চেয়ার, টেবিল ভাংচুর, গালিগালাজ করা হয়েছে। এই ঘটনায় কর্মকর্তা কর্মচারীদের উভয়পক্ষের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

তবে অভিযুক্ত বদিউজ্জামান বাদলের দাবি, ওই কর্মকর্তা গালিগালাজ করায় কর্মচারীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। সেখানে হামলা, ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি।

এ প্রসঙ্গে সন্ধ্যায় সাঁজিয়ালি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই কামরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। সেকশন অফিসার ও কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসানের কক্ষে দুইপক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। কর্মচারী বদিউজ্জামান বাদলের নেতৃত্বে চড়াও হয়। প্রাথমিকভাবে হামলা, ভাংচুরের আলামত পাইনি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইপক্ষকে ডেকেছি। এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি।

যবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামরুল হাসান বলেন, রোববার উপাচার্যের সঙ্গে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন ও কর্মচারী সমিতির বৈঠক ছিল। ওই সভার আলোচনার ভিত্তিতে আজ কর্মকর্তা কর্মচারীদের পদোন্নতি ও দাবি দাওয়া সংক্রান্ত একটি চিঠির খসড়া তৈরির জন্য আমার কক্ষে নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বসেছিলাম। বেলা ২টার দিকে ট্রেজারার দপ্তরের সামনে কর্মচারী বদিউজ্জামান বাদলের চিৎকার শুনতে পাই।

তিনি বলেন, এক পর্যায়ে বাদলের নেতৃত্বে মালি মোস্তাক, সেকশন অফিসার ইকবাল হোসেন, শাহীন হোসেন, কর্মচারী ইমদাদুল, আরিফুল ইসলাম শিনসহ বেশ কয়েকজন আমার কক্ষে প্রবেশ করেন। তখন আমি মোবাইলে কথা বলছিলাম। কক্ষে ঢুকেই আমাকে গালিগালাজ শুরু করেন। এরপর থাবা মেরে আমার হাত থেকে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চড়াও হয় তারা। তার সঙ্গে থাকা দলবল কক্ষের চেয়ার টেবিল ও কম্পিউটার তছনছ করেছে। তারা আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে অকথ্য গালিগালাজ করেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।

এক প্রশ্নের জবাবে এটিএম কামরুল হাসান বলেন, কর্মচারী বদিউজ্জামান বাদল বহিষ্কৃত ছিলেন। উচ্চ আদালতের রায়ে সম্প্রতি যোগদান করেছেন। আমরা কর্মকর্তা কর্মচারীদের পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়ে চিঠির খসড়া করছিলাম। এজন্য ক্ষুব্ধ হতে পারেন। সেই জন্য আমার উপর চড়াও হয়ে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। তাছাড়া তার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত কোন বিরোধ নেই।

রাত ৮টার দিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে বদিউজ্জামান বাদল বলেন, হামলা, ভাংচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। দুপুরে ভিসির সঙ্গে কর্মকর্তা কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দের সভা ছিল। সেখানে পদোন্নতি সংক্রান্ত আলোচনা ছিল। আমরা বাইরে ছিলাম। সভা শেষে ৩০-৪০জন কর্মচারী মিলে কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদকের রুমে গিয়েছিলাম। সেখানে কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দও ছিলেন। আমি বলি, ভাই আপনার সাথে কিছু কথা বলবো। তখন উনি (কামরুল হাসান) কর্মচারীদের শুয়োরের বাচ্চা বলে গালিগালাজ করেন। এক পর্যায়ে কর্মচারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়।

তিনি বলেন, ঘটনার পর সাঁজিয়ালি পুলিশ ফাঁড়ি ডেকে নিয়ে বসিয়ে রেখেছে। কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসানও এসেছেন।