তহশিলদারের গলায় ছুরি ধরে ডিসিআর লুট যুবলীগ নেতার
jugantor
তহশিলদারের গলায় ছুরি ধরে ডিসিআর লুট যুবলীগ নেতার

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

২১ জুলাই ২০২০, ২১:৫৩:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালী সদরের মৃধারহাট ভূমি অফিসের তহশিলদার আবদুল হাইয়ের গলায় ছুরি ধরে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে সরকারি ডিসিআর লুট করে নিয়েছে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত। তারা অফিসে ঢুকে সহকারী কমিশনারকেও (ভূমি) হুমকি-ধমকি দেয়।

মৃধারহাট ভূমি অফিসের তহশিলদার আবদুল হাই জানান, প্রতিদিনের মতো ১৪ জুলাই তহশিলে বসে কাজ করছিলেন তিনি। দুপুর দেড়টার দিকে নেয়াজপুর ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন শামীম ও তার সহযোগী যুবলীগ নেতা জিয়া উদ্দিন রাব্বির নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত তার অফিসে হামলা করে চেয়ার, টেবিল ও আলমারিতে লাথি মারে। তাকে ১১৫নং জাহানাবাদ মৌজার সরকারের নদী শ্রেণির ১৬.৫৫ একর জায়গা-সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য ডিসিআর কেটে দিতে বলে। তিনি রাজী না হওয়ায় যুবলীগ সভাপতি ও তার লোকজন গলায় ছুরি ধরে জোর পূর্বক ডিসিআর বইতে স্বাক্ষর করিয়ে তা লুট করে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে আবদুল হাই সুধারাম থানায় যুবলীগ সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন শামীমসহ যুবলীগ নেতা জিয়া উদ্দিন রাব্বি, জয়নাল আবেদিন, দেলোয়ার হোসেন, বেলায়েত হোসেন, আকবার হোসেন, জসিমউদ্দীন, খলিলুর রহমান ও মো. রাকিবকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

তহশিলদার কেন মামলা করল তা নিয়ে জিয়া উদ্দিন রাব্বি সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে গিয়ে মামলা প্রত্যাহার করা না হলে তহশিলদারকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়।

একটি সূত্র জানায়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখন তাকে আপাতত তহশিলে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাকারিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, যুবলীগ সভাপতির নেতৃত্বে এ চক্রটি ১১৫নং জাহানাবাদ মৌজার ১৮৬ দাগের সরকারের নদীশ্রেণির ১৬.৫৫ একর জায়গা-সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য তহশিলদারকে রাজী করাতে না পারায় তার গলায় ছুরি ধরে ডিসিআরে স্বাক্ষর করিয়ে তা লুট করে নিয়েছে। আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

সুধারাম থানার ওসি নবির হোসেন বলেন, আসামিরা পলাতক থাকায় গ্রেফতার করা যাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে যুবলীগ সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন শামীম বলেন, এ সম্পত্তির মালিক তারা। তহশিলদার ডিসিআর দিচ্ছিল না তাই সমস্যা হয়েছে।

তহশিলদারের গলায় ছুরি ধরে ডিসিআর লুট যুবলীগ নেতার

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
২১ জুলাই ২০২০, ০৯:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালী সদরের মৃধারহাট ভূমি অফিসের তহশিলদার আবদুল হাইয়ের গলায় ছুরি ধরে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে সরকারি ডিসিআর লুট করে নিয়েছে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত। তারা অফিসে ঢুকে সহকারী কমিশনারকেও (ভূমি) হুমকি-ধমকি দেয়।

মৃধারহাট ভূমি অফিসের তহশিলদার আবদুল হাই জানান, প্রতিদিনের মতো ১৪ জুলাই তহশিলে বসে কাজ করছিলেন তিনি। দুপুর দেড়টার দিকে নেয়াজপুর ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন শামীম ও তার সহযোগী যুবলীগ নেতা জিয়া উদ্দিন রাব্বির নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত তার অফিসে হামলা করে চেয়ার, টেবিল ও আলমারিতে লাথি মারে। তাকে ১১৫নং জাহানাবাদ মৌজার সরকারের নদী শ্রেণির ১৬.৫৫ একর জায়গা-সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য ডিসিআর কেটে দিতে বলে। তিনি রাজী না হওয়ায় যুবলীগ সভাপতি ও তার লোকজন গলায় ছুরি ধরে জোর পূর্বক ডিসিআর বইতে স্বাক্ষর করিয়ে তা লুট করে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে আবদুল হাই সুধারাম থানায় যুবলীগ সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন শামীমসহ যুবলীগ নেতা জিয়া উদ্দিন রাব্বি, জয়নাল আবেদিন, দেলোয়ার হোসেন, বেলায়েত হোসেন, আকবার হোসেন, জসিমউদ্দীন, খলিলুর রহমান ও মো. রাকিবকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

তহশিলদার কেন মামলা করল তা নিয়ে জিয়া উদ্দিন রাব্বি সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে গিয়ে মামলা প্রত্যাহার করা না হলে তহশিলদারকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়।

একটি সূত্র জানায়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখন তাকে আপাতত তহশিলে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাকারিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, যুবলীগ সভাপতির নেতৃত্বে এ চক্রটি ১১৫নং জাহানাবাদ মৌজার ১৮৬ দাগের সরকারের নদীশ্রেণির ১৬.৫৫ একর জায়গা-সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য তহশিলদারকে রাজী করাতে না পারায় তার গলায় ছুরি ধরে ডিসিআরে স্বাক্ষর করিয়ে তা লুট করে নিয়েছে। আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

সুধারাম থানার ওসি নবির হোসেন বলেন, আসামিরা পলাতক থাকায় গ্রেফতার করা যাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে যুবলীগ সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন শামীম বলেন, এ সম্পত্তির মালিক তারা। তহশিলদার ডিসিআর দিচ্ছিল না তাই সমস্যা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন