প্রথমবারের মতো কোরবানি দেবে প্রতিবন্ধী পরিবার
jugantor
প্রথমবারের মতো কোরবানি দেবে প্রতিবন্ধী পরিবার

  নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২৯ জুলাই ২০২০, ২৩:৫৩:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পাঁচ সদস্যের পরিবারে চারজনই প্রতিবন্ধী। পেশা তাদের ভিক্ষাবৃত্তি। এমনই একটি পরিবার রয়েছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার শেরপুর গ্রামে। প্রথমবারের মতো কোরবানি করবে ওই প্রতিবন্ধী পরিবারটি।

মো. বারিকের তিন ছেলে আবুল কালাম, রবিউল ইসলাম, রতন মিয়া ও তার স্ত্রী সফুরা আক্তার এই পাঁচজনকে নিয়ে তাদের সংসার। বসবাস করতেন একটি জীর্ণ-শীর্ণ ঘরে। একমাত্র আ. বারিক ছাড়া সবাই শারীরিক প্রতিবন্ধী। তিনিই একমাত্র কর্মক্ষম ব্যক্তি।

এই অসহায় পরিবারের দুর্দশার কথা মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে গত বছর নজরে আসে প্রশাসনের। এরপর উপজেলা প্রশাসনের আন্তরিকতায় তারা একটি সরকারি ঘর পায়। উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে তাদের সবাইকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাতা কার্ড দেয়া হয়।

এই পরিবারটি কোনো দিন কোরবানি করে দেখেনি। মানুষের দানে পাওয়া মাংস পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ‘আপনার কোরবানি অন্যের আহার’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে মুক্তির বন্ধন ফাউন্ডেশন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এ বছর এই পরিবারটির হাতে একটি খাসিসহ ঈদের সামগ্রী তুলে দিয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. এরশাদ উদ্দীন, সমাজসেবা অফিসার মো. ইনসান আলী, সাংবাদিক আবু হানিফ সরকার, ফরিদ মিয়া ও মানবাধিকার কর্মী সাইদুল ইসলাম, সংগঠনের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর আজহারুল ইসলাম পলাশ ও অন্য সদস্যবৃন্দ।

খুশিতে আত্মহারা হয়ে পরিবারের পক্ষে আ. বারিক সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ইউএনও মো. এরশাদ উদ্দীন বলেন, একটি ভালো কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে গর্ববোধ করছি। প্রতিটি মানুষকে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে এভাবেই মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রথমবারের মতো কোরবানি দেবে প্রতিবন্ধী পরিবার

 নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২৯ জুলাই ২০২০, ১১:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাঁচ সদস্যের পরিবারে চারজনই প্রতিবন্ধী। পেশা তাদের ভিক্ষাবৃত্তি। এমনই একটি পরিবার রয়েছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার শেরপুর গ্রামে। প্রথমবারের মতো কোরবানি করবে ওই প্রতিবন্ধী পরিবারটি।

মো. বারিকের তিন ছেলে আবুল কালাম, রবিউল ইসলাম, রতন মিয়া ও তার স্ত্রী সফুরা আক্তার এই পাঁচজনকে নিয়ে তাদের সংসার। বসবাস করতেন একটি জীর্ণ-শীর্ণ ঘরে। একমাত্র আ. বারিক ছাড়া সবাই শারীরিক প্রতিবন্ধী। তিনিই একমাত্র কর্মক্ষম ব্যক্তি।

এই অসহায় পরিবারের দুর্দশার কথা মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে গত বছর নজরে আসে প্রশাসনের। এরপর উপজেলা প্রশাসনের আন্তরিকতায় তারা একটি সরকারি ঘর পায়। উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে তাদের সবাইকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাতা কার্ড দেয়া হয়।

এই পরিবারটি কোনো দিন কোরবানি করে দেখেনি। মানুষের দানে পাওয়া মাংস পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ‘আপনার কোরবানি অন্যের আহার’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে মুক্তির বন্ধন ফাউন্ডেশন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এ বছর এই পরিবারটির হাতে একটি খাসিসহ ঈদের সামগ্রী তুলে দিয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. এরশাদ উদ্দীন, সমাজসেবা অফিসার মো. ইনসান আলী, সাংবাদিক আবু হানিফ সরকার, ফরিদ মিয়া ও মানবাধিকার কর্মী সাইদুল ইসলাম, সংগঠনের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর আজহারুল ইসলাম পলাশ ও অন্য সদস্যবৃন্দ।

খুশিতে আত্মহারা হয়ে পরিবারের পক্ষে আ. বারিক সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ইউএনও মো. এরশাদ উদ্দীন বলেন, একটি ভালো কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে গর্ববোধ করছি। প্রতিটি মানুষকে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে এভাবেই মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।