নেটে অডিও ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে সাদা স্ট্যাম্পে গৃহবধূর স্বাক্ষর নিল বখাটেরা
jugantor
নেটে অডিও ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে সাদা স্ট্যাম্পে গৃহবধূর স্বাক্ষর নিল বখাটেরা

  সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি  

০৮ আগস্ট ২০২০, ০১:৪০:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর সোনাগাজীতে ইন্টারনেটে অডিও রেকর্ডিং ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে গৃহবধূকে আটকে রেখে তিনটি অলিখিত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে বখাটেরা। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আমিরাবা ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের আলমাস চৌকিদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও পুলিশ জানায়, দুই বছর পূর্বে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে সোনাপুর গ্রামের আলমাস চৌকিদার বাড়ির আবদুল সাত্তারের ছেলে বখাটে মহি উদ্দিনের সঙ্গে সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের চরশাহাপুর গ্রামের এক সিএনজি অটোরিকশা চালকের স্ত্রীর পরিচয় হয়। ওই অনুষ্ঠানে তার ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। তার সাথে কথোপকথনের অডিও রেকর্ডিং করে রাখে মহি উদ্দিন। এসব অডিও রেকর্ডিং ইন্টার নেটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে বিগত দেড় বছর যাবত বিভিন্ন সময় ওই নারীর কাছ থেকে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় মহি উদ্দিন।

স্বামীর সংসার টিকাতে ওই নারী বিভিন্ন লোকদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে তাকে টাকাগুলো প্রদান করেন। গত কয়েকদিন যাবত পুনরায় ৫০ হাজার টাকা দাবি করে মহি উদ্দিন। নিরুপায় হয়ে বিষয়টি তার স্বামীকে খুলে বলেন। পরে মহি উদ্দিনকে মামলা করার ভয় দেখান ওই গৃহবধূর স্বামী।

বৃহস্পতিবার ওই নারী তার পিতার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে ফেরার পথে আমতলী নামক স্থানে সিএনজি অটোরিকশা থেকে নামিয়ে টমটমে তুলে আলমাস চৌকিদার বাড়ির পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে যায় মহি উদ্দিন ও তার সহযোগী রাসেল। সেখানে তাকে আটকে রেখে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই নারীর পিতা নূর মোহাম্মদকে খবর দিয়ে ঘটনাস্থলে নিয়ে যান তারা। সেখানে নিয়ে ওই নারী ও তার পিতার কাছ থেকে ভবিষ্যতে কোনো মামলা করতে পারবে না মর্মে তিনটি অলিখিত স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেন মহি উদ্দিন ও রাসেল।

শুক্রবার সকালে স্ট্যাম্প ফেরতের বিনিময়ে তিনটি চেক দাবি করলে ওই নারী ও তার পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে যায়। স্থানীয় লোকজনদের জানিয়ে বিকালে ওই নারীর পিতা নূর মোহাম্মদ বাদী হয়ে মহি উদ্দিন ও তার সহযোগী একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে মো. রাসেলের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নেটে অডিও ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে সাদা স্ট্যাম্পে গৃহবধূর স্বাক্ষর নিল বখাটেরা

 সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি 
০৮ আগস্ট ২০২০, ০১:৪০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর সোনাগাজীতে ইন্টারনেটে অডিও রেকর্ডিং ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে গৃহবধূকে আটকে রেখে তিনটি অলিখিত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে বখাটেরা। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আমিরাবা ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের আলমাস চৌকিদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও পুলিশ জানায়, দুই বছর পূর্বে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে সোনাপুর গ্রামের আলমাস চৌকিদার বাড়ির আবদুল সাত্তারের ছেলে বখাটে মহি উদ্দিনের সঙ্গে সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের চরশাহাপুর গ্রামের এক সিএনজি অটোরিকশা চালকের স্ত্রীর পরিচয় হয়। ওই অনুষ্ঠানে তার ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। তার সাথে কথোপকথনের অডিও রেকর্ডিং করে রাখে মহি উদ্দিন। এসব অডিও রেকর্ডিং ইন্টার নেটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে বিগত দেড় বছর যাবত বিভিন্ন সময় ওই নারীর কাছ থেকে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় মহি উদ্দিন।

স্বামীর সংসার টিকাতে ওই নারী বিভিন্ন লোকদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে তাকে টাকাগুলো প্রদান করেন। গত কয়েকদিন যাবত পুনরায় ৫০ হাজার টাকা দাবি করে মহি উদ্দিন। নিরুপায় হয়ে বিষয়টি তার স্বামীকে খুলে বলেন। পরে মহি উদ্দিনকে মামলা করার ভয় দেখান ওই গৃহবধূর স্বামী।

বৃহস্পতিবার ওই নারী তার পিতার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে ফেরার পথে আমতলী নামক স্থানে সিএনজি অটোরিকশা থেকে নামিয়ে টমটমে তুলে আলমাস চৌকিদার বাড়ির পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে যায় মহি উদ্দিন ও তার সহযোগী রাসেল। সেখানে তাকে আটকে রেখে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই নারীর পিতা নূর মোহাম্মদকে খবর দিয়ে ঘটনাস্থলে নিয়ে যান তারা। সেখানে নিয়ে ওই নারী ও তার পিতার কাছ থেকে ভবিষ্যতে কোনো মামলা করতে পারবে না মর্মে তিনটি অলিখিত স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেন মহি উদ্দিন ও রাসেল।

শুক্রবার সকালে স্ট্যাম্প ফেরতের বিনিময়ে তিনটি চেক দাবি করলে ওই নারী ও তার পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে যায়। স্থানীয় লোকজনদের জানিয়ে বিকালে ওই নারীর পিতা নূর মোহাম্মদ বাদী হয়ে মহি উদ্দিন ও তার সহযোগী একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে মো. রাসেলের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন