সিলেটে গোপনে তারাপুর চা বাগান লিজের গুঞ্জন, শ্রমিকদের বিক্ষোভ
jugantor
সিলেটে গোপনে তারাপুর চা বাগান লিজের গুঞ্জন, শ্রমিকদের বিক্ষোভ

  সিলেট ব্যুরো  

০৮ আগস্ট ২০২০, ২০:০৭:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেট বহুল আলোচিত তারাপুর চা বাগানে শ্রমিকদের দখলে থাকা ভূমি গোপনে লিজ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বাগান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা।

বিষয়টির সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। শনিবার দিনভর চা বাগানের হাজিপুর এলাকায় কর্মসূচি পালন করেন শ্রমিকরা। 

তবে বাগানের সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্ত দাবি করছেন, জমি লিজ দেয়ার ক্ষমতা তার নেই। একটি পক্ষ শ্রমিকদের উস্কানি দিয়ে লিজের গুঞ্জন ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে।

বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি চৈতন্য মোদী বলেন, লিজের বিষয়টি গুঞ্জন, গুজব যাই হোক তা স্পষ্ট করা উচিত সেবায়েতকে। কিন্তু বার বার যোগাযোগ করলেও তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হচ্ছেন না। দেখা করতেও মানা। ফলে বিক্ষোভ, কর্মবিরতি ছাড়া কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের আর কোনো পথ আমাদের সামনে নেই।

তিনি আরও বলেন, এ ব্যাপারে স্পষ্ট ঘোষণা, সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বাগানের কাজ বন্ধ থাকবে।

শ্রমিকদের অভিযোগ, বাগানের সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্ত গোপনে চা শ্রমিকদের দখলে থাকা প্রায় ১০ শতক জায়গা অন্য একটি পক্ষের কাছে লিজ দিয়ে দেন। এই জায়গার মধ্যদিয়ে চা শ্রমিকদের যাতায়াতের একটি রাস্তাও রয়েছে। যারা লিজ নিয়েছেন তারা ঘর তুলতে শুরু করলে প্রতিবাদে শ্রমিকরা ওই জায়গায় বেড়া দেই। পরে লিজ গ্রহীতা দাবিদার দখলবাজরা বেড়া উপড়ে ফেলে।

তারাপুর বাগানের সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্ত বলেন, একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বাগানের জায়গা দখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে বিমান বন্দর থানায় বাগানের পক্ষ থেকে একটি জিডি করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ এখনও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় ৫ দিন ধরে বাগানে যেতে পারিনি। এই সুযোগে ঘর তোলার চেষ্টা করছে। চা বাগানের জমি লিজ দেয়ার ক্ষমতা আমার নেই।

তিনি বলেন, একটি পক্ষ শ্রমিকদের মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে। থানায় দায়ের করা জিডি তদন্ত করলেই লিজ দেয়া হয়েছে কিনা স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

চা বাগান কর্তৃপক্ষের অপর এক সূত্র জানায়, স্থানীয় ভূমিদস্যু রুবেল ও কামালের নেতৃত্বে প্রভাবশালী ও সন্ত্রাসী একটি পক্ষ জোরপূর্বক চা বাগানের ভূমি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিষয়টি ব্যাপারে বিমানবন্দর থানা অবগত।

বিমানবন্দর থানার ওসি শাহাদাৎ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় বাগানের সেবায়েত পঙ্কজ গুপ্ত একটি অভিযোগ দিয়েছেন, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

সিলেটে গোপনে তারাপুর চা বাগান লিজের গুঞ্জন, শ্রমিকদের বিক্ষোভ

 সিলেট ব্যুরো 
০৮ আগস্ট ২০২০, ০৮:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেট বহুল আলোচিত তারাপুর চা বাগানে শ্রমিকদের দখলে থাকা ভূমি গোপনে লিজ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বাগান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা।

বিষয়টির সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। শনিবার দিনভর চা বাগানের হাজিপুর এলাকায় কর্মসূচি পালন করেন শ্রমিকরা।

তবে বাগানের সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্ত দাবি করছেন, জমি লিজ দেয়ার ক্ষমতা তার নেই। একটি পক্ষ শ্রমিকদের উস্কানি দিয়ে লিজের গুঞ্জন ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে।

বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি চৈতন্য মোদী বলেন, লিজের বিষয়টি গুঞ্জন, গুজব যাই হোক তা স্পষ্ট করা উচিত সেবায়েতকে। কিন্তু বার বার যোগাযোগ করলেও তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হচ্ছেন না। দেখা করতেও মানা। ফলে বিক্ষোভ, কর্মবিরতি ছাড়া কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের আর কোনো পথ আমাদের সামনে নেই।

তিনি আরও বলেন, এ ব্যাপারে স্পষ্ট ঘোষণা, সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বাগানের কাজ বন্ধ থাকবে।

শ্রমিকদের অভিযোগ, বাগানের সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্ত গোপনে চা শ্রমিকদের দখলে থাকা প্রায় ১০ শতক জায়গা অন্য একটি পক্ষের কাছে লিজ দিয়ে দেন। এই জায়গার মধ্যদিয়ে চা শ্রমিকদের যাতায়াতের একটি রাস্তাও রয়েছে। যারা লিজ নিয়েছেন তারা ঘর তুলতে শুরু করলে প্রতিবাদে শ্রমিকরা ওই জায়গায় বেড়া দেই। পরে লিজ গ্রহীতা দাবিদার দখলবাজরা বেড়া উপড়ে ফেলে।

তারাপুর বাগানের সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্ত বলেন, একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বাগানের জায়গা দখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে বিমান বন্দর থানায় বাগানের পক্ষ থেকে একটি জিডি করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ এখনও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় ৫ দিন ধরে বাগানে যেতে পারিনি। এই সুযোগে ঘর তোলার চেষ্টা করছে। চা বাগানের জমি লিজ দেয়ার ক্ষমতা আমার নেই।

তিনি বলেন, একটি পক্ষ শ্রমিকদের মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে। থানায় দায়ের করা জিডি তদন্ত করলেই লিজ দেয়া হয়েছে কিনা স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

চা বাগান কর্তৃপক্ষের অপর এক সূত্র জানায়, স্থানীয় ভূমিদস্যু রুবেল ও কামালের নেতৃত্বে প্রভাবশালী ও সন্ত্রাসী একটি পক্ষ জোরপূর্বক চা বাগানের ভূমি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিষয়টি ব্যাপারে বিমানবন্দর থানা অবগত।

বিমানবন্দর থানার ওসি শাহাদাৎ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় বাগানের সেবায়েত পঙ্কজ গুপ্ত একটি অভিযোগ দিয়েছেন, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন