Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

৪০ বিঘা জমির ধান খেয়ে নিচ্ছে রাক্ষসী মাছ

Icon

কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২০, ০৭:৩১ পিএম

৪০ বিঘা জমির ধান খেয়ে নিচ্ছে রাক্ষসী মাছ

প্রায় ৪০ বিঘা জমির ধান রাক্ষসী মাছ দিয়ে তছরুপ করার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার আকুব্বর মেম্বারের ছেলে লিটন নামক মৎস্য ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। যুগান্তর

Advertisement

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর সদকী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের প্রায় ৪০ বিঘা জমির ধান রাক্ষসী মাছ দিয়ে তছরুপ করার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার আকুব্বর মেম্বারের ছেলে লিটন নামক মৎস্য ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। প্রায় ৩০ বছর যাবত এমন ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী আক্কাসের ছেলে রাশিদুল হোসেন, আদু শেখের ছেলে কেসমত আলী, সেকেনের ছেলে স্বপন এবং লিয়াকতের ছেলে আব্দুল হালিম জানান, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে মৎস্য ব্যবসায়ী লিটন গ্রাসকার্প জাতীয় রাক্ষসী মাছ দিয়ে প্রায় ৩০ বছর যাবত এভাবে ক্ষতি করে আসছে।

রামকৃষ্ণপুর বিলে লিটনসহ ৪/৫ জন মাছ চাষ করে এবং সেখানে তাদের বোরিং আছে কিন্তু উঁচু অঞ্চলের এ সীমানায় তাদের কোন জমি না থাকলেও শুধুমাত্র গায়ের জোরে এমন অনাচার করে থাকে। আব্দুল হালিম আরও বলেন, তার বোরিংয়ের আওতায় প্রায় ৪০ বিঘা জমিতে এ মৌসুমে ধান লাগানো হয়। এই ধান কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাসে কাটা হয় প্রতি বিঘায় প্রায় ২৫/৩০ মণ ধান পাওয়া যায়। কিন্তু লিটনের কারণে প্রতি বছর তারা লাখ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

এ বিষয়ে মৎস্য ব্যবসায়ী লিটন বলেন, আমার দ্বারা কারও কোনো ক্ষতি হচ্ছে না। ২/১ বিঘা জমির ধান মাছ খেয়েছে, আমার কাছে এলে ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেব। তবে এ ধরনের মাছ চাষ করেন কেন- এমন প্রশ্নের সদুত্তর তিনি দেননি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিবুল ইসলাম খান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই; তবে কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ও মৎস্য অফিসারদের মাধ্যমে  পরিদর্শন করিয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Advertisement

ধান মাছ

Advertisement

আরও পড়ুন

ভারতে পালানোর সময় আ.লীগ নেতা গ্রেফতার

ভারতে পালানোর সময় আ.লীগ নেতা গ্রেফতার

কাজে ফিরছেন পোশাকশ্রমিকরা, সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

কাজে ফিরছেন পোশাকশ্রমিকরা, সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত মেজর আখতারের ছেলে, ঢাকায় স্থানান্তর

ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত মেজর আখতারের ছেলে, ঢাকায় স্থানান্তর

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম