ছাতনপাড়া খালের ব্রিজ এখন মরণফাঁদ
jugantor
ছাতনপাড়া খালের ব্রিজ এখন মরণফাঁদ

  তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি  

১২ আগস্ট ২০২০, ১৪:৪৬:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

ছাতনপাড়া খালের ব্রিজ এখন মরণফাঁদ
ফাইল ছবি

বরগুনার তালতলী উপজেলা সদরের উত্তর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ছাতনপাড়া খালের ওপর নির্মিত ব্রিজটি এখন মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জানা গেছে, বরগুনা জেলা পরিষদের অর্থায়নে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তালতলী সরকারি কলেজসংলগ্ন ছাতনপাড়া খালের ওপর নির্মিত ভাসমান ব্রিজটি গত এক বছর ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। ব্রিজটি পারাপারে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়দের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

তালতলী সরকারি কলেজের পূর্বদিকের ছাতনপাড়া ও জাকিরতবক এলাকার হাজার হাজার লোকজন এই ভাঙা ব্রিজ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করে। পারাপারে ব্রিজটি ভেঙে যে কোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

অনেক দিন থেকেই ব্রিজের বেহাল দশা। এই বর্ষায় তা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দুর্ঘটনা এড়াতে অনেক সময় মোটরবাইক ও সাইকেল আরোহীরা বাধ্য হয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে।

ব্রিজের বর্তমান অবস্থায় ক্ষোভে স্থানীয় ঠংপারা গ্রামের বাসিন্দা সুমন তালুকদার বলেন, আমাদের দুর্গতির শেষ নেই। একদিকে রাস্তাটি দীর্ঘদিনেও পাকা হয়নি, অন্যদিকে ব্রিজের এই বেহাল দশায় এ এলাকার হাজার হাজার লোকজনের চলাচলে চরম দুর্ভোগ। তিনি দ্রুত ব্রিজটি নির্মাণ ও রাস্তা পাকাকরণের দাবি জানান।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী আহাম্মদ আলী বলেন, ওই ব্রিজটি জেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে। ব্রিজটিতে চলাচলের অনুপযোগী তা কেই জানাননি। খোঁজ নিয়ে ব্রিজ নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে।

ছাতনপাড়া খালের ব্রিজ এখন মরণফাঁদ

 তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি 
১২ আগস্ট ২০২০, ০২:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ছাতনপাড়া খালের ব্রিজ এখন মরণফাঁদ
ফাইল ছবি

বরগুনার তালতলী উপজেলা সদরের উত্তর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ছাতনপাড়া খালের ওপর নির্মিত ব্রিজটি এখন মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জানা গেছে, বরগুনা জেলা পরিষদের অর্থায়নে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তালতলী সরকারি কলেজসংলগ্ন ছাতনপাড়া খালের ওপর নির্মিত ভাসমান ব্রিজটি গত এক বছর ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। ব্রিজটি পারাপারে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়দের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

তালতলী সরকারি কলেজের পূর্বদিকের ছাতনপাড়া ও জাকিরতবক এলাকার হাজার হাজার লোকজন এই ভাঙা ব্রিজ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করে। পারাপারে ব্রিজটি ভেঙে যে কোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

অনেক দিন থেকেই ব্রিজের বেহাল দশা। এই বর্ষায় তা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দুর্ঘটনা এড়াতে অনেক সময় মোটরবাইক ও সাইকেল আরোহীরা বাধ্য হয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে।

ব্রিজের বর্তমান অবস্থায় ক্ষোভে স্থানীয় ঠংপারা গ্রামের বাসিন্দা সুমন তালুকদার বলেন, আমাদের দুর্গতির শেষ নেই। একদিকে রাস্তাটি দীর্ঘদিনেও পাকা হয়নি, অন্যদিকে ব্রিজের এই বেহাল দশায় এ এলাকার হাজার হাজার লোকজনের চলাচলে চরম দুর্ভোগ। তিনি দ্রুত ব্রিজটি নির্মাণ ও রাস্তা পাকাকরণের দাবি জানান।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী আহাম্মদ আলী বলেন, ওই ব্রিজটি জেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে। ব্রিজটিতে চলাচলের অনুপযোগী তা কেই জানাননি। খোঁজ নিয়ে ব্রিজ নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে।