নদীতে ‘নিখোঁজ’ সেই স্কুলছাত্রের মরদেহে আঘাতের চিহ্ন, ২ বন্ধুর নামে মামলা
jugantor
নদীতে ‘নিখোঁজ’ সেই স্কুলছাত্রের মরদেহে আঘাতের চিহ্ন, ২ বন্ধুর নামে মামলা

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

১৪ আগস্ট ২০২০, ১৪:১৫:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে দুই বন্ধুর সঙ্গে বংশী নদীতে গোসল করতে নেমে ‘নিখোঁজ’ স্কুলছাত্র মো. লিখন হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। 

শুক্রবার সকালে দ্বিতীয় বংশী সেতুর তলদেশ থেকে লাশটি উদ্ধার করেন ডুবুরিরা। 

পুলিশ জানিয়েছে, লাশের গায়ে, মুখমণ্ডল ও গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে থাকা লিখনের দুই বন্ধুকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। 

এদিকে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
 
লিখন ধামরাই পৌরশহরের রফিক রাজু ক্যাডেট একাডেমির ৯ম শ্রেণির ছাত্র ও ৫ নং ব্লকের ঘড়িদারপাড়া মহল্লার মো. আবুল হোসেনের ছেলে।  

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার  সকাল ৭টার দিকে লিখনের বরাতনগর মডেল টাউনের বন্ধু লিমন ও পাঠানটোলা মহল্লার বন্ধু লিটন একটি মোটরসাইকেল নিয়ে লিখনদের বাড়িতে আসে। এরপর তারা সদর ইউনিয়নের হাজিপুর এলাকায় নবনির্মিত দৃষ্টিনন্দন বংশী সেতুর তলদেশে গোসল করার কথা বলে বের হয়ে যায়। ওই সেতুর নীচে নদীতে গোসল করতে নামে ওই তিনবন্ধু।

লিখন সাঁতার না জানায় সে ডুব দেয়ার পর আর ওপরে উঠেনি নাকি তাকে ওই দুই বন্ধু হত্যা করে পানিতে ফেলে দিয়েছিল তা এখনও স্পষ্ট নয়।

তবে লাশের গায়ে আঘাতের চিহ্ন দেখে প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ; যদিও ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদেও এখনও মুখ খোলেনি লিখনের ওই দুই বন্ধু।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার ওসি (অপারেশন) মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ যুগান্তরকে বলেন, লিখনের মৃত্যু নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। লিখনের দুই বন্ধুকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় ওই দুজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। 

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর এ ব্যাপারে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। 

নদীতে ‘নিখোঁজ’ সেই স্কুলছাত্রের মরদেহে আঘাতের চিহ্ন, ২ বন্ধুর নামে মামলা

 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি 
১৪ আগস্ট ২০২০, ০২:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে দুই বন্ধুর সঙ্গে বংশী নদীতে গোসল করতে নেমে ‘নিখোঁজ’ স্কুলছাত্র মো. লিখন হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে দ্বিতীয় বংশী সেতুর তলদেশ থেকে লাশটি উদ্ধার করেন ডুবুরিরা।

পুলিশ জানিয়েছে, লাশের গায়ে, মুখমণ্ডল ও গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে থাকা লিখনের দুই বন্ধুকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে।

এদিকে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

লিখন ধামরাই পৌরশহরের রফিক রাজু ক্যাডেট একাডেমির ৯ম শ্রেণির ছাত্র ও ৫ নং ব্লকের ঘড়িদারপাড়া মহল্লার মো. আবুল হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে লিখনের বরাতনগর মডেল টাউনের বন্ধু লিমন ও পাঠানটোলা মহল্লার বন্ধু লিটন একটি মোটরসাইকেল নিয়ে লিখনদের বাড়িতে আসে। এরপর তারা সদর ইউনিয়নের হাজিপুর এলাকায় নবনির্মিত দৃষ্টিনন্দন বংশী সেতুর তলদেশে গোসল করার কথা বলে বের হয়ে যায়। ওই সেতুর নীচে নদীতে গোসল করতে নামে ওই তিনবন্ধু।

লিখন সাঁতার না জানায় সে ডুব দেয়ার পর আর ওপরে উঠেনি নাকি তাকে ওই দুই বন্ধু হত্যা করে পানিতে ফেলে দিয়েছিল তা এখনও স্পষ্ট নয়।

তবে লাশের গায়ে আঘাতের চিহ্ন দেখে প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ; যদিও ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদেও এখনও মুখ খোলেনি লিখনের ওই দুই বন্ধু।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার ওসি (অপারেশন) মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ যুগান্তরকে বলেন, লিখনের মৃত্যু নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। লিখনের দুই বন্ধুকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় ওই দুজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর এ ব্যাপারে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন