মাধবপুরে সুরমা চা বাগানে পতিত জমিতে উন্নত জাতের চারা রোপণ
jugantor
মাধবপুরে সুরমা চা বাগানে পতিত জমিতে উন্নত জাতের চারা রোপণ

  মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৭ আগস্ট ২০২০, ১১:৩৫:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ সুরমা চা বাগানে ১৬ একর পাহাড়ি উচু ভূমিকে চা চাষের আওতায় আনা হয়েছে। ইতিমধ্যে রোপণ করা হয়েছে ক্লোন জাতের উন্নত চারা। যুগযুগ ধরে এ ভূমি পতিত পড়েছিল।

সুরমা চা বাগানের ব্যবস্থাপক আবুল কাসেম জানান, এ বৃহৎ চা বাগানে শ্রমিক আছে প্রায় ২ হাজার ২০০ জন। চা চাষের বাইরেও বহু জায়গা পতিত পড়ে রয়েছে।

অথচ এসব জমি জায়গা চা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। তাই এ বছর ফয়েজাবাদ সেকশনের কাছে ১৬ একর জায়গায় নতুন চা বাগান করা হচ্ছে।

শুকনো মৌসুমে জমি প্রস্তুত করা হয়েছে। আর এখন বর্ষা মৌসুমে চা গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, বাগানের নিজস্ব নার্সারিতে তৈরি ক্লোন জাতের উন্নত চারা লাগানো হচ্ছে। এসব চা গাছ থেকে তিন বছরের মধ্যেই কচি চা পাতা সংগ্রহ করা যাবে। এসব চা গাছের জীবনকাল হবে অনেক বছর।

এ বছর করোনার মধ্যে চা বাগানে নানা সংকটে থাকলেও নতুন চা বাগান তৈরির কাজ বন্ধ করা হয়নি।

এদিকে লকডাউনে চা বাজারে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। কমে গেছে ভোক্তা। তাই চায়ের চাহিদাও কমে গেছে। আর চাহিদা কমে যাওয়ায় দামও কমে গেছে।

তাই চা বাগানের ঋণ ব্যাংক পরিশোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তার ওপর চোরাই পথে ভারতীয় চা পাতা দেশে ঢুকে চায়ের বাজার দখল করছে। তাই সরকার যদি চা শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সহজ শর্তে ঋণ না দেয়, তাহলে দুয়েক বছরের মধ্যে অনেক চা বাগান বন্ধ হয়ে যাবে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা।

মাধবপুরে সুরমা চা বাগানে পতিত জমিতে উন্নত জাতের চারা রোপণ

 মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৭ আগস্ট ২০২০, ১১:৩৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ সুরমা চা বাগানে ১৬ একর পাহাড়ি উচু ভূমিকে চা চাষের আওতায় আনা হয়েছে। ইতিমধ্যে রোপণ করা হয়েছে ক্লোন জাতের উন্নত চারা। যুগযুগ ধরে এ ভূমি পতিত পড়েছিল।

সুরমা চা বাগানের ব্যবস্থাপক আবুল কাসেম জানান, এ বৃহৎ চা বাগানে শ্রমিক আছে প্রায় ২ হাজার ২০০ জন। চা চাষের বাইরেও বহু জায়গা পতিত পড়ে রয়েছে।

অথচ এসব জমি জায়গা চা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। তাই এ বছর ফয়েজাবাদ সেকশনের কাছে ১৬ একর জায়গায় নতুন চা বাগান করা হচ্ছে।

শুকনো মৌসুমে জমি প্রস্তুত করা হয়েছে। আর এখন বর্ষা মৌসুমে চা গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, বাগানের নিজস্ব নার্সারিতে তৈরি ক্লোন জাতের উন্নত চারা লাগানো হচ্ছে। এসব চা গাছ থেকে তিন বছরের মধ্যেই কচি চা পাতা সংগ্রহ করা যাবে। এসব চা গাছের জীবনকাল হবে অনেক বছর।

এ বছর করোনার মধ্যে চা বাগানে নানা সংকটে থাকলেও নতুন চা বাগান তৈরির কাজ বন্ধ করা হয়নি।

এদিকে লকডাউনে চা বাজারে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। কমে গেছে ভোক্তা। তাই চায়ের চাহিদাও কমে গেছে। আর চাহিদা কমে যাওয়ায় দামও কমে গেছে।

তাই চা বাগানের ঋণ ব্যাংক পরিশোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তার ওপর চোরাই পথে ভারতীয় চা পাতা দেশে ঢুকে চায়ের বাজার দখল করছে। তাই সরকার যদি চা শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সহজ শর্তে ঋণ না দেয়, তাহলে দুয়েক বছরের মধ্যে অনেক চা বাগান বন্ধ হয়ে যাবে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন