গাজীপুরে জাপা নেত্রীর জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ
jugantor
গাজীপুরে জাপা নেত্রীর জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

  কালীগঞ্জ ও পূবাইল প্রতিনিধি  

১৮ আগস্ট ২০২০, ২২:৪৭:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুর মহানগর জাতীয় মহিলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগমের জমির জাল দলিল তৈরি করে জমি দখলের চেষ্টা ও পতিত টিনশেড ঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার ভোরে পূবাইল মেট্রো থানার ৪১নং ওয়ার্ড ভাদুন (নাগপাড়া) এলাকায় ঘর পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে আবদুল বাতেন খান, মাসুদ খান, তার ভগ্নিপতি ছাইদুর, মোমেন খান ও মানসুর খানের বিরুদ্ধে।

গাজীপুর মহানগর জাতীয় মহিলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বলেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি আমার ক্রয়কৃত জমিতে ঘর করতে গেলে বাতেন খানের ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনী আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে কয়েকজন শ্রমিকসহ আমি গুরুতর আহত হই। পরে বাড়ির লোকজন আমাকে উদ্ধার করে গাজীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা করান। ওই ঘটনায় জাপা নেত্রী বাদী হয়ে বাতেন, মাসুদ ও তার ভগ্নিপতি ছাইদুরের নাম উল্লেখ করে পূবাইল থানায় একটি জিডি করেছিলেন।

তিনি আরও জানান, ওই জিডির তিন দিন পর সন্ত্রাসীরা জমিতে থাকা দোচালা টিনের ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়।

জানা যায়, ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর টঙ্গীর মরকুন এলাকার বিষ্ণুনাথ ধর গুপ্তের স্ত্রী শ্রীমতি রিতা ধর গুপ্তের কাছ থেকে আ. কুদ্দুছ পাঠান, মো. খোকন খান ও মো. শামীম আলম নাগপাড়া মৌজার ১ একর ১২ শতাংশ জমি আমমোক্তারনামা দলিলমূলে মালিক হন। পরে তাদের কাছ থেকে ২০১৩ সালে ৪৬ শতাংশ জমি সাফ-কবলামূলে ক্রয় করেন জাপা নেত্রী মাহমুদা বেগম, মোসা. মাহমুদা জান্নাত, মো. তৌহিদ আহমেদ ও রুমানা পারভীন।

তাদের ক্রয়কৃত জমিতে বাড়িঘর নির্মাণ করতে গেলে আ. বাতেন খান গং জাল দলিল তৈরি করে বাধা দেয়। পরে মাহমুদা বেগম গাজীপুর আদালতে মামলা দায়ের করলে ২০২০ সালের ২৯ জানুয়ারি আদালতের বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ ৯০৯৮নং দলিলটি জাল দলিল হিসেবে বাতিল করেন।

আবদুল বাতেনের জামাতা ছাইদুর রহমান বলেন, টিনশেড ঘর অগ্নিসংযোগের বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না।

গাজীপুরে জাপা নেত্রীর জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

 কালীগঞ্জ ও পূবাইল প্রতিনিধি 
১৮ আগস্ট ২০২০, ১০:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুর মহানগর জাতীয় মহিলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগমের জমির জাল দলিল তৈরি করে জমি দখলের চেষ্টা ও পতিত টিনশেড ঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার ভোরে পূবাইল মেট্রো থানার ৪১নং ওয়ার্ড ভাদুন (নাগপাড়া) এলাকায় ঘর পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে আবদুল বাতেন খান, মাসুদ খান, তার ভগ্নিপতি ছাইদুর, মোমেন খান ও মানসুর খানের বিরুদ্ধে।

গাজীপুর মহানগর জাতীয় মহিলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বলেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি আমার ক্রয়কৃত জমিতে ঘর করতে গেলে বাতেন খানের ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনী আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে কয়েকজন শ্রমিকসহ আমি গুরুতর আহত হই। পরে বাড়ির লোকজন আমাকে উদ্ধার করে গাজীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা করান। ওই ঘটনায় জাপা নেত্রী বাদী হয়ে বাতেন, মাসুদ ও তার ভগ্নিপতি ছাইদুরের নাম উল্লেখ করে পূবাইল থানায় একটি জিডি করেছিলেন।

তিনি আরও জানান, ওই জিডির তিন দিন পর সন্ত্রাসীরা জমিতে থাকা দোচালা টিনের ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়।

জানা যায়, ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর টঙ্গীর মরকুন এলাকার বিষ্ণুনাথ ধর গুপ্তের স্ত্রী শ্রীমতি রিতা ধর গুপ্তের কাছ থেকে আ. কুদ্দুছ পাঠান, মো. খোকন খান ও মো. শামীম আলম নাগপাড়া মৌজার ১ একর ১২ শতাংশ জমি আমমোক্তারনামা দলিলমূলে মালিক হন। পরে তাদের কাছ থেকে ২০১৩ সালে ৪৬ শতাংশ জমি সাফ-কবলামূলে ক্রয় করেন জাপা নেত্রী মাহমুদা বেগম, মোসা. মাহমুদা জান্নাত, মো. তৌহিদ আহমেদ ও রুমানা পারভীন।

তাদের ক্রয়কৃত জমিতে বাড়িঘর নির্মাণ করতে গেলে আ. বাতেন খান গং জাল দলিল তৈরি করে বাধা দেয়। পরে মাহমুদা বেগম গাজীপুর আদালতে মামলা দায়ের করলে ২০২০ সালের ২৯ জানুয়ারি আদালতের বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ ৯০৯৮নং দলিলটি জাল দলিল হিসেবে বাতিল করেন।

আবদুল বাতেনের জামাতা ছাইদুর রহমান বলেন, টিনশেড ঘর অগ্নিসংযোগের বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন