কুড়িগ্রামে ভাঙনকবলিত পরিবার পেল নগদ অর্থ
jugantor
কুড়িগ্রামে ভাঙনকবলিত পরিবার পেল নগদ অর্থ

  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি  

২২ আগস্ট ২০২০, ১২:৫০:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামে ভাঙনকবলিত পরিবার পেল নগদ অর্থ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বন্দবের ইউনিয়ন ও চররাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী ১৫টি গ্রামে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ভাঙনকবলিতদের আগাম পূর্বাভাস প্রদান করা হয়েছে।

এ ছাড়া তাদের স্থানান্তরের জন্য ২১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছে।

জানা যায়, ভাঙনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে সিইজিআইএস (সেন্টার ফর ইনভাইরনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস) ও স্থানীয় বেসরকারি সংগঠন সলিডারিটির সঙ্গে এই দুই ইউনিয়নে বিপদ সংকেত সম্পর্কে সচেতন করতে লাল ও হলুদ পতাকা স্থাপন করে ভাঙনকবলিতদের ক্ষতি কমাতে শতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

এ ছাড়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে শনিবার সকালে রৌমারী উপজেলার বন্দবের ইউনিয়নে অবস্থিত খঞ্জনমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও খোদাইমারী সরকারি বিদ্যালয়সহ মোট চারটি স্কুলে বিদ্যুতের সরঞ্জামাদি ও গাইউওয়ালের কাজ উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সলিডারিটির নির্বাহী পরিচালক এসএম হারুন অর রশীদ লাল, প্রজেক্ট ম্যানেজার আলেয়া বেগম, কেয়ার বাংলাদেশের প্রজেক্ট অফিসার এমডি আবদুর রউফ, প্রজেক্ট অফিসার কিশোর কুমার রায়, খঞ্জনমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নুরুল হক, প্রধান শিক্ষক কাওছার পারভীন, কুড়িগ্রাম টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরামের আহ্বায়ক সাংবাদিক হুমায়ুন কবির সূর্য, রৌমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি সুজাউল ইসলাম সুজা, চররাজিবপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান প্রমুখ।

দাতা সংস্থা স্টার্ট ফান্ড বাংলাদেশের আর্থিক অনুদানে ও কেয়ার বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় দুটি ইউনিয়নে ৬ মাসের পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে নদীতীরবর্তী ৪৩০ জন ভাঙনকবলিতের প্রত্যেককে ৪ হাজার ৫০০ টাকা ও হাইজিন কিটস হিসেবে বালতি, মগ, ন্যাপকিন, সাবান, সার্জিক্যাল মাস্ক বিতরণ করা হয়।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভাঙনকবলিতরা আগাম পূর্বাভাসের মাধ্যমে বাড়িঘর সরানোর ফলে তারা ক্ষতি কমানোর সুযোগ পায়। এ ছাড়া বাড়িঘর স্থানান্তরের জন্য আগাম অর্থ পাওয়ায় খুশি উপকারভোগীরা।

রৌমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি সুজাউল ইসলাম সুজা জানান, ব্রহ্মপুত্র নদসহ অন্যান্য নদনদী তীরবর্তী গ্রামগুলোতে এ রকম প্রকল্প চালু হলে ভাঙনকবলিতদের ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। এ ছাড়া ক্ষতি কমানোর জন্য আর্থিক অনুদান দিলে তারা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারবে।

স্থানীয় বেসরকারি সংগঠন সলিডারিটি রিভার ব্যাংক ইরোশন প্রকল্পের মাধ্যমে দুটি উপজেলার ভাঙনকবলিত দুটি ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামে সরাসরি ৪৩০ জন উপকারভোগী, চারটি স্কুলসহ প্রায় ১৫ শতাধিক পরিবারকে আগাম পূর্বাভাস দিয়ে এই এলাকার মানুষকে ভাঙনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।

কুড়িগ্রামে ভাঙনকবলিত পরিবার পেল নগদ অর্থ

 কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 
২২ আগস্ট ২০২০, ১২:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কুড়িগ্রামে ভাঙনকবলিত পরিবার পেল নগদ অর্থ
ছবি: যুগান্তর

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বন্দবের ইউনিয়ন ও চররাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী ১৫টি গ্রামে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ভাঙনকবলিতদের আগাম পূর্বাভাস প্রদান করা হয়েছে।

এ ছাড়া তাদের স্থানান্তরের জন্য ২১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছে।

জানা যায়, ভাঙনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে সিইজিআইএস (সেন্টার ফর ইনভাইরনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস) ও স্থানীয় বেসরকারি সংগঠন সলিডারিটির সঙ্গে এই দুই ইউনিয়নে বিপদ সংকেত সম্পর্কে সচেতন করতে লাল ও হলুদ পতাকা স্থাপন করে ভাঙনকবলিতদের ক্ষতি কমাতে শতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

এ ছাড়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে শনিবার সকালে রৌমারী উপজেলার বন্দবের ইউনিয়নে অবস্থিত খঞ্জনমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও খোদাইমারী সরকারি বিদ্যালয়সহ মোট চারটি স্কুলে বিদ্যুতের সরঞ্জামাদি ও গাইউওয়ালের কাজ উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সলিডারিটির নির্বাহী পরিচালক এসএম হারুন অর রশীদ লাল, প্রজেক্ট ম্যানেজার আলেয়া বেগম, কেয়ার বাংলাদেশের প্রজেক্ট অফিসার এমডি আবদুর রউফ, প্রজেক্ট অফিসার কিশোর কুমার রায়, খঞ্জনমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নুরুল হক, প্রধান শিক্ষক কাওছার পারভীন, কুড়িগ্রাম টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরামের আহ্বায়ক সাংবাদিক হুমায়ুন কবির সূর্য, রৌমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি সুজাউল ইসলাম সুজা, চররাজিবপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান প্রমুখ।

দাতা সংস্থা স্টার্ট ফান্ড বাংলাদেশের আর্থিক অনুদানে ও কেয়ার বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় দুটি ইউনিয়নে ৬ মাসের পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে নদীতীরবর্তী ৪৩০ জন ভাঙনকবলিতের প্রত্যেককে ৪ হাজার ৫০০ টাকা ও হাইজিন কিটস হিসেবে বালতি, মগ, ন্যাপকিন, সাবান, সার্জিক্যাল মাস্ক বিতরণ করা হয়।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভাঙনকবলিতরা আগাম পূর্বাভাসের মাধ্যমে বাড়িঘর সরানোর ফলে তারা ক্ষতি কমানোর সুযোগ পায়। এ ছাড়া বাড়িঘর স্থানান্তরের জন্য আগাম অর্থ পাওয়ায় খুশি উপকারভোগীরা।

রৌমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি সুজাউল ইসলাম সুজা জানান, ব্রহ্মপুত্র নদসহ অন্যান্য নদনদী তীরবর্তী গ্রামগুলোতে এ রকম প্রকল্প চালু হলে ভাঙনকবলিতদের ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। এ ছাড়া ক্ষতি কমানোর জন্য আর্থিক অনুদান দিলে তারা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারবে।

স্থানীয় বেসরকারি সংগঠন সলিডারিটি রিভার ব্যাংক ইরোশন প্রকল্পের মাধ্যমে দুটি উপজেলার ভাঙনকবলিত দুটি ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামে সরাসরি ৪৩০ জন উপকারভোগী, চারটি স্কুলসহ প্রায় ১৫ শতাধিক পরিবারকে আগাম পূর্বাভাস দিয়ে এই এলাকার মানুষকে ভাঙনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন