প্রধান শিক্ষকের স্ত্রীর মর্যাদা পেতে শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ
jugantor
প্রধান শিক্ষকের স্ত্রীর মর্যাদা পেতে শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ

  রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি  

০১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:১৭:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের স্ত্রীর মর্যাদা পেতে চান আলিমা খাতুন নামে এক নারী। এ সময় তিনি তার ১৩ বছরের মেয়ে ও ১০ বছর বয়সী ছেলের স্বীকৃতিও দাবি করেন।

বিষয়টির সমাধান এবং স্ত্রী ও সন্তানদের স্বীকৃতি পেতে জেলা সদর শিক্ষা কর্মকর্তা, দুর্নীতি দমন কমিশন ও রায়পুর প্রেস ক্লাবে লিখিত অভিযোগ করেছেন আলিমা খাতুন।
অভিযোগকারী আলিমা খাতুন লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার উত্তর চরআবাবিল ইউপির চর আবাবিল গ্রামের আলী আহাম্মদের মেয়ে। অভিযুক্ত মো. শাহ আলম সদর উপজেলার জগন্নাতপুর গ্রামের রহিম ভুঁইয়ার বড় ছেলে এবং গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক।

রোববার অসহায় আলিমা খাতুন জানান, তার ভগ্নিপতির মাধ্যমে প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়া ও বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে ২০০৬ সালে আলিমাকে বিয়ে করেন শাহ আলম। কিন্তু শাহ আলম বিভিন্ন সমস্যার কথা বলে আলিমাকে তার বাবার বাড়িতে থাকতে বাধ্য করেন। কয়েক বছর পর জানতে পারেন শাহ আলমের প্রথম স্ত্রী বেঁচে আছেন ও তার চার সন্তান রয়েছে।

পরে আলিমা তার স্বামী শাহ আলমের বাড়িতে গিয়ে শ্বশুর-শাশুড়িসহ পরিবারের সবাইকে ঘটনাটি জানালে তারা কেউ বিষয়টির সমাধান না দিয়ে তাড়িয়ে দেন। পরে শাহ আলম অবস্থা বেগতিক দেখে আলিমা ও তার দুই সন্তানকে গত ৫-৬ বছর হায়দরগঞ্জ বাজারের পাশে একটি ভাড়া বাসায় রাখেন। মাসে ৩-৪ হাজার টাকা সংসার খরচ দিলেও গত দু'বছর কোনো খোঁজখবর না রাখায় মানুষের বাসায় কাজ করে সংসার ও মেয়ের লেখাপড়ার খরচ জোগাতে হচ্ছে।

আলিমা বলেন, এখন শাহ আলম আমার ফোন ধরে না। উল্টো বিভিন্ন লোকদের দিয়ে চুপ থাকতে ও শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেয়া অভিযোগ তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। আমি আপনাদের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মোবাইলে জানান, আমি ঢাকায় অবস্থান করছি। সংবাদ করার দরকার নাই। আমার সমস্যা আমিই সমাধান করব বলে ফোন কেটে দেন।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইলিয়াস আহমেদ বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের বিষয়টি পারিবারিক। তাই আমার করার কিছুই নেই।

প্রধান শিক্ষকের স্ত্রীর মর্যাদা পেতে শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ

 রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি 
০১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের স্ত্রীর মর্যাদা পেতে চান আলিমা খাতুন নামে এক নারী। এ সময় তিনি তার ১৩ বছরের মেয়ে ও ১০ বছর বয়সী ছেলের স্বীকৃতিও দাবি করেন।  

বিষয়টির সমাধান এবং স্ত্রী ও সন্তানদের স্বীকৃতি পেতে জেলা সদর শিক্ষা কর্মকর্তা, দুর্নীতি দমন কমিশন ও রায়পুর প্রেস ক্লাবে লিখিত অভিযোগ করেছেন আলিমা খাতুন।
অভিযোগকারী আলিমা খাতুন লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার উত্তর চরআবাবিল ইউপির চর আবাবিল গ্রামের আলী আহাম্মদের মেয়ে। অভিযুক্ত মো. শাহ আলম সদর উপজেলার জগন্নাতপুর গ্রামের রহিম ভুঁইয়ার বড় ছেলে এবং গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক।

রোববার অসহায় আলিমা খাতুন জানান, তার ভগ্নিপতির মাধ্যমে প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়া ও বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে ২০০৬ সালে আলিমাকে বিয়ে করেন শাহ আলম। কিন্তু শাহ আলম বিভিন্ন সমস্যার কথা বলে আলিমাকে তার বাবার বাড়িতে থাকতে বাধ্য করেন। কয়েক বছর পর জানতে পারেন শাহ আলমের প্রথম স্ত্রী বেঁচে আছেন ও তার চার সন্তান রয়েছে।

পরে আলিমা তার স্বামী শাহ আলমের বাড়িতে গিয়ে শ্বশুর-শাশুড়িসহ পরিবারের সবাইকে ঘটনাটি জানালে তারা কেউ বিষয়টির সমাধান না দিয়ে তাড়িয়ে দেন। পরে শাহ আলম  অবস্থা বেগতিক দেখে আলিমা ও তার দুই সন্তানকে গত ৫-৬ বছর হায়দরগঞ্জ বাজারের পাশে একটি ভাড়া বাসায় রাখেন। মাসে ৩-৪ হাজার টাকা সংসার খরচ দিলেও গত দু'বছর কোনো খোঁজখবর না রাখায় মানুষের বাসায় কাজ করে সংসার ও মেয়ের লেখাপড়ার খরচ জোগাতে হচ্ছে।

আলিমা বলেন, এখন শাহ আলম আমার ফোন ধরে না। উল্টো বিভিন্ন লোকদের দিয়ে চুপ থাকতে ও শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেয়া অভিযোগ তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। আমি আপনাদের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মোবাইলে জানান, আমি ঢাকায় অবস্থান করছি। সংবাদ করার দরকার নাই। আমার সমস্যা আমিই সমাধান করব বলে ফোন কেটে দেন।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইলিয়াস আহমেদ বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের বিষয়টি পারিবারিক। তাই আমার করার কিছুই নেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন