৫ এর আগে ১০ বসিয়ে চেক জালিয়াতি, কারাগারে ২ শিক্ষক 
jugantor
৫ এর আগে ১০ বসিয়ে চেক জালিয়াতি, কারাগারে ২ শিক্ষক 

  দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি  

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:৪১:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

৫ এর আগে ১০ বসিয়ে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে প্রতিবন্ধী বিশেষ শিক্ষা বিদ্যালয়ের চেক জালিয়াতির ঘটনায় দুই শিক্ষককে আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম এবং সহকারী শিক্ষক রজব আলীকে কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা যায়, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিস থেকে প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া এবং সাবেক সমাজসেবা কর্মকর্তা স্বর্ণা সাহার স্বাক্ষরিত সোনালী ব্যাংকের চেকে ভাতাভোগীর নাম ফাহমিদা জান্নাত তুবা নামে ৫ হাজার ৪০০ টাকার চেক ২৮ জুলাই স্বাক্ষর করে। প্রতিবন্ধী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলামের চেকের অপর পৃষ্ঠায় স্বাক্ষর রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের অপর শিক্ষক রজব আলীকে সোনালী ব্যাংক দেওয়ানগঞ্জ বাজার শাখা থেকে টাকা তোলার জন্য চেক দিয়ে পাঠান প্রধান শিক্ষক। চেকে ৫ হাজার ৪০০ টাকা লেখা ছিল। কিন্তু কথায় পাঁচ এর আগে এক লক্ষ এবং অঙ্কে লেখা ৫ এর আগে ১০ বসিয়ে ব্যাংকে টাকা তোলার জন্য চেক জমা দেন। চেকটি সন্দেহ হলে আটকে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে দুপুর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত থানায় মামলার বাদী করা নিয়ে ব্যাংক ম্যানেজার ও সমাজসেবা কর্মকর্তার মধ্যে রশি টানাটানি হয়। অবশেষে শুক্রবার সমাজসেবা কর্মকর্তা মিনহাজ উদ্দিন বাদী হয়ে দুই শিক্ষকের নামে মামলা দায়ের করেন।

আটককৃত দুই শিক্ষকের দাবি, সমাজসেবা কর্মকর্তার লেখা চেক তারা ব্যাংকে নিয়ে গিয়েছিলেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, প্রতিবন্ধী বিশেষ শিক্ষা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠানটিতে ভুয়া শিক্ষার্থী সাজিয়ে এর আগেও চেক তোলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ওসি এমএম ময়নুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে ব্যাংক ম্যানেজারকে সাক্ষী করে সমাজসেবা কর্মকর্তা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আটককৃত দুই শিক্ষককে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

৫ এর আগে ১০ বসিয়ে চেক জালিয়াতি, কারাগারে ২ শিক্ষক 

 দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি 
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

৫ এর আগে ১০ বসিয়ে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে প্রতিবন্ধী বিশেষ শিক্ষা বিদ্যালয়ের চেক জালিয়াতির ঘটনায় দুই শিক্ষককে আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম এবং সহকারী শিক্ষক রজব আলীকে কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা যায়, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিস থেকে প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া এবং সাবেক সমাজসেবা কর্মকর্তা স্বর্ণা সাহার স্বাক্ষরিত সোনালী ব্যাংকের চেকে ভাতাভোগীর নাম ফাহমিদা জান্নাত তুবা নামে ৫ হাজার ৪০০ টাকার চেক ২৮ জুলাই স্বাক্ষর করে। প্রতিবন্ধী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলামের চেকের অপর পৃষ্ঠায় স্বাক্ষর রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের অপর শিক্ষক রজব আলীকে সোনালী ব্যাংক দেওয়ানগঞ্জ বাজার শাখা থেকে টাকা তোলার জন্য চেক দিয়ে পাঠান প্রধান শিক্ষক। চেকে ৫ হাজার ৪০০ টাকা লেখা ছিল। কিন্তু কথায় পাঁচ এর আগে এক লক্ষ এবং অঙ্কে লেখা ৫ এর আগে ১০ বসিয়ে ব্যাংকে টাকা তোলার জন্য চেক জমা দেন। চেকটি সন্দেহ হলে আটকে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে দুপুর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত থানায় মামলার বাদী করা নিয়ে ব্যাংক ম্যানেজার ও সমাজসেবা কর্মকর্তার মধ্যে রশি টানাটানি হয়। অবশেষে শুক্রবার সমাজসেবা কর্মকর্তা মিনহাজ উদ্দিন বাদী হয়ে দুই শিক্ষকের নামে মামলা দায়ের করেন।

আটককৃত দুই শিক্ষকের দাবি, সমাজসেবা কর্মকর্তার লেখা চেক তারা ব্যাংকে নিয়ে গিয়েছিলেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, প্রতিবন্ধী বিশেষ শিক্ষা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠানটিতে ভুয়া শিক্ষার্থী সাজিয়ে এর আগেও চেক তোলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ওসি এমএম ময়নুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে ব্যাংক ম্যানেজারকে সাক্ষী করে সমাজসেবা কর্মকর্তা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আটককৃত দুই শিক্ষককে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন