কুড়িগ্রামে পানিবন্দী ৫০ হাজার মানুষ
jugantor
কুড়িগ্রামে পানিবন্দী ৫০ হাজার মানুষ

  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:৩৭:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রাম

ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের ধরলা ও তিস্তাসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ধরলা নদীর পানি শুক্রবার বিকালে বিপৎসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানিও বিপৎসীমার খুব কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শুক্রবার বিকাল ৪টায় কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি ও ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি। তিনি ধরলা, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন কবলিত এলাকা নৌ ও সড়ক পথে পরিদর্শন করেন।

দ্রুতগতিতে পানি বাড়ার ফলে পঞ্চম দফা বন্যায় কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট, ফুলবাড়ী ও উলিপুর উপজেলার শতাধিক চর নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ৫০ হাজার মানুষ। ডুবে গেছে গ্রামীণ সড়ক। নৌকা ও কলাগাছের ভেলা ছাড়া যাতায়াতের কোনো মাধ্যম নেই।

প্রায় ৫ হাজার হেক্টর আমন ও সবজি ক্ষেত তলিয়ে গেছে। ঘরবাড়িতে পানি ওঠায় অনেকেই গবাদী পশু নিয়ে বাঁধ ও রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছেন। দেখা দিয়েছে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। ধরলা অববাহিকার কয়েটি গ্রামে প্রবল স্রোতে ভেসে গেছে শতাধিক ঘর বাড়ি। পানি বাড়ার ফলে বিভিন্ন এলাকায় নদ-নদীর ভাঙন তীব্র রূপ নিয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়েছে বসতভিটা, স্কুল, রাস্তা ও বাঁধ।

কুড়িগ্রামে পানিবন্দী ৫০ হাজার মানুষ

 কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রাম

ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের ধরলা ও তিস্তাসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ধরলা নদীর পানি শুক্রবার বিকালে বিপৎসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানিও বিপৎসীমার খুব কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শুক্রবার বিকাল ৪টায় কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি ও ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি। তিনি ধরলা, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন কবলিত এলাকা নৌ ও সড়ক পথে পরিদর্শন করেন।

দ্রুতগতিতে পানি বাড়ার ফলে পঞ্চম দফা বন্যায় কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট, ফুলবাড়ী ও উলিপুর উপজেলার শতাধিক চর নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ৫০ হাজার মানুষ। ডুবে গেছে গ্রামীণ সড়ক। নৌকা ও কলাগাছের ভেলা ছাড়া যাতায়াতের কোনো মাধ্যম নেই।

প্রায় ৫ হাজার হেক্টর আমন ও সবজি ক্ষেত তলিয়ে গেছে। ঘরবাড়িতে পানি ওঠায় অনেকেই গবাদী পশু নিয়ে বাঁধ ও রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছেন। দেখা দিয়েছে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। ধরলা অববাহিকার কয়েটি গ্রামে প্রবল স্রোতে ভেসে গেছে শতাধিক ঘর বাড়ি। পানি বাড়ার ফলে বিভিন্ন এলাকায় নদ-নদীর ভাঙন তীব্র রূপ নিয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়েছে বসতভিটা, স্কুল, রাস্তা ও বাঁধ।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন