উচ্চতা জটিলতায় গোমা সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ
jugantor
উচ্চতা জটিলতায় গোমা সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ

  বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:৫৮:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের বাকেরগঞ্জের রাঙ্গামাটি নদীর ওপর গোমা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় স্বপ্নপূরণের দ্বারপ্রান্তে ছিল বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১০ ইউনিয়নবাসী।

৫৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই কিলোমিটার রাস্তাসহ ২৮৩ দশমিক ১৮৮ মিটার দীর্ঘ এ সেতুর দুই-তৃতীয়াংশ কাজ এরই মধ্যে শেষও হয়েছিল। কিন্তু উচ্চতা জটিলতায় বন্ধ হয়ে গেছে সেতুর নির্মাণ কাজ।

স্থানীয়রা জানায়, সেতুটি নির্মাণ হলে এই রুটে চলাচলকারী স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়সহ স্বাস্থ্য সেবা পেতে দুর্ভোগ লাঘব হবে।

তবে তারা এটাও স্বীকার করেন, অপরিকল্পিত সেতু নির্মাণে উচ্চতা কম হলে নদী পথে নতুন করে সৃষ্টি হবে আরেক জটিলতা। সড়ক যোগাযোগের পাশাপাশি নদী পথেও রয়েছে সমান গুরুত্ব।

সওজ বরিশালের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ খান বলেন, বিআইডব্লিউটিএর আপত্তি অগ্রহণযোগ্য বিবেচিত হওয়ায় সিদ্ধান্ত হয় পুনরায় সেতু নির্মাণ শুরুর। এরপর থেকেই আবার কাজ শুরু করি আমরা। তাছাড়া ২০২১ সালের জুন মাসের মধ্যে এই সেতুর নির্মাণ সম্পন্ন করার ডেটলাইন রয়েছে।

তবে বিআইডব্লিউটিএর নৌপথ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের দক্ষিণ অঞ্চলের যুগ্ম পরিচালক এসএম আজগর আলী জানান, নৌপথটি সচল রাখতে গোমা সেতুর উচ্চতা ১২ দশমিক ২০ মিটার করার প্রস্তাব দিয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। এভাবে সেতু নির্মাণ করা হলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি বন্ধ হয়ে যাবে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. মাহফুজ খানা জানান, বিআইডব্লিউটিএ এবং সওজের মধ্যে সমঝোতা না হওয়ায় সরকারের উন্নয়নে থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দক্ষিণের কয়েক লাখ মানুষ। এছাড়াও সেতু নির্মাণ কাজ শুরু করার এত বছর পর উচ্চতা নিয়ে প্রশ্ন কেন। তারপরও আশা করি বিআইডব্লিউটিএ এবং সওজের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি মাথায় রেখে দ্রুত ব্যবস্থা নিবে।

জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান বলেন, পুরনো নকশা অনুযায়ী গোমা সেতু নির্মাণ কাজ চলছিল। ফলে নৌপথ বন্ধের উপক্রম হয়েছে। তাই কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

উচ্চতা জটিলতায় গোমা সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ

 বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৫৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের বাকেরগঞ্জের রাঙ্গামাটি নদীর ওপর গোমা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় স্বপ্নপূরণের দ্বারপ্রান্তে ছিল বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১০ ইউনিয়নবাসী। 

৫৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই কিলোমিটার রাস্তাসহ ২৮৩ দশমিক ১৮৮ মিটার দীর্ঘ এ সেতুর দুই-তৃতীয়াংশ কাজ এরই মধ্যে শেষও হয়েছিল। কিন্তু উচ্চতা জটিলতায় বন্ধ হয়ে গেছে সেতুর নির্মাণ কাজ।

স্থানীয়রা জানায়, সেতুটি নির্মাণ হলে এই রুটে চলাচলকারী স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়সহ স্বাস্থ্য সেবা পেতে দুর্ভোগ লাঘব হবে। 

তবে তারা এটাও স্বীকার করেন, অপরিকল্পিত সেতু নির্মাণে উচ্চতা কম হলে নদী পথে নতুন করে সৃষ্টি হবে আরেক জটিলতা। সড়ক যোগাযোগের পাশাপাশি নদী পথেও রয়েছে সমান গুরুত্ব। 

সওজ বরিশালের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ খান বলেন, বিআইডব্লিউটিএর আপত্তি অগ্রহণযোগ্য বিবেচিত হওয়ায় সিদ্ধান্ত হয় পুনরায় সেতু নির্মাণ শুরুর। এরপর থেকেই আবার কাজ শুরু করি আমরা। তাছাড়া ২০২১ সালের জুন মাসের মধ্যে এই সেতুর নির্মাণ সম্পন্ন করার ডেটলাইন রয়েছে।

তবে বিআইডব্লিউটিএর নৌপথ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের দক্ষিণ অঞ্চলের যুগ্ম পরিচালক এসএম আজগর আলী জানান, নৌপথটি সচল রাখতে গোমা সেতুর উচ্চতা ১২ দশমিক ২০ মিটার করার প্রস্তাব দিয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। এভাবে সেতু নির্মাণ করা হলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি বন্ধ হয়ে যাবে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. মাহফুজ খানা জানান, বিআইডব্লিউটিএ এবং সওজের মধ্যে সমঝোতা না হওয়ায় সরকারের উন্নয়নে থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দক্ষিণের কয়েক লাখ মানুষ। এছাড়াও সেতু নির্মাণ কাজ শুরু করার এত বছর পর উচ্চতা নিয়ে প্রশ্ন কেন। তারপরও আশা করি বিআইডব্লিউটিএ এবং সওজের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি মাথায় রেখে দ্রুত ব্যবস্থা নিবে।

জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান বলেন, পুরনো নকশা অনুযায়ী গোমা সেতু নির্মাণ কাজ চলছিল। ফলে নৌপথ বন্ধের উপক্রম হয়েছে। তাই কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন