ভাঙনের মুখে চর গোদাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
jugantor
ভাঙনের মুখে চর গোদাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  বগুড়া ব্যুরো  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৫২:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বগড়া

বগুড়ায় কয়েকদিনের অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সারিয়াকান্দিতে যমুনা ও বাঙালি নদীর পানি আবারো বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। একইসঙ্গে নদীতে প্রবল স্রোত ও ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হওয়ায় তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। শনিবার সকালে যমুনা নদীতে পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান জানান, বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা ঢলে সারিয়াকান্দিতে বাঙালি ও যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। শনিবার সকালে বাঙালি নদীর পানি বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। অপরদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি পাঁচ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

বাঙালি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নারচী ইউনিয়নের চরগোদাগাড়ী, গণকপাড়া, সদর ইউনিয়নের চর বরুরবাড়ী, পাইকপাড়া, কুতুবপুর ইউনিয়নের চর মাছিরপাড়া, ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের বাঁশহাটা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন ববলিত এলাকায় বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

চরগোদাগাড়ী এলাকায় নদী ভাঙনের কারণে চরগোদাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের মেঝের মাটি ধসে গিয়ে বিদ্যালয়টি হুমকির মুখে পড়েছে। নদী ভাঙন অব্যাহত থাকলে যে কোনো মুহূর্তে ভবনটি নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষব মাহফুজার রহমান বলেন, এ বছর নদী ভাঙন বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০০২ সালে ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভবনটি রক্ষা করতে না পারলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে। এলাকাবাসীরা ভাঙন রোধে জরুরিভিত্তিতে কাজ করে বিদ্যালয় ভবনটি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।

সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হালিম জানান, যমুনা ও বাঙালি নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে নতুন করে উপজেলার ৩শ’ হেক্টর জমির ফসল বন্যা কবলিত হয়েছে। দু’টি নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে সারিয়াকান্দি সদর, চালুয়াবাড়ী, কাজলা, বোহাইল, কর্ণিবাড়ী, হাটশেরপুর, চন্দনবাইশা, ইউনিয়নের ফসলি জমি, শাকসবজি, মাশকালাই, মরিচ, রোপা আমন বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

ভাঙনের মুখে চর গোদাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

 বগুড়া ব্যুরো 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বগড়া
নদী ভাঙনের কারণে চরগোদাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের মেঝের মাটি ধসে গিয়ে বিদ্যালয়টি হুমকির মুখে পড়েছে।

বগুড়ায় কয়েকদিনের অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সারিয়াকান্দিতে যমুনা ও বাঙালি নদীর পানি আবারো বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। একইসঙ্গে নদীতে প্রবল স্রোত ও ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হওয়ায় তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। শনিবার সকালে যমুনা নদীতে পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান জানান, বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা ঢলে সারিয়াকান্দিতে বাঙালি ও যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। শনিবার সকালে বাঙালি নদীর পানি বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। অপরদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি পাঁচ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

বাঙালি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নারচী ইউনিয়নের চরগোদাগাড়ী, গণকপাড়া, সদর ইউনিয়নের চর বরুরবাড়ী, পাইকপাড়া, কুতুবপুর ইউনিয়নের চর মাছিরপাড়া, ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের বাঁশহাটা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন ববলিত এলাকায় বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

চরগোদাগাড়ী এলাকায় নদী ভাঙনের কারণে চরগোদাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের মেঝের মাটি ধসে গিয়ে বিদ্যালয়টি হুমকির মুখে পড়েছে। নদী ভাঙন অব্যাহত থাকলে যে কোনো মুহূর্তে ভবনটি নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষব মাহফুজার রহমান বলেন, এ বছর নদী ভাঙন বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০০২ সালে ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভবনটি রক্ষা করতে না পারলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে। এলাকাবাসীরা ভাঙন রোধে জরুরিভিত্তিতে কাজ করে বিদ্যালয় ভবনটি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।

সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হালিম জানান, যমুনা ও বাঙালি নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে নতুন করে উপজেলার ৩শ’ হেক্টর জমির ফসল বন্যা কবলিত হয়েছে। দু’টি নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে সারিয়াকান্দি সদর, চালুয়াবাড়ী, কাজলা, বোহাইল, কর্ণিবাড়ী, হাটশেরপুর, চন্দনবাইশা, ইউনিয়নের ফসলি জমি, শাকসবজি, মাশকালাই, মরিচ, রোপা আমন বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন