মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়া কেনান ও আমজাদের প্রতীক্ষায় ফতুল্লাবাসী
jugantor
মসজিদে বিস্ফোরণ
মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়া কেনান ও আমজাদের প্রতীক্ষায় ফতুল্লাবাসী

  আলামিন প্রধান, ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ)  

০৪ অক্টোবর ২০২০, ২২:৩২:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকায় বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে কেনান ও আমজাদ নামে আরও দুজন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। তাদের মধ্যে কেনানের (২৪) শ্বাসনালীসহ শরীরের ৩০ শতাংশ পোড়া, আমজাদের (৩৭) শ্বাসনালীসহ শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তারা বর্তমানে আইসিইউতে আছেন। তাদের প্রতীক্ষায় প্রহর কাটাচ্ছেন স্বজনসহ এলাকাবাসী।

এ ঘটনায় দগ্ধ ৩৭ জনের মধ্যে আগে ৩৪ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে। আর একজন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাহিদা বারিক জানান, বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে কেনান ও আমজাদ নামে দুজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের বিষয়ে সবসময় খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। সমস্যা হচ্ছে দুজনেরই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। তারপরও চিকিৎসক বলেছেন তাদের দুজনকে গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গত ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পশ্চিমতল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ৫ লাখ করে টাকা সহায়তা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনও আর্থিক সহায়তা করেছে।

ইউএনও বলেন, হাসপাতালে উপস্থিত থেকে প্রতিটি পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়েছি। একই সঙ্গে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের কাফনের কাপড় দেয়াসহ নানাভাবে সহযোগিতা করেছি। এখনও যারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাদের স্বজনদের বলে আসছি যেকোনো প্রয়োজনে আমাকে ফোন করতে।

এলাকাবাসী বলছেন, সকাল হতেই এলাকার মুরব্বিরা মসজিদ বিস্ফোরণে আহতদের নিয়ে তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে সকাল হতেই আলোচনা শুরু হয় এলাকাবাসীর মধ্যে। সবাই প্রতীক্ষায় রয়েছেন মামুনের মতো বাকি দুজনও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসবেন। সেই প্রতীক্ষায় রয়েছেন এলাকাবাসী।

মসজিদে বিস্ফোরণ

মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়া কেনান ও আমজাদের প্রতীক্ষায় ফতুল্লাবাসী

 আলামিন প্রধান, ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) 
০৪ অক্টোবর ২০২০, ১০:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকায় বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে কেনান ও আমজাদ নামে আরও দুজন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। তাদের মধ্যে কেনানের (২৪) শ্বাসনালীসহ শরীরের ৩০ শতাংশ পোড়া, আমজাদের (৩৭) শ্বাসনালীসহ শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তারা বর্তমানে আইসিইউতে আছেন। তাদের প্রতীক্ষায় প্রহর কাটাচ্ছেন স্বজনসহ এলাকাবাসী।

এ ঘটনায় দগ্ধ ৩৭ জনের মধ্যে আগে ৩৪ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে। আর একজন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাহিদা বারিক জানান, বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে কেনান ও আমজাদ নামে দুজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের বিষয়ে সবসময় খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। সমস্যা হচ্ছে দুজনেরই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। তারপরও চিকিৎসক বলেছেন তাদের দুজনকে গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা দেয়া হচ্ছে।
  
তিনি আরও বলেন, গত ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পশ্চিমতল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ৫ লাখ করে টাকা সহায়তা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনও আর্থিক সহায়তা করেছে।

ইউএনও বলেন, হাসপাতালে উপস্থিত থেকে প্রতিটি পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়েছি। একই সঙ্গে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের কাফনের কাপড় দেয়াসহ নানাভাবে সহযোগিতা করেছি। এখনও যারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাদের স্বজনদের বলে আসছি যেকোনো প্রয়োজনে আমাকে ফোন করতে।

এলাকাবাসী বলছেন, সকাল হতেই এলাকার মুরব্বিরা মসজিদ বিস্ফোরণে আহতদের নিয়ে তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে সকাল হতেই আলোচনা শুরু হয় এলাকাবাসীর মধ্যে। সবাই প্রতীক্ষায় রয়েছেন মামুনের মতো বাকি দুজনও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসবেন। সেই প্রতীক্ষায় রয়েছেন এলাকাবাসী।

 

ঘটনাপ্রবাহ : নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণ

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন