সেতুর ২ স্প্যান খুলে গিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ
jugantor
সেতুর ২ স্প্যান খুলে গিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

১০ এপ্রিল ২০২১, ২২:০১:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ে বড় সেতুর (কেলিয়া ব্রিজ) দুটি স্প্যান খুলে সরে যাওয়ায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) দুপুর ২টা থেকে সবধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দিয়ে ব্রিজটির স্প্যান দুটি যথাস্থানে বসানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে। ফলে মহাসড়কটির ওপর বিভিন্ন ধরনের হাজার হাজার যান ও পরিবহণ আটকা পড়ে উভয়পাশে বিশাল যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

অল্পের জন্য ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন পরিবহণ যাত্রীসাধারণ। যখন স্প্যান দুটি বিকট শব্দ করে মূল স্তম্ভ থেকে সরে যায় ওই সময় কয়েকটি পরিবহণ অল্পের জন্য নিচে পড়ে যায়নি। এ দৃশ্য পরিলক্ষিত হওয়ার পর ব্রিজটির দুইপাশ থেকে কোনো যান ও পরিবহণ ব্রিজটির উপর আসেনি।

পরিবহণ যাত্রী ও চালকরা জানান,রাতের বেলা এ ঘটনা ঘটলে ব্যাপক প্রাণহানি থেকে আমরা রেহাই পেতাম না। আল্লাহ যা করেন তা মঙ্গলের জন্যই করেন।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ের কচমচ বাংলাদেশ বেতারের (ক) সম্প্রচার কেন্দ্র সংলগ্ন কেলিয়া বড় ব্রিজের দুটি স্প্যান মূল স্তম্ভ (গার্ডার) থেকে সরে গেছে। ফলে মহাসড়টি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কিছু কিছু যান ও পরিবহণ কালামপুর-ধামরাই পৌর শহর, ইসলামপুর, ডুলিভিটা-কাওয়ালীপাড়া-সাটুরিয়া, সুতিপাড়া, কুঠমঠভ ও ডুলিভিটা-সাভার হয়ে বিকল্প পথে চলাচল করছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ধামরাই উপবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. অভি হাসান বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে মহাসড়কের কেলিয়া ব্রিজে বিকট শব্দ হয়ে দুটি স্প্যান মূল স্তম্ভ থেকে সরে গেছে। ছোট ও মাঝারি ধরনের যান ও পরিবহণ চলাচলে বিকট শব্দ ও উঁচু-নিচু হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে জনবল নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই।

এরপর সমস্যা চিহ্নিত করি। সঠিক স্থানে স্প্যান বসানোর কাজ শুরু করার আগে ধামরাইয়ের ডুলিভিটা পশ্চিম ও জয়পুরা এলাকার পূর্বপাশে ব্যারিকেড তৈরি করে মহাসড়কটি বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। খুব দ্রুতই ব্রিজটির দুটি স্প্যান যথাস্থানে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হবে। কাজটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প পথেই যানবাহন চালাতে হবে।

১৯৯৫ সালের দিকে ডেনমার্কের আর্থিক সহায়তায় ও কুরিয়ানদের কারিগরিতে একবার ব্রিজটি সংস্কার হয়েছিল। এরপর ব্রিজটি আর সংস্কার হয়নি। এ অবস্থায় মূল স্তম্ভ থেকে দুটি স্প্যান সরে গেলে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়।

সেতুর ২ স্প্যান খুলে গিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ

 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি 
১০ এপ্রিল ২০২১, ১০:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ে বড় সেতুর (কেলিয়া ব্রিজ) দুটি স্প্যান খুলে সরে যাওয়ায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) দুপুর ২টা থেকে সবধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দিয়ে ব্রিজটির স্প্যান দুটি যথাস্থানে বসানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে। ফলে মহাসড়কটির ওপর বিভিন্ন ধরনের হাজার হাজার যান ও পরিবহণ আটকা পড়ে উভয়পাশে বিশাল যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

অল্পের জন্য ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন পরিবহণ যাত্রীসাধারণ। যখন স্প্যান দুটি বিকট শব্দ করে মূল স্তম্ভ থেকে সরে যায় ওই সময় কয়েকটি পরিবহণ অল্পের জন্য নিচে পড়ে যায়নি। এ দৃশ্য পরিলক্ষিত হওয়ার পর ব্রিজটির দুইপাশ থেকে কোনো যান ও পরিবহণ ব্রিজটির উপর আসেনি।

পরিবহণ যাত্রী ও চালকরা জানান,রাতের বেলা এ ঘটনা ঘটলে ব্যাপক প্রাণহানি থেকে আমরা রেহাই পেতাম না। আল্লাহ যা করেন তা মঙ্গলের জন্যই করেন।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ের কচমচ বাংলাদেশ বেতারের (ক) সম্প্রচার কেন্দ্র সংলগ্ন কেলিয়া বড় ব্রিজের দুটি স্প্যান মূল স্তম্ভ (গার্ডার) থেকে সরে গেছে। ফলে মহাসড়টি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কিছু কিছু যান ও পরিবহণ কালামপুর-ধামরাই পৌর শহর, ইসলামপুর, ডুলিভিটা-কাওয়ালীপাড়া-সাটুরিয়া, সুতিপাড়া, কুঠমঠভ ও ডুলিভিটা-সাভার হয়ে বিকল্প পথে চলাচল করছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ধামরাই উপবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. অভি হাসান বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে মহাসড়কের কেলিয়া ব্রিজে বিকট শব্দ হয়ে দুটি স্প্যান মূল স্তম্ভ থেকে সরে গেছে। ছোট ও মাঝারি ধরনের যান ও পরিবহণ চলাচলে বিকট শব্দ ও উঁচু-নিচু হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে জনবল নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই।

এরপর সমস্যা চিহ্নিত করি। সঠিক স্থানে স্প্যান বসানোর কাজ শুরু করার আগে ধামরাইয়ের ডুলিভিটা পশ্চিম ও জয়পুরা এলাকার পূর্বপাশে ব্যারিকেড তৈরি করে মহাসড়কটি বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। খুব দ্রুতই ব্রিজটির দুটি স্প্যান যথাস্থানে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হবে। কাজটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প পথেই যানবাহন চালাতে হবে।

১৯৯৫ সালের দিকে ডেনমার্কের আর্থিক সহায়তায় ও কুরিয়ানদের কারিগরিতে একবার ব্রিজটি সংস্কার হয়েছিল। এরপর ব্রিজটি আর সংস্কার হয়নি। এ অবস্থায় মূল স্তম্ভ থেকে দুটি স্প্যান সরে গেলে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন