বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ধর্ষণ, ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী
jugantor
বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ধর্ষণ, ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী

  তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি  

০৫ মে ২০২১, ২০:৫৯:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের তারাগঞ্জে প্রেমের পর বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে সপ্তম শ্রেণির (১৩) ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে ওই স্কুলছাত্রী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা মঙ্গলবার থানায় সুমন নামে এক যুবককে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সুমনকে (২০) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ইকরচালি ইউনিয়নের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তুলে ওই এলাকার অশ্বনী রায়ের ছেলে সুমন চন্দ্র। পরে প্রেমের সর্ম্পককে টিকিয়ে রাখতে সুমন ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে কয়েকবার ধর্ষণ করে।

ধর্ষণের ফলে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ছাত্রীর পরিবারের লোকজন ঘটনাটি টের পেয়ে সুমনকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সুমন ওই অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীকে বিয়ে করবে না জানিয়ে দিয়ে কুমিল্লায় পালিয়ে যায়। কোনো উপায় না পেয়ে ওই ছাত্রীর বাবা থানায় সুমনকে অভিযুক্ত করে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগ পেয়ে থানা পুলিশ সুমনকে ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। অবশেষে গত মঙ্গলবার বিকালে পুলিশ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেফতার করে রাতে থানায় নিয়ে আসে।

বুধবার সকালে সুমনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। তারাগঞ্জ থানার ওসি ফারুক আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ধর্ষণ, ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী

 তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 
০৫ মে ২০২১, ০৮:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের তারাগঞ্জে প্রেমের পর বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে সপ্তম শ্রেণির (১৩) ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে ওই স্কুলছাত্রী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। 

এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা মঙ্গলবার থানায় সুমন নামে এক যুবককে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সুমনকে (২০) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ইকরচালি ইউনিয়নের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তুলে ওই এলাকার অশ্বনী রায়ের ছেলে সুমন চন্দ্র। পরে প্রেমের সর্ম্পককে টিকিয়ে রাখতে সুমন ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে কয়েকবার ধর্ষণ করে। 

ধর্ষণের ফলে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ছাত্রীর পরিবারের লোকজন ঘটনাটি টের পেয়ে সুমনকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সুমন ওই অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীকে বিয়ে করবে না জানিয়ে দিয়ে কুমিল্লায় পালিয়ে যায়। কোনো উপায় না পেয়ে ওই ছাত্রীর বাবা থানায় সুমনকে অভিযুক্ত করে লিখিত অভিযোগ করেন। 

অভিযোগ পেয়ে থানা পুলিশ সুমনকে ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। অবশেষে গত মঙ্গলবার বিকালে পুলিশ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেফতার করে রাতে থানায় নিয়ে আসে। 

বুধবার সকালে সুমনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। তারাগঞ্জ থানার ওসি ফারুক আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন