বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ: আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার পর ৩ আসামি কারাগারে
jugantor
বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ: আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার পর ৩ আসামি কারাগারে

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি  

০৬ আগস্ট ২০২২, ২৩:১৪:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজা মিয়া ঈগল পরিবহণের বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ উভয় অপরাধে অংশ নেন। অপর দুই আসামি মো. আওয়াল ও নুরনবী শুধু লুণ্ঠনে অংশ নেন। তারা এ কথা স্বীকার করে শনিবার আদালতে জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দি শেষে তিন জনকেই রাত সাড়ে ৮টায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

গত মঙ্গলবার কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে ছেড়ে আসা ঈগল পরিবহণের একটি বাসে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে বাসটি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া নামক স্থানে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়।

এ ঘটনায় ওই বাসের যাত্রী হেকমত আলী বাদি হয়ে বুধবার মধুপুর থানায় ডাকাতি ও ধর্ষণের মামলা করেন।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাজা মিয়াকে (৩২) গত বৃহস্পতিবার ভোরে টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলাকার বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়, মো. আওয়াল (৩০) ও নুরনবীকে (২৬) শুক্রবার সকালে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থেকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। রাজা মিয়াকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে গোয়েন্দা পুলিশ। আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদকালে তিন আসামি বাস ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তারা ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার পুরো বিবরণ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের নাম প্রকাশ করেছেন। তারা আদালতে জবানবন্দি দিতেও সন্মত হয়। পরে তাদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার জন্য শনিবার বিকালে টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি উত্তর) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, জবানবন্দিতে আসামি তিন জনই ডাকাতি ও গণধর্ষনের ঘটনার পুরো বিবরণ দিয়েছেন। তাদের মধ্যে আসামি রাজা মিয়া ধর্ষণ এবং লুন্ঠন উভয় অপরাধে অংশ নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন। অপর দুইজন আওয়াল ও নুরনবী জবানবন্দিতে শুধু ডাকাতিতে অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানবীর আহম্মদ জানান, আসামি রাজা মিয়া ও নুরুনবী জবানবন্দি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামসুল আলম লিপিবদ্ধ করেন। মো. আওয়ালে জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুমি খাতুন। জবানবন্দি লিপিবদ্ধ শেষে তিনজনকেই টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ: আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার পর ৩ আসামি কারাগারে

 টাঙ্গাইল প্রতিনিধি 
০৬ আগস্ট ২০২২, ১১:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজা মিয়া ঈগল পরিবহণের বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ উভয় অপরাধে অংশ নেন। অপর দুই আসামি মো. আওয়াল ও নুরনবী শুধু লুণ্ঠনে অংশ নেন। তারা এ কথা স্বীকার করে শনিবার আদালতে জবানবন্দি দেন। 

জবানবন্দি শেষে তিন জনকেই রাত সাড়ে ৮টায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

গত মঙ্গলবার কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে ছেড়ে আসা ঈগল পরিবহণের একটি বাসে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে বাসটি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া নামক স্থানে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়।

এ ঘটনায় ওই বাসের যাত্রী হেকমত আলী বাদি হয়ে বুধবার মধুপুর থানায় ডাকাতি ও ধর্ষণের মামলা করেন।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাজা মিয়াকে (৩২) গত বৃহস্পতিবার ভোরে টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলাকার বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়, মো. আওয়াল (৩০) ও নুরনবীকে (২৬) শুক্রবার সকালে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থেকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। রাজা মিয়াকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে গোয়েন্দা পুলিশ। আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদকালে তিন আসামি বাস ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তারা ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার পুরো বিবরণ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের নাম প্রকাশ করেছেন। তারা আদালতে জবানবন্দি দিতেও সন্মত হয়। পরে তাদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার জন্য শনিবার বিকালে টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি উত্তর) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, জবানবন্দিতে আসামি তিন জনই ডাকাতি ও গণধর্ষনের ঘটনার পুরো বিবরণ দিয়েছেন। তাদের মধ্যে আসামি রাজা মিয়া ধর্ষণ এবং লুন্ঠন উভয় অপরাধে অংশ নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন। অপর দুইজন আওয়াল ও নুরনবী জবানবন্দিতে শুধু ডাকাতিতে অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানবীর আহম্মদ জানান, আসামি রাজা মিয়া ও নুরুনবী জবানবন্দি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামসুল আলম লিপিবদ্ধ করেন। মো. আওয়ালে জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুমি খাতুন। জবানবন্দি লিপিবদ্ধ শেষে তিনজনকেই টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন