গার্মেন্টস-টেক্সটাইলস বন্ধের আহ্বান বিজিএমইএ’র
Advertisement
যুগান্তর রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২০, ১০:১৩ পিএম
সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টেক্সটাইল মিল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমএ)।ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকার ঘোষিত ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত পোশাক কারখানা বন্ধ রাখতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমইএ।
অন্যদিকে কারখানা খোলা রাখতে চাইলে শ্রমিকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
বৃহস্পতিবার বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক এক বার্তায় কারখানা মালিকদের প্রতি এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতা এবং জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী আমাদের সবাইকে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সবার সুরক্ষার এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য কিছু সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সর্ববৃহৎ শিল্প হিসেবে আমাদের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা উচিত। এমতাবস্থায় কারখানা বন্ধ দেয়া বিবেচনা করবেন বলে আশা করি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুবানা হক বলেন, মার্চের বেতন মালিকরা দেবেন। এপ্রিলের বেতন প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রণোদনা তহবিল থেকে দেয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, মালিকরা কারখানা খোলা রাখতে চাইলে শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। বিজিএমইএ সংগঠন হিসেবে কারখানা খোলা বা রাখার নির্দেশ দিতে পারে না। তাই মালিকদের সরকার ঘোষিত ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কারখানা বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এদিকে সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টেক্সটাইল মিল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমএ)।
সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন যুগান্তরকে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে সংগঠনের জরুরি সভায় আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত টেক্সটাইল মিল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরপর শ্রমিকদের মজুরি-বেতন দেয়া হবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বিকেএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, গত বুধবার নিট মালিকদের কারখানা খোলা বা বন্ধ রাখার বিষয়ে সংগঠনের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হয়েছে। যারা কারখানা খোলা রাখতে চান, তাদের অবশ্যই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। কারখানা প্রাঙ্গণে পর্যাপ্ত পরিমাণ সাবান-পানি ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের মজুদ রাখতে হবে। আর যারা বন্ধ করতে চান, তাদের শ্রম আইনের বিধি বিধান মানতে হবে।
