ব্রিটেনের পরমাণু বোমার বোতাম এখন কার হাতে
jugantor
ব্রিটেনের পরমাণু বোমার বোতাম এখন কার হাতে

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৭ এপ্রিল ২০২০, ২২:৩২:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

রাব ও বরিস

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এখন হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় আইসিইউতে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তার সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোমিনিক রাব প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, দেশে জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার রক্ষাকবচ পরমাণু বোমার বোতাম এখন কার হাতে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন নাকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোমিনিক রাবের কাছে।

এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির সরকারের কাছেও প্রশ্ন রেখেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলো। কিন্তু রয়টার্স জানিয়েছে, এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে করোনা সংক্রমণে ভুগছেন বরিস। তবে হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে ঘরেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। রোববার হাসপাতালে ভর্তি হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সোমবার তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাবকে তার স্থলে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান বরিস।
মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ কার্যালয়ের মন্ত্রী মাইকেল গোভ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা অনুযায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাব দেশ পরিচালনা করছেন।’ এসময় ‘পরমাণু অস্ত্রের বোতাম ডোমিনিক রাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে কি না’ বিবিসির এমন প্রশ্নের জবাবে গোভ বলেন, ‘এ ব্যাপারে সুবিন্যস্ত নিয়মকানুন রয়েছে। আমি চাইলেই জাতীয় নিরাপত্তার মতো বিষয়ে কথা বলতে পারি না।’

লকডাউন প্রত্যাহার করা হবে কি হবে না, তা নিয়ে সোমবার পর্যালোচনা করার কথা ছিল। বরিসের অসুস্থতার কারণে এ সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করা হবে কি না, জানতে চাওয়া হলে গোভ বলেন, ‘না, এ সিদ্ধান্ত বিলম্বিত করা হবে না। মন্ত্রিসভায় সম্মিলিতভাবে এ সিদ্ধান্ত ঠিক করা হবে। আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাব।

বিশ্বের পরমাণু শক্তিধর ৮টি দেশের একটি ব্রিটেন। দেশটির পরমাণু ওয়ারহেড বসানো ট্রাইডেন্ট টু ডি৫ ব্যালিস্টিক মিসাইল সজ্জিত অন্তত পরমাণু সাবমেরিন রয়েছে। বর্তমানে তাদের পরমাণু অস্ত্রাগারে আছে ২১৫টি বোমা। এর মধ্যে ১২০টি বোমা যেকোনো সময় প্রস্তুত ও আঘাত হানতে পারে। পরমাণু বাটন প্রধানমন্ত্রীর কাছেই থাকে। যুদ্ধপরিস্থিতিতে তিনিই পরমাণু বোমা হামলার অনুমোদন দিতে পারেন।

ব্রিটেনের পরমাণু বোমার বোতাম এখন কার হাতে

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৭ এপ্রিল ২০২০, ১০:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রাব ও বরিস
রাব ও বরিস। ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এখন হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় আইসিইউতে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তার সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোমিনিক রাব প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, দেশে জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার রক্ষাকবচ পরমাণু বোমার বোতাম এখন কার হাতে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন নাকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোমিনিক রাবের কাছে। 

এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির সরকারের কাছেও প্রশ্ন রেখেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলো। কিন্তু রয়টার্স জানিয়েছে, এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে করোনা সংক্রমণে ভুগছেন বরিস। তবে হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে ঘরেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। রোববার হাসপাতালে ভর্তি হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সোমবার তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাবকে তার স্থলে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান বরিস। 
মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ কার্যালয়ের মন্ত্রী মাইকেল গোভ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা অনুযায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাব দেশ পরিচালনা করছেন।’ এসময় ‘পরমাণু অস্ত্রের বোতাম ডোমিনিক রাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে কি না’ বিবিসির এমন প্রশ্নের জবাবে গোভ বলেন, ‘এ ব্যাপারে সুবিন্যস্ত নিয়মকানুন রয়েছে। আমি চাইলেই জাতীয় নিরাপত্তার মতো বিষয়ে কথা বলতে পারি না।’

লকডাউন প্রত্যাহার করা হবে কি হবে না, তা নিয়ে সোমবার পর্যালোচনা করার কথা ছিল। বরিসের অসুস্থতার কারণে এ সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করা হবে কি না, জানতে চাওয়া হলে গোভ বলেন, ‘না, এ সিদ্ধান্ত বিলম্বিত করা হবে না। মন্ত্রিসভায় সম্মিলিতভাবে এ সিদ্ধান্ত ঠিক করা হবে। আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাব। 

বিশ্বের পরমাণু শক্তিধর ৮টি দেশের একটি ব্রিটেন। দেশটির পরমাণু ওয়ারহেড বসানো ট্রাইডেন্ট টু ডি৫ ব্যালিস্টিক মিসাইল সজ্জিত অন্তত পরমাণু সাবমেরিন রয়েছে। বর্তমানে তাদের পরমাণু অস্ত্রাগারে আছে ২১৫টি বোমা। এর মধ্যে ১২০টি বোমা যেকোনো সময় প্রস্তুত ও আঘাত হানতে পারে। পরমাণু বাটন প্রধানমন্ত্রীর কাছেই থাকে। যুদ্ধপরিস্থিতিতে তিনিই পরমাণু বোমা হামলার অনুমোদন দিতে পারেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস