ঢাকা থেকে গ্রামে ফিরেই মৃত্যু, গোপনে লাশ দাফন স্বজনদের
jugantor
ঢাকা থেকে গ্রামে ফিরেই মৃত্যু, গোপনে লাশ দাফন স্বজনদের

  জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১২ এপ্রিল ২০২০, ১২:২৬:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা থেকে গ্রামে ফিরেই মৃত্যু, গোপনে লাশ দাফন স্বজনদের
ফাইল ছবি

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় করোনার উপসর্গ নিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এর পরই গোপনে স্বজনরা মরদেহ দাফন করেছেন। 

এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় করোনা আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

শনিবার রাত ৮টার দিকে সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ কামলাবাজ গ্রামে তার মৃত্যু হয়। 
মৃত ব্যক্তির নাম মিয়া হোসেন (৫৫)। তিনি একই এলাকার মৃত সেদু মিয়ার ছেলে। তবে তিনি ঢাকার মিরপুরে থাকতেন।

জানা গেছে, মিরপুর করোনা এলাকা ঘোষিত হওয়ায় মিয়া হোসেন গত দুদিন আগে সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ কামলাবাজে নিজ গ্রামে  ফেরেন।  

এর পর শনিবার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা যান তিনি। মিয়া হোসেনের লিভার ক্যান্সারও ছিল। তবে মৃত্যুর ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই দাফন কাজ গোপনে সম্পন্ন করে তার পরিবার। 

এদিকে এ খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন ঘটনাস্থলে গেলে তাদের জানানো হয়, রোগী লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মইন উদ্দিন আলমগীর যুগান্তরকে জানান, আমরা খবর পেয়ে মৃত ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে তার কাগজপত্র দেখে খোঁজখবর নিয়েছি। 

তার মধ্যে করোনার কোনো উপসর্গ ছিল না। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার ক্যান্সারে ভুগছিলেন।

জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা পাল যুগান্তরকে জানান, খবর পাওয়ার পরই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংশ্লিষ্টদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ওই ব্যক্তির স্বজনরা রোগীর লিভার ক্যান্সারের কাগজপত্র দেখান। সেই রোগেই তিনি মারা গেছেন।

ঢাকা থেকে গ্রামে ফিরেই মৃত্যু, গোপনে লাশ দাফন স্বজনদের

 জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১২ এপ্রিল ২০২০, ১২:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ঢাকা থেকে গ্রামে ফিরেই মৃত্যু, গোপনে লাশ দাফন স্বজনদের
ফাইল ছবি

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় করোনার উপসর্গ নিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এর পরই গোপনে স্বজনরা মরদেহ দাফন করেছেন।

এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় করোনা আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

শনিবার রাত ৮টার দিকে সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ কামলাবাজ গ্রামে তার মৃত্যু হয়।
মৃত ব্যক্তির নাম মিয়া হোসেন (৫৫)। তিনি একই এলাকার মৃত সেদু মিয়ার ছেলে। তবে তিনি ঢাকার মিরপুরে থাকতেন।

জানা গেছে, মিরপুর করোনা এলাকা ঘোষিত হওয়ায় মিয়া হোসেন গত দুদিন আগে সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ কামলাবাজে নিজ গ্রামে ফেরেন।

এর পর শনিবার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা যান তিনি। মিয়া হোসেনের লিভার ক্যান্সারও ছিল। তবে মৃত্যুর ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই দাফন কাজ গোপনে সম্পন্ন করে তার পরিবার।

এদিকে এ খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন ঘটনাস্থলে গেলে তাদের জানানো হয়, রোগী লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মইন উদ্দিন আলমগীর যুগান্তরকে জানান, আমরা খবর পেয়ে মৃত ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে তার কাগজপত্র দেখে খোঁজখবর নিয়েছি।

তার মধ্যে করোনার কোনো উপসর্গ ছিল না। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার ক্যান্সারে ভুগছিলেন।

জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা পাল যুগান্তরকে জানান, খবর পাওয়ার পরই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংশ্লিষ্টদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ওই ব্যক্তির স্বজনরা রোগীর লিভার ক্যান্সারের কাগজপত্র দেখান। সেই রোগেই তিনি মারা গেছেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০