বাবা-মায়ের পাশে চিরঘুমে ‘গরিবের ডাক্তার’ মঈন
jugantor
বাবা-মায়ের পাশে চিরঘুমে ‘গরিবের ডাক্তার’ মঈন

  ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৬ এপ্রিল ২০২০, ১১:২০:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ডা. মঈন উদ্দীন

সুনামগঞ্জের ছাতকে নাদামপুর গ্রামে বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ‘গরিবের ডাক্তার’খ্যাত ডা. মঈন উদ্দীন। তিনি করোনাভাইরাসে দেশে প্রথম মৃত্যুবরণকারী চিকিৎসক।

কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিধিমালা অনুসরণ করে তার দাফন করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

তার জানাজার ইমামতি করেছেন পোস্টার মাস্টার ইসরাইল আহমদ। জানাজায় শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউএনও গোলাম কবির।

মঈনের ছোট বোনজামাই খসরুজ্জামান জানান, ঢাকার মরদেহ দাফনকারী প্রতিষ্ঠান আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের পক্ষ থেকে ডা. মঈন উদ্দীনকে গোসল দেয়া এবং তার মরদেহে কাফন পরানো হয়।

তার মরদেহ ঢাকায় দাফন করার সিদ্ধান্ত হলেও পরিবারের ইচ্ছায় গ্রামের বাড়িতে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে বুধবার ভোরে করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডা. মঈন উদ্দীন মারা যান। তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার মানুষ তার গ্রামের বাড়িতে এসে ভিড় করেন। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে নিয়ে অনেকেই শোক প্রকাশ করেছেন।

সিলেটের ছাতক উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের নাদামপুরের সন্তান ডা. মঈন এলাকায় ‘গরিবের ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

গত ৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় ডা. মঈন উদ্দীনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর পর অবস্থার অবনতি হলে ৭ এপ্রিল শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে নেয়া হয় তাকে।

সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন বুধবার মৃত্যুবরণ করেন মেডিসিন ও হার্ট স্পেশালিস্ট ডা. মঈন উদ্দীন।

এর পর বেলা ২টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ডা. মঈন উদ্দীনের কফিনবন্দি মরদেহ নিয়ে ঢাকা থেকে সিলেটে নেন তার স্বজনরা।

বাবা-মায়ের পাশে চিরঘুমে ‘গরিবের ডাক্তার’ মঈন

 ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৬ এপ্রিল ২০২০, ১১:২০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ডা. মঈন উদ্দীন
ফাইল ছবি

সুনামগঞ্জের ছাতকে নাদামপুর গ্রামে বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ‘গরিবের ডাক্তার’খ্যাত ডা. মঈন উদ্দীন। তিনি করোনাভাইরাসে দেশে প্রথম মৃত্যুবরণকারী চিকিৎসক।

কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিধিমালা অনুসরণ করে তার দাফন করেছে স্থানীয় প্রশাসন। 

তার জানাজার ইমামতি করেছেন পোস্টার মাস্টার ইসরাইল আহমদ। জানাজায় শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। 

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউএনও গোলাম কবির।

মঈনের ছোট বোনজামাই খসরুজ্জামান জানান, ঢাকার মরদেহ দাফনকারী প্রতিষ্ঠান আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের পক্ষ থেকে ডা. মঈন উদ্দীনকে গোসল দেয়া এবং তার মরদেহে কাফন পরানো হয়। 

তার মরদেহ ঢাকায় দাফন করার সিদ্ধান্ত হলেও পরিবারের ইচ্ছায় গ্রামের বাড়িতে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে বুধবার ভোরে করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডা. মঈন উদ্দীন মারা যান। তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার মানুষ তার গ্রামের বাড়িতে এসে ভিড় করেন। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে নিয়ে অনেকেই শোক প্রকাশ করেছেন।

সিলেটের ছাতক উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের নাদামপুরের সন্তান ডা. মঈন এলাকায় ‘গরিবের ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

গত ৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় ডা. মঈন উদ্দীনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর পর অবস্থার অবনতি হলে ৭ এপ্রিল শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে নেয়া হয় তাকে।

সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন বুধবার মৃত্যুবরণ করেন মেডিসিন ও হার্ট স্পেশালিস্ট ডা. মঈন উদ্দীন।

এর পর বেলা ২টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ডা. মঈন উদ্দীনের কফিনবন্দি মরদেহ নিয়ে ঢাকা থেকে সিলেটে নেন তার স্বজনরা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস