নাসিমের মৃত্যুতে যা বললেন তোফায়েল 
jugantor
নাসিমের মৃত্যুতে যা বললেন তোফায়েল 

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৩ জুন ২০২০, ১৭:২৬:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

তোফায়েল আহমেদ
তোফায়েল আহমেদ। ফাইল ছবি

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ। 

শনিবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সে (নাসিম) ছিল জাতীয় নেতা। তার একটা বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ছিল। সে সংগ্রামী নেতা ছিল। জেল-জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেও সংগঠনের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ছিল।’

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘১/১১-এর সময় তাকে গ্রেফতার করলে জেলের মধ্যে তার স্ট্রোক হয়। তারপরও শারীরিক ওই অবস্থা নিয়ে পরে সারা বাংলাদেশে সফর করে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করে। সে অনেক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিল। ১৪ দলের মুখপাত্র হিসেবে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছে। আমি সত্যিই খুব দুঃখিত, মর্মাহত ও বেদনাহত যে নাসিম এভাবে আমাদের ছেড়ে চলে গেল। আমি তার মাগফিরাত কামনা করি।’

তিনি আরও বলেন, ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে মোহাম্মদ নাসিম ছিলেন সামনের সারির নেতা। বহুবার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্মম হিংস্রতার ও অত্যাচার-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তিনি। ২০০৪-এর একুশে আগস্ট শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে হত্যার উদ্দেশে পরিচালিত নারকীয় গ্রেনেড হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি, কোনদিন অন্যায়ের কাছে নতি স্বীকার করেননি। 

মোহাম্মদ নাসিমকে বড় মাপের নেতা উল্লেখ করে তোফায়েল বলেন, প্রতিটি আন্দোলনে মূখ্য ভূমিকা পালন করেছেন নাসিম। দলের প্রয়োজনে নাসিমের অভাব পূরণ হওয়ার নয়। আওয়ামী লীগের পরীক্ষিতি নেতা ছিলেন তিনি। ছিলেন বিশ্বস্ত সহকর্মী।

নাসিমের মৃত্যুতে যা বললেন তোফায়েল 

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৩ জুন ২০২০, ০৫:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
তোফায়েল আহমেদ
তোফায়েল আহমেদ। ফাইল ছবি

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ।

শনিবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সে (নাসিম) ছিল জাতীয় নেতা। তার একটা বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ছিল। সে সংগ্রামী নেতা ছিল। জেল-জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেও সংগঠনের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ছিল।’

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘১/১১-এর সময় তাকে গ্রেফতার করলে জেলের মধ্যে তার স্ট্রোক হয়। তারপরও শারীরিক ওই অবস্থা নিয়ে পরে সারা বাংলাদেশে সফর করে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করে। সে অনেক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিল। ১৪ দলের মুখপাত্র হিসেবে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছে। আমি সত্যিই খুব দুঃখিত, মর্মাহত ও বেদনাহত যে নাসিম এভাবে আমাদের ছেড়ে চলে গেল। আমি তার মাগফিরাত কামনা করি।’

তিনি আরওবলেন, ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে মোহাম্মদ নাসিম ছিলেন সামনের সারির নেতা। বহুবার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্মম হিংস্রতার ও অত্যাচার-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তিনি। ২০০৪-এর একুশে আগস্ট শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে হত্যার উদ্দেশে পরিচালিত নারকীয় গ্রেনেড হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি, কোনদিন অন্যায়ের কাছে নতি স্বীকার করেননি।

মোহাম্মদ নাসিমকে বড় মাপের নেতা উল্লেখ করে তোফায়েল বলেন, প্রতিটি আন্দোলনে মূখ্য ভূমিকা পালন করেছেন নাসিম। দলের প্রয়োজনে নাসিমের অভাব পূরণ হওয়ার নয়। আওয়ামী লীগের পরীক্ষিতি নেতা ছিলেন তিনি। ছিলেন বিশ্বস্ত সহকর্মী।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০