ভারতফেরত ৩ শিক্ষার্থীর করোনা পজিটিভ
jugantor
ভারতফেরত ৩ শিক্ষার্থীর করোনা পজিটিভ

  লালমনিরহাট প্রতিনিধি  

১৭ মে ২০২১, ০০:২১:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ফেরত আসা বাংলাদেশি তিন শিক্ষার্থীর করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে।

রোববার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে করোনাভাইরাস শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

ওই চিকিৎসক বলেন, তাদের শরীরে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট করোনা ভাইরাস আছে কিনা? সেটি জানতে ওই তিন শিক্ষার্থীর নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। সেখানে পরীক্ষার পর জানা যাবে তাদের শরীরে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট করোনাভাইরাস আছে কি না।

পাটগ্রাম উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্রের জানা গেছে, ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন শেষে গত শনিবার ওই তিন শিক্ষার্থীসহ ভারতীয় থেকে ফেরত আসা ২৬ ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে ওই দিনই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। রোববার সন্ধ্যায় এদের মধ্যে তিনজনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়।

শিক্ষার্থীরা হলেন- মাধবদী জেলার নরসিংদীর উপজেলার গোবিন্দ চন্দ্র পালের ছেলে জয় চন্দ্র পাল (২০), ঢাকার সূত্রাপুর এলাকার সৈয়দ আসলাম শাহীনের ছেলে সৈয়দ মো. ইয়াছিন (১৬) ও ঢাকার কলাবাগান এলাকার আমীর হোসেনের ছেলে ফয়সাল হোসেন (১৭)।

এদের মধ্যে ফয়সাল হোসেন গত ২ মে এবং জয় চন্দ্র পাল ও ইয়াছিন গত ৩ মে তারিখে বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। প্রবেশ করার পর থেকে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে বুড়িমারী স্থলবন্দরের নিকট সামটাইমস আবাসিক হোটেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। সঙ্গে তাদের অভিভাবক ও বাবা-মা রয়েছে বলে জানা গেছে।

পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা ফোকাল পারসন চিকিৎসক কে এম তানজির আলম বলেন, করোনায় আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের শরীরে কোনো উপসর্গ নেই। এজন্য তিনজনই স্থলবন্দরের সামটাইমস আবাসিক হোটেলে আইসোলেশনে থাকবে। নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এর আগে প্রথম দফায় বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার কোয়ারেন্টিন থেকে ১২ ব্যক্তি ছাড়পত্র পেয়েছেন। রোববার আরও ২৩ ব্যক্তি ছাড়পত্র পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

ভারতফেরত ৩ শিক্ষার্থীর করোনা পজিটিভ

 লালমনিরহাট প্রতিনিধি 
১৭ মে ২০২১, ১২:২১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ফেরত আসা বাংলাদেশি তিন শিক্ষার্থীর করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে।

রোববার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে করোনাভাইরাস শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

ওই চিকিৎসক বলেন, তাদের শরীরে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট করোনা ভাইরাস আছে কিনা? সেটি জানতে ওই তিন শিক্ষার্থীর নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। সেখানে পরীক্ষার পর জানা যাবে তাদের শরীরে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট করোনাভাইরাস আছে কি না।

পাটগ্রাম উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্রের জানা গেছে, ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন শেষে গত শনিবার ওই তিন শিক্ষার্থীসহ ভারতীয় থেকে ফেরত আসা ২৬ ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে ওই দিনই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। রোববার সন্ধ্যায় এদের মধ্যে তিনজনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়।

শিক্ষার্থীরা হলেন- মাধবদী জেলার নরসিংদীর উপজেলার গোবিন্দ চন্দ্র পালের ছেলে জয় চন্দ্র পাল (২০), ঢাকার সূত্রাপুর এলাকার সৈয়দ আসলাম শাহীনের ছেলে সৈয়দ মো. ইয়াছিন (১৬) ও ঢাকার কলাবাগান এলাকার আমীর হোসেনের ছেলে ফয়সাল হোসেন (১৭)।

এদের মধ্যে ফয়সাল হোসেন গত ২ মে এবং জয় চন্দ্র পাল ও ইয়াছিন গত ৩ মে তারিখে বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। প্রবেশ করার পর থেকে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে বুড়িমারী স্থলবন্দরের নিকট সামটাইমস আবাসিক হোটেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। সঙ্গে তাদের অভিভাবক ও বাবা-মা রয়েছে বলে জানা গেছে।

পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা ফোকাল পারসন চিকিৎসক কে এম তানজির আলম বলেন, করোনায় আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের শরীরে কোনো উপসর্গ নেই। এজন্য তিনজনই স্থলবন্দরের সামটাইমস আবাসিক হোটেলে আইসোলেশনে থাকবে। নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এর আগে প্রথম দফায় বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার কোয়ারেন্টিন থেকে  ১২ ব্যক্তি ছাড়পত্র পেয়েছেন। রোববার আরও ২৩ ব্যক্তি ছাড়পত্র পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস