তালিকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বিশেষ বার্তা
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৪ পিএম
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দেশজুড়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের নেপথ্য গডফাদাররা দেশের বাইরে থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দেশের ভেতরেও রয়েছে তাদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র বলছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কিছু উচ্ছৃঙ্খল কর্মী সড়কে ঝটিকা মিছিল বের করে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়। তাদের মাধ্যমেই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের ইন্ধনদাতারা দেশের বাইরে থেকে উসকানি দিচ্ছে, অন্যদিকে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য অর্থও ব্যয় করছে। তাদেরই একটি অংশ দেশের ভেতরে সক্রিয় রয়েছে।
এদিকে একটি গোয়েন্দা সংস্থার সর্বশেষ রিপোর্টে দেশকে অস্থিতিশীল করার কাজে জড়িত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের শতাধিক নেতার নাম উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। তাদের কয়েকজনকে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য বিভিন্ন অঞ্চল ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। উত্তরা, যাত্রাবাড়ী, মিরপুর, গুলিস্তান, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, লালবাগ, তেজগাঁও, রমনা ও বাড্ডায় জোনভিত্তিক নাশকতামূলক কাজের জন্য টর্গেট করা হয়েছে। এসব জোনের সমন্বয়ের দায়িত্বে আছেন যুবলীগের মাইনুল হাসান খান নিখিল এবং মিরপুরের সাবেক সংসদ-সদস্য ইলিয়াস মোল্লা।
সূত্র জানায়, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাসে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল নিক্ষেপের জন্য মাঠপর্যায়ে অর্থ ও বিস্ফোরক সরবরাহকারীদের তালিকা এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। মাঠপর্যায়ে যারা আগুন দিচ্ছে বা ককটেল ফাটাচ্ছে, তাদের বেশির ভাগই কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য, যারা অল্পকিছু টাকার বিনিময়ে এসব করছে। আসল চক্রান্তকারী ও পরিকল্পনাকারীরা রয়েছেন পর্দার আড়ালে। নেপথ্যের নির্দেশদাতা ও অর্থদাতাদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে বিভিন্ন বাহিনী। ষড়যন্ত্রকারীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে মাঠ পর্যায়ে বিশেষ বার্তাও দেওয়া হয়েছে। নাশকতা রোধে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত গোয়েন্দা মোতায়েন করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, জনগণের জানমাল রক্ষায় তারা সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবেন।

