Logo
Logo
×
   

Advertisement

ডাক্তার আছেন

আপনার নবজাতক সন্তানের সংক্রমণ হলে কীভাবে বুঝবেন

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:০৯ পিএম

আপনার নবজাতক সন্তানের সংক্রমণ হলে কীভাবে বুঝবেন

ফাইল ছবি

Advertisement

আপনার শিশুসন্তান জন্মের পরের প্রথম কয়েক সপ্তাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নবজাতকের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তখনও বিকশিত হয়ে থাকে। তাই সদ্য শিশুসন্তানের ক্ষেত্রে বড় শিশুর তুলনায় সংক্রমণ অনেক দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। আর এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক লক্ষণগুলো সহজে বোঝা যায় না। সেপসিস ও নিউমোনিয়ার মতো গুরুতর অবস্থা নবজাতকের অসুস্থতার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কিন্তু বাবা-মায়েরা দ্রুত তা অনুধাবন করতে পারেন না। তারা যদি আগেভাগে লক্ষণগুলো বুঝতে পারেন, তাহলে চিকিৎসাব্যবস্থা সহজ হয়।

প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণ হচ্ছে— খাওয়া কিংবা আচরণে পরিবর্তন। যদি আপনার নবজাতক খুব বেশি ঘুমিয়ে থাকে, কয়েকবার দুধ খাওয়ার পর ক্লান্ত হয়ে পড়ে অথবা হঠাৎ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম খায়, তাহলে এটি অন্তর্নিহিত সংক্রমণের ইঙ্গিত দিতে পারে।

আপনার নবজাতকের সংক্রমণ বড় শিশুর সংক্রমণের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। জীবনের প্রথম ২৮ দিনে শিশুর মধ্যে উচ্চ জ্বর কিংবা তীব্র কাশির মতো সাধারণ লক্ষণ দেখা নাও যেতে পারে। তবে এর বদলে তাদের খাবার খাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং শরীরের তাপমাত্রায় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। এই পরিবর্তনগুলো অস্পষ্ট মনে হতে পারে, তবে এগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সংক্রমণের ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। 

আবার ক্রমাগত উচ্চ শব্দে কান্না, যা শান্ত করা যায় না তা আরেকটি উদ্বেগজনক লক্ষণ। নবজাতকের ক্ষেত্রে খেতে না চাওয়া বা আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন জ্বরের মতোই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। যে শিশু একটু আগে সক্রিয় ছিল, সে আজ হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে শান্ত, অস্থির অথবা কম প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে পড়ে। এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুতই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। 

আপনার শিশুর শরীরের তাপমাত্রা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। ৩৮ ডিগ্রি বা তার বেশি জ্বরকে গুরুত্বসহকারে নেওয়া উচিত। তবে ৩৬ ডিগ্রির নিচে কম তাপমাত্রাও একই রকম উদ্বেগজনক হতে পারে। সে জন্য শিশুর শরীরের তাপমাত্রা কম হলে তাকে স্পর্শে ঠান্ডা মনে হবে। বিশেষ করে হাত ও পায়ে। নবজাতকের উচ্চ ও নিম্ন উভয় তাপমাত্রারই দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন, এমনকি অন্য কোনো লক্ষণ না থাকলেও।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম