Logo
Logo
×

Advertisement

ডাক্তার আছেন

শর্করা ছেড়ে দেওয়ার পরও যে কারণে ডায়াবেটিস বাড়ে

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৮ পিএম

শর্করা ছেড়ে দেওয়ার পরও যে কারণে ডায়াবেটিস বাড়ে

ফাইল ছবি

Advertisement

ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পরে মিষ্টি, ভাজাভুজি ও ভাত-রুটি ছেড়েই দিয়েছেন বা প্রয়োজনের চেয়েও কম খান। বাইরের খাবার ছুঁয়েও দেখেন না। তা সত্ত্বেও সুগার কখনো বাড়ে, কখনো কমে। এর কারণ কী?

রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়তে পারে অনেক কারণে। শুধু যে খাওয়াদাওয়া দায়ী তা নয়। 

অনেকেই বলেন, ঠিকমতো ওষুধ খান বা ইনসুলিন ইঞ্জেকশনও নেন, তারপরেও সুগার ওঠানামা করে। এর কারণ অনেক কিছুই হতে পারে। দিনভর যিনি মানসিক চাপে ভোগেন, দুশ্চিন্তা করেন, তারও সুগার হতে পারে। আবার যিনি সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই কফি খান এবং তার পরে দীর্ঘ সময়ে খালি পেটে থাকেন, তারও হতে পারে। 

সুগার বাড়বে না কমবে, এর জন্য অনেকগুলি বিষয় দায়ী।  রাতে ভাত বা রুটি খেলেন না, পুষ্টিকর ও হালকা খাবার খেলেন। তারপরেও সকালে উঠে দেখলেন- রক্তে শর্করার মাত্রা যেন আকাশ ছুঁয়েছে। পরক্ষণেই তা নেমে গিয়েছে বিপজ্জনকভাবে। ওঠানামার এই হিসাব বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল। সেগুলি জেনে নিলে আর আতঙ্কে ভুগতে হবে না।

কম ঘুমোলেই ঝামেলা

সুগার বেড়ে যাওয়ার অন্যতম বড় কারণ অনিদ্রা।  বিশ্বময় এখন নিদ্রাহীনতা নিয়ে হইচই চলছে। ঘুম যেন ডানা মেলে উড়ে যাচ্ছে দুচোখ থেকে। এর জন্য ডিজিটাল আসক্তি, পেশাগত ক্ষেত্রের অনিয়মকে দায়ী করেছেন গবেষকেরা। কারণ যা-ই হোক না কেন, দিনে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমোলেই রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাবে। খাওয়াদাওয়ায় নিয়ম মেনেও লাভ হবে না। 

আসলে, ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন বাকি অনেকগুলি হরমোনের কার্যকারিতাকে নিয়ন্ত্রণ করে। এ হরমোনের ক্ষরণ কমে গেলে, তখন ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ে। ফলে রক্তে শর্করা ঠিকমতো শোষিত হয় না। তাই বাড়তেই থাকে। সুগার যদি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়, তা হলে টানা ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমোতেই হবে।

মনের চাপ

রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়ার আরও একটি কারণ। মানসিক চাপ কার নেই? তবে তা কত বেশি বা কম, এর ওপরে অনেক কিছুই নির্ভরশীল। দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ যদি সীমাহীন হয়ে পড়ে, তা হলে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসোলের বাড়বাড়ন্ত হয়। এ হরমোন ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। তখন রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে থাকে। অত্যধিক মানসিক চাপ সুগার বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকা

রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে যেমন মেপে খেতে হবে, তেমনই সময়ে সময়ে খাবার খাওয়াও জরুরি। চিকিৎসকেরা বলেন, দীর্ঘ সময়ে না খেয়ে থাকা বা উপবাস করে থাকলে, রক্তে শর্করার মাত্রা ভয়াবহ ভাবে বেড়ে যাবে। খালি পেটে লিভার অনেক বেশি করে গ্লুকোজের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেবে। কারণ গ্লুকোজ ভেঙেই শক্তি তৈরি হবে। তাই রক্তে শর্করার মাত্রাও বাড়তে থাকবে।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কেবল ভাত বাদ দেওয়া কেন যথেষ্ট নয়?

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কেবল ভাত বাদ দেওয়া কেন যথেষ্ট নয়?

যেভাবে জানবেন আপনার লিভারের সমস্যা কোথায়

যেভাবে জানবেন আপনার লিভারের সমস্যা কোথায়

ডায়াবেটিস লিভারের কতটা ক্ষতি করে, প্রতিরোধের উপায় কী?

ডায়াবেটিস লিভারের কতটা ক্ষতি করে, প্রতিরোধের উপায় কী?

ঢামেকে বিশ্ব স্পাইন দিবসের সেমিনার দেশে প্রতি ৫ জনে ৪ জন মেরুদণ্ডের ব্যথায় ভুগছে

দেশে প্রতি ৫ জনে ৪ জন মেরুদণ্ডের ব্যথায় ভুগছে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম