Logo
Logo
×
   

ডাক্তার আছেন

মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে যা জানা জরুরি

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৩ পিএম

মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে যা জানা জরুরি

ফাইল ছবি।

নারীদের মাসিক বা পিরিয়ডের সময়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ একটি সাধারণ সমস্যা হলেও অনেকেই এটিকে স্বাভাবিক ধরে নেন;  কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের রক্তপাত চলতে থাকলে তা দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করতে পারে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ অবহেলা করলে অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা হতে পারে। এতে দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি ও কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে এটি জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের নির্দিষ্ট কারণ সবসময় পাওয়া যায় না। তবে ফাইব্রয়েড, এন্ডোমেট্রিয়োসিস, এডেনোমায়োসিস, পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (PID), এন্ডোমেট্রিয়াল পলিপ, জরায়ুর ক্যান্সার ও পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) এর মতো রোগ এর জন্য দায়ী হতে পারে। এছাড়া থাইরয়েড সমস্যা, ডায়াবেটিস ও রক্ত জমাট বাঁধার রোগও এ সমস্যার কারণ হতে পারে।

কিছু ওষুধ ও জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিও মাসিকে ভারি রক্তক্ষরণ ঘটাতে পারে। যেমন, কপার টি- জরায়ুতে কপার টি প্রবেশ করানোর পরে প্রথম তিন থেকে ছয় মাস পিরিয়ডের সময়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে। 

রক্ত পাতলা করার ওষুধ- এ জাতীয় ওষুধের মধ্যে রয়েছে লো ডোজ অ্যাসপিরিন, ওয়ারফারিন, হেপারিন ও রিভারক্সাবান।

কেমোথেরাপি- কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত কিছু ওষুধ এবং জিনসেং (Ginseng), জিংগো (Ginkgo) ও সয়ার মতো কিছু হারবাল সাপ্লিমেন্ট।

চিকিৎসকদের মতে, মাসিক ৭ দিনের বেশি স্থায়ী হলে বা ৮০ মিলিলিটারের বেশি রক্তক্ষরণ হলে তা অতিরিক্ত ধরা হয়। ঘন ঘন প্যাড বদলানো, বড় রক্তের ক্লট যাওয়া বা রাতে কাপড় ভিজে যাওয়ার মতো লক্ষণ থাকলে সতর্ক হওয়া জরুরি।

এ ধরনের সমস্যা হলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষা, হরমোন পরীক্ষা ও আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে কারণ নির্ণয় করা হয়। চিকিৎসায় ওষুধ, হরমোন থেরাপি, জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বা অস্ত্রোপচার ব্যবহার করা হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা নিলে মাসিকজনিত অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এবং সুস্থ জীবনযাপন নিশ্চিত করা যায়।

সূত্র: স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পর্কিত ওয়েবসাইট ‘সহায়’

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .