Logo
Logo
×
   

ডাক্তার আছেন

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা, জেনে নিন ডায়েটে কোন খাবার রাখবেন

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ১০:৫৯ এএম

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা, জেনে নিন ডায়েটে কোন খাবার রাখবেন

গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তন ও জরায়ুর চাপের কারণে সৃষ্ট কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে খাদ্যতালিকায় ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার, টকদই ও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি রাখা উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হালকা ব্যায়াম ও পুষ্টিকর খাবার এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। 

কারণ গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ গ্রহণ ঠিক নয়; এতে মৃত্যুঝুঁকি থাকতে পারে। বিশেষ করে আপনার গর্ভের সন্তান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। গর্ভাবস্থায় একজন নারীর শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন আসে, যার মধ্যে অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম আর পরিপাকতন্ত্রের পরিবর্তনও রয়েছে। অন্তঃসত্ত্বাদের হরমোনজনিত পরিবর্তন ও প্রোজেস্টেরনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে পরিপাকের হার ধীর হয়ে যায়।

আধুনিক জীবনযাত্রায় অন্যতম বড় সমস্যা হলো প্রি-টার্ম ডেলিভারি বা নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রসব। যে সমস্যা কাটাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডায়েট। এ বিষয়ে চিকিৎসকরা বলেন, এ সমস্যার ঝুঁকি কমাতে পারে প্রোবায়োটিক। অর্থাৎ অন্তঃসত্ত্বাকালে ডায়েটে দই, ইয়োগার্ট বা প্রোবায়োটিক দুধের মতো খাবার রাখলে তা এ ধরনের ঝুঁকি কমাতে পারে। শুধু এ কারণেই নয়, অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ডায়েটে প্রোবায়োটিককে গুরুত্ব দেওয়ার আরও কারণ আছে।

অন্তঃসত্ত্বাদের ডায়েট নিয়ে ভীষণভাবে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পল্লবী ভসল বলেন, আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতিতে একটি কথা প্রচলিত রয়েছে— আপনি যা খান, তার ওপরই নির্ভর করে আপনার সন্তানের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা। আপনার গর্ভের শিশুর বিকাশের ওপর তার অনেকটাই প্রভাব পড়ে। এ ক্ষেত্রে হবু মায়ের শরীরে পুষ্টি উপাদান ভালোভাবে শোষিত হওয়ার জন্য পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখা জরুরি।

পল্লবী ভসল আরও বলেন, অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্যহীনতার ফলে শরীরে পুষ্টির শোষণ কমে যায়। ফলস্বরূপ অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টির ঘাটতি, অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি ও অন্তঃসত্ত্বাকালীন ডায়াবেটিস দেখা দেয়, যা ভ্রূণের বিকাশের ওপর প্রভাব ফেলে।

তিনি বলেন, পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে এবং অন্ত্রের ব্যাক্টেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রোবায়োটিক সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ঘোল, গেঁজানো বা ফারমেন্টেড খাবার, দই ও প্রোবায়োটিক সাপ্লিমেন্ট হলো প্রোবায়োটিকের সাধারণ উৎস। শরীরে পুষ্টি উপাদান ভালোভাবে শোষিত হলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, অন্তঃসত্ত্বাকালীন জটিলতার ঝুঁকি কমে এবং ভ্রূণের বৃদ্ধিও ভালো হয়। তবে প্রোবায়োটিক সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে হবে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের। 

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .