Logo
Logo
×
   

Advertisement

ডাক্তার আছেন

স্ক্যাবিসের লক্ষণগুলো কী? কীভাবে ছড়ায়, প্রতিরোধের উপায়

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:২০ পিএম

স্ক্যাবিসের লক্ষণগুলো কী? কীভাবে ছড়ায়, প্রতিরোধের উপায়

Advertisement

বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ প্রতিবছর স্ক্যাবিসের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। এটি হল চুলকানিযুক্ত ত্বকের অবস্থা যা সারকোপ্টেস স্ক্যাবিই, একটি ক্ষুদ্র বরোজিং মাইটের মাধ্যমে সৃষ্ট। স্ক্যাবিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা মাইটের গর্তের জায়গায় তীব্র চুলকানি অনুভব করেন। রাতে চুলকানির ইচ্ছা তীব্র হতে পারে। 

স্ক্যাবিস কীভাবে ছড়ায়

স্ক্যাবিস অত্যন্ত সংক্রামক সংক্রমণ এবং এটি খুব সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে। সাধারণত শারীরিক স্পর্শ, সংক্রমিত পোশাক বা বিছানা থেকে স্ক্যাবিস ছড়িয়ে পড়তে পারে। যেহেতু স্ক্যাবিস খুব সংক্রামক, স্ক্যাবিসে সংক্রামিত ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা মানুষেরও চিকিৎসা করানো উচিত। যদি ত্বকে অস্বাভাবিক চুলকানি অনুভূত হয় তাহলে অতি দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 

স্ক্যাবিসের লক্ষণগুলো কী

স্ক্যাবিসের সংস্পর্শে আসার ৪-৬ সপ্তাহ পর্যন্ত লক্ষণ প্রকাশ নাও পেতে পারে। যদি ত্বকে ছোট ছোট ফুসকুড়ি বা ফোসকা তৈরি হয় তাহলে সেটিও স্ক্যাবিসের লক্ষণ হতে পারে। 

* প্রথমে পোকামাকড়ের কামড়ের মতো ছোট ছোট লাল দাগ দেখা যায়।

* ফোড়াগুলো আঙ্গুলের ফাঁকে, কোমড়ের চারপাশে, পায়ের তলায়, স্তনের চারপাশে ও বগলের নিচে দেখা যায়।

* ত্বকে ঢেউ খেলানো রেখার মতো দেখা যায়।

* রাত হলে চুলকানি অনেক বেশি বেড়ে যায়।

স্ক্যাবিসের জটিলতা

* অতিরিক্ত চুলকানোর ফলে ত্বকে লাল দাগ তৈরি হয়।

* ইমপেটিগোর মতো একটি মাধ্যমিক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ ঘটতে পারে।

* ক্রাস্টেড স্ক্যাবিসসহ আরও কিছু স্ক্যাবিস আছে, যা বয়স্ক ব্যক্তিদের ওপর বেশি প্রভাব ফেলতে পারে।  

* সঠিক চিকিৎসা করা না হলে রক্তদূষণ, হৃদরোগ ও কিডনি সমস্যার মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। 

কাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ

* যৌন সক্রিয় প্রাপ্তবয়স্করা

* শিশু এবং তরুণ

* স্ক্যাবিস রোগীদের যত্ন নেওয়া স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা 

* যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল

স্ক্যাবিস চিকিৎসা

* পারমেথ্রিন ক্রিম সংক্রমিত স্থানে ৮-১৪ ঘণ্টা লাগিয়ে রাখতে হবে।

* যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এবং ক্রাস্টেড স্ক্যাবিস আছে তাদের Ivermectin খেতে হবে।

* ক্রেটামিন লোশন ব্যবহার করা যেতে পারে। 

তবে এসব জিনিস ব্যবহারের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

প্রতিরোধের উপায় 

* সংক্রমিত ব্যক্তির থেকে দূরে থাকুন। 

* পরনের কাপড়, বিছানা এবং তোয়ালে গরম পানি দিয়ে ধুতে হবে।

* যেসব জিনিস আপনি ধুতে পারবেন না সেগুলে কমপক্ষে ৭২ ঘণ্টা প্লাস্টিকের ব্যাগে সিল করে রাখবেন।

* নিয়মিত গোসল করবেন এবং কয়েকদিন পর পর বিছানার চাদর পরিবর্তন করুন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম