Logo
Logo
×
   

Advertisement

ডাক্তার আছেন

পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যান্সার কেন হয়? পরিত্রাণের উপায়

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩২ পিএম

পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যান্সার কেন হয়? পরিত্রাণের উপায়

Advertisement

সবচেয়ে জটিল ক্যান্সারগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রোস্টেট ক্যান্সার। পুরুষরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। পুরুষের প্রজনন ক্ষমতার গ্রন্থি প্রোস্টেটে ক্যান্সার ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি প্রোস্টেট গ্রন্থির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। পরবর্তীতে অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ে। 

প্রোস্টেট ক্যান্সারের ধরণ

প্রোস্টেট ক্যান্সার কয়েক ধরণের হয়। যেমন—

১. অ্যাসিনার অ্যাডেনোকার্সিনোমা: প্রোস্টেট গ্রন্থির ভেতরের আস্তরণের গ্রন্থিকোষগুলোতে বিকশিত হয়। প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত প্রায় সবার এই ধরণের ক্যান্সার থাকে;

২. ট্রানজিশনাল সেল বা ইউরোথেলিয়াল ক্যান্সার: এ ধরণের ক্যান্সার সাধারণত মূত্রাশয়ে শুরু হয়ে প্রোস্টেটে ছড়িয়ে পড়ে;

৩. স্কোয়ামাস সেল ক্যান্সার: এ ধরণের ক্যান্সার প্রোস্টেট গ্রন্থিকে আবৃত করে থাকা চ্যাপ্টা কোষ থেকে বিকশিত হয়। এটি প্রেস্টেটের অ্যাডেনোকার্সিনোমার চেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ছড়িয়ে পড়ে।

প্রোস্টেট ক্যান্সার কাদের হয় ও কেন হয়

প্রোস্টেট ক্যান্সার বেশ কয়েকটি মিউটেশন কোষের ক্ষতি করে এবং দ্রুত হারে ছড়িয়ে পড়ে। প্রোস্টেটে ক্যান্সার কোষগুলো বৃদ্ধি করতে পারে এমন কয়েকটি কারণ হলো-

* যদি কোনো ব্যক্তির প্রোস্টেট ক্যান্সারের ইতিহাস থাকে তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের এই ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে;

* যৌনরোগ প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়;

* পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি;

* ক্যাডমিয়ামের মতো কার্সিনোজনিক রাসায়নিকের সংস্পর্শে থাকা পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যান্সারের উচ্চঝুঁকি আছে;

* আফ্রিকান ও আমেরিকান পুরুষদের অন্য জাতির তুলনায় প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

প্রোস্টেট ক্যান্সারের লক্ষণ

* ঘন মূত্রত্যাগ;

* প্রসাবে রক্ত;

* বেদনাদায়ক বীর্যপাত;

* ওজন কমা;

* হাড়ে ব্যাথা;

* পেলভিক অঞ্চলে অস্বস্তি;

* ইরেক্টাইল ডিসফাংশন।

প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা

প্রোস্টেট ক্যান্সার চিকিৎসায় বিভিন্ন বিকল্প রয়েছে। চিকিৎসাগুলো নির্ভর করে ক্যান্সার কত দ্রুত বাড়ছে, কতটা ছড়িয়েছে বা সামগ্রিক স্বাস্থ্য। 

* বিকিরণ থেরাপি;

* হরমোন থেরাপি;

* জৈবিক থেরাপি;

* কেমোথেরাপি;

* প্রোস্টেট অপসারণের জন্য অস্ত্রপচার।

প্রোস্টেট ক্যান্সারের বয়স ৫ বছর হলে আক্রান্ত ব্যক্তির বেঁচে থাকার হার প্রায় ১০০%। যেখানে ১০-১৫ বছর পরে প্রোস্টেট ক্যান্সারে হলে বেঁচে থাকার হার ৯৮%-৯৬% শতাংশ।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম