স্তন কেনসার প্রতিরোধে পিয়ার এডুকেটরের প্রশিক্ষণ
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নারী উন্নয়ন শক্তি ও ইয়ং উইমেন ফর ডেভেলপমেন্ট রাইটস অ্যান্ড ক্লাইমেট যৌথভাবে স্তন কেনসার প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তকরণে পিয়ার এডুকেটর উন্নয়ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।
রোববার এনইউএস ট্রেনিং সেন্টারে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও কম সেবাপ্রাপ্ত ২০ জন নারী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন এবং ভবিষ্যতে তারা নিজ নিজ এলাকায় পিয়ার এডুকেটর হিসেবে কাজ করবেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারী উন্নয়ন শক্তির নির্বাহী পরিচালক ড. আফরোজা পারভীন। অনুষ্ঠান সূত্রে বক্তব্য রাখেন নুসরাত সুলতানা আফোজ (ইয়ং উইমেন ফর ডেভেলপমেন্ট রাইটস অ্যান্ড ক্লাইমেট), সেলিনা খাতুন (ডোমেস্টিক ওয়ার্কার এমপ্লয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন), ও সাহিদা ওয়াহাব (ফোরাম ফর কালচার অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট)।
২০২৪ সালের GLOBOCAN অনুমান অনুযায়ী বাংলাদেশে ব্রেস্ট কেনসার নতুন কেস ছিল ৯ হাজার ৪৮০ ও মৃত্যু ৪ হাজার ২১২ জন। এটি নারীদের ক্যান্সারের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বাধিক নতুন কেস। দ্রুত শনাক্তকরণ এবং সময় মতো চিকিৎসা শুরু করলে ভালো ফল পাওয়া যায়—তাই লক্ষণসমূহ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের প্রাথমিক লক্ষণ চেনা, ঝুঁকি, ভুল ধারণা দূর করা, এবং সহানুভূতিশীল সমর্থন প্রদানের কৌশল শিখানো হয়।
বক্তারা বলেন, সামাজিক সংকোচ ও তথ্যের অভাবের কারণে অনেক নারী চিকিৎসা নিতে দেরি করেন। সমস্যা মোকাবিলায় পরিবার, কমিউনিটি, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, সরকার ও এনজিওকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ড. আফরোজা পারভীন জানান, পিয়ার এডুকেটরদের মাধ্যমে কমিউনিটির নারী থেকে নারীর কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছানো কার্যকরী হবে।
অংশগ্রহণকারীরা সরকারের কাছে স্তন কেনসার প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তকরণের জন্য বিশেষ তহবিল, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে প্রাথমিক শনাক্তকরণ ও রেফারেল ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি, দরিদ্র নারীদেরজন্য সাশ্রয়ী রোগনির্ণয় ও চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা এবং কেনসার তথ্য ও গবেষণা জোরদারের আহ্বান জানান। তারা স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, এনজিও ও গণমাধ্যমকে একসঙ্গে কাজ করার উপর জোর দেন যাতে ব্যাপক সচেতনতা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা যায়।
