পুরুষ বন্ধ্যত্ব কি সত্যিই সারে? যে ৪ উপায়ের কথা বলছেন চিকিৎসকরা
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৯ এএম
সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বিয়ের পর সন্তান না এলে দায় চাপে নারীর ওপর। কিন্তু বন্ধ্যত্ব শুধু নারীর সমস্যা নয়। শুক্রাণুর সংখ্যা, মান বা নড়াচড়ায় সমস্যার কারণে পুরুষও বাবা হতে পারেন না, একে বলে পুরুষ বন্ধ্যত্ব।
তবে পুরুষ বন্ধ্যত্ব মানেই সন্তানের আশা শেষ, এই ধারণা ঠিক নয়। চিকিৎসকেরা বলছেন, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর চিকিৎসা সম্ভব। সমস্যার ধরন অনুযায়ী চারটি উপায়ে সমাধান মিলতে পারে।
১. জীবনযাপনে পরিবর্তন
অনেক সময় শুধু জীবনধারা বদলালেই উল্লেখযোগ্য সুফল পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে ধূমপান ছাড়া, মাদক ও অতিরিক্ত অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা, নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ওজন নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ কমানো।
২. ওষুধ
হরমোনজনিত সমস্যা বা কিছু সংক্রমণে ওষুধ কার্যকর ভূমিকা রাখে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাওয়া যাবে না।
৩. অস্ত্রোপচার
ভেরিকোসিল বা শুক্রাণু পরিবহনের পথে বাধা থাকলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তা সমাধান করা হয়।
৪. আধুনিক প্রজননপ্রযুক্তি
স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণ সম্ভব না হলে এসব প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়:
আইইউআই: প্রস্তুতি শেষে শুক্রাণু সরাসরি জরায়ুতে প্রবেশ করানো হয়।
ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ): ল্যাবরেটরিতে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন ঘটিয়ে ভ্রূণ তৈরি করা হয়।
ইন্ট্রাসাইটোপ্লাজমিক স্পার্ম ইনজেকশন: একটি শুক্রাণু সরাসরি ডিম্বাণুর ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। গুরুতর পুরুষ বন্ধ্যত্বে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
টোটকা নয়, চাই চিকিৎসকের পরামর্শ
অনেকে এ সমস্যায় টোটকা বা অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতির আশ্রয় নেন। এতে শুধু সময় নষ্ট হয় না, মারাত্মক ক্ষতিও হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, হতাশ না হয়ে সঠিক পরীক্ষা ও বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসার মাধ্যমে সমাধান খুঁজুন। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতিতে আজ অসংখ্য দম্পতি সফলভাবে সন্তান লাভ করছেন।
