Logo
Logo
×
   

Advertisement

অর্থনীতি

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

বিশ্ববাজারে ফের বেড়েছে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। তেলের দাম কমে আসায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদনের অপেক্ষায় থাকা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ায় এ ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তবে সপ্তাহের হিসাবে স্বর্ণের দাম কমার পথেই রয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায় স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৪৬ দশমিক ৪৪ ডলারে উঠেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমে যায়। ওই দিন প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদক মূল্যসূচকের (পিপিআই) প্রতিবেদনে আগস্টে জ্বালানি পণ্যের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতির চাপ অব্যাহত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর ডেলিভারির স্বর্ণের ফিউচার ০ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৮৮ দশমিক ৪০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

সাক্সো ব্যাংকের পণ্যবাজার কৌশল বিভাগের প্রধান ওলে হ্যানসেন বলেন, তেলের দাম কিছুটা কমে আসায় স্বর্ণের বাজার উপকৃত হচ্ছে। উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) মন্ত্রীদের সঙ্গে ইরানের বৈঠক থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন নিয়ে কোনো অগ্রগতি আসতে পারে—এমন আশায়ও বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পাশাপাশি ৪ হাজার ৩০০ ডলারের কাছাকাছি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক পর্যায়ে ক্রেতারা আবারও সক্রিয় হয়েছেন।

তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন প্রত্যাশা জোরালো হয়। তবে সুদের হার বাড়লে কোনো সুদ বা আয় না দেওয়া স্বর্ণের আকর্ষণ কমে যায়।

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সাময়িকভাবে পরিচালনার বিষয়ে সমঝোতা করতে ওমান ও ইরানের উদ্যোগে উপসাগরীয় দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসার পরিকল্পনা করছেন।

এদিকে তেলের দাম কমলেও সপ্তাহ শেষে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাজারে এখন আগামী সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের নীতি নির্ধারণী বৈঠকে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ৬৭ শতাংশ ধরে নেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবারের তথ্য প্রকাশের আগে এ সম্ভাবনা ছিল ৬২ শতাংশ। এ অবস্থায় শুক্রবার ১২টা ৩০ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে। এ প্রতিবেদন থেকেই ফেডের পরবর্তী মুদ্রানীতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার আশা করছেন বিনিয়োগকারীরা।

এদিকে ভারতে চলতি সপ্তাহে স্বর্ণের চাহিদা ছিল দুর্বল। দামের অস্থিরতার কারণে ক্রেতারা সতর্ক থাকায় দেশটিতে স্বর্ণ কেনাকাটা কমেছে। তবে বিশ্বের শীর্ষ ভোক্তা দেশ চীনে বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা শক্তিশালী রয়েছে।

অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট রুপার দাম দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৪ দশমিক ০৮ ডলারে উঠেছে। তবে সপ্তাহের হিসাবে রুপার দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমেছে। প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮০০ দশমিক ২৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩০২ দশমিক ৬৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অবশ্য সপ্তাহের হিসাবে এই দুই ধাতুর দামও কমার পথে রয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম