Logo
Logo
×
   

Advertisement

অর্থনীতি

জরুরি প্রয়োজনে ই-ঋণ দেওয়ার নির্দেশ, কত টাকা কারা পাবেন

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৯ পিএম

জরুরি প্রয়োজনে ই-ঋণ দেওয়ার নির্দেশ, কত টাকা কারা পাবেন

Advertisement

সাময়িক জরুরি ব্যয় মেটাতে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ সুবিধা চালুর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সুদের পরিবর্তে ফি-ভিত্তিক এ ঋণসুবিধার আওতায় গ্রাহক বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সেবার বিল ও ফি পরিশোধ করতে পারবেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সুবিধার ঋণসীমা সর্বনিম্ন ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি ঋণ পরিশোধের মেয়াদও তিনটি স্তরে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর সব তফশিলি ব্যাংককে এ সুবিধা চালুর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ই-পেমেন্ট ক্রেডিটের আওতায় ইউটিলিটি বিল, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত ফি, টোল ও টিকিট, করসহ সরকারি ফি, আমানতের কিস্তি এবং বিমা প্রিমিয়াম পরিশোধ করা যাবে। তবে ঋণের অর্থ নগদে তোলা, গ্রাহকের ওয়ালেটে জমা কিংবা কোনো ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা যাবে না।

ঋণের পরিমাণভেদে ৭, ১৫ অথবা ৩০ দিন মেয়াদের সর্বোচ্চ ফি বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ৫০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে ৭, ১৫ ও ৩০ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ফি ৩ টাকা থেকে ২০ টাকা। ১ হাজার ১ টাকা থেকে তিন হাজার টাকা ঋণে ১০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, তিন হাজার ১ টাকা থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত ২০ টাকা থেকে ৯০ টাকা নির্ধারণ হয়েছে।

একইভাবে ৭ হাজার ১ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে ফি সর্বোচ্চ ৩৫, ৭০ ও ১৩০ টাকায় বেধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহারকারীরা মূলত এ সুবিধা পাবেন।

নির্দেশনায় বলা হয়, ঋণ বিতরণের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূল অর্থ ও ফি পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের আগেই পরিশোধ করলে অতিরিক্ত কোনো সুদ, প্রি-পেমেন্ট বা আর্লি সেটেলমেন্ট ফি নেওয়া যাবে না। তবে নির্ধারিত সময়ে পরিশোধে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত দিনের জন্য সীমিত হারে জরিমানা বা ফি নেওয়া যাবে। কারা এর সুযোগ পাবেন বা সবাই পাবেন কিনা, তা নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সাময়িক নগদ সংকটে থাকা গ্রাহকের জরুরি বিল ও ফি সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করা, নগদ টাকার নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহার বাড়ানো।

তবে এই পদ্ধতি বাণিজ্যিকভাবে চালুর আগে প্রতিটি ব্যাংককে ন্যূনতম ছয় মাস পাইলটিং করতে হবে। পাইলটিংয়ের ফলাফল মূল্যায়নের পর পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে চালু করা যাবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম