আয়কর রিটার্ন জমায় যে ৫ ভুল করলে পড়তে হবে প্রশ্নের মুখে
Advertisement
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৯ এএম
সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
২০২৬ সালে বাংলাদেশে কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) রয়েছেন প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ নাগরিক। তাদের মধ্যে অন্তত অর্ধকোটি টিআইএনধারী প্রতি বছর আয়কর রিটার্ন দিচ্ছেন।
সবাইকে রিটার্ন দিতে হবে অনলাইন মাধ্যমে। রিটার্ন জমা দিতে গিয়ে প্রায়শই ভুল হয় অনেক ক্ষেত্রে। এর মধ্যে ৫টি জায়গায় ভুল হয় সবচেয়ে বেশি। এসব ভুলের কারণে প্রশ্নের মুখেও পড়তে হয় টিআইএনধারীদের।
ভুলগুলো হলো—
স্বর্ণের পরিমাণ বেশি দেখানো
বাস্তবে স্বর্ণের পরিমাণ অনেক কম। কিন্তু এরপরও অনেকে রিটার্নে স্বর্ণ দেখান বেশি করে। আয়ের সঙ্গে সম্পদের এই সামঞ্জস্য অনুপস্থিত থাকলে পরে প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে। এটি এড়াতে হলে প্রকৃত পরিমাণ দেখানো বাঞ্ছনীয়।
নগদের পরিমান অতিরিক্ত দেখানো
আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য নেই, এমন বেশি বেশি নগদ অর্থ দেখানোও কম ঝুঁকির নয়। হাতে থাকা নগদ অর্থই রিটার্নে দেখাতে হবে।
রিটার্নে উপহার না দেখানো
পরিবার বা আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে পাওয়া উপহার, যেমন জমি, ফ্ল্যাট, গয়না কিংবা অন্যান্য মূল্যবান উপহার রিটার্নে দেখাতে হবে। এসব উপহারে সাধারণত কোনো প্রকারের কর দিতে হয় না।
বিনিয়োগ না দেখানো
নগদ অর্থ অনেকেই বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করে থাকেন। যেমন— এফডিআর, ডিপিএস ও সঞ্চয়পত্র ইত্যাদি। এসব বিনিয়োগ রিটার্নে না দেখানো বড় ভুল। বর্তমানে পুরো ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয় হওয়ার কারণে এসব তথ্য লুকানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়, তা সহজেই শনাক্ত করা যায়। এসব বিনিয়োগ দেখালে কর সুবিধাও পাওয়া যায়।
ব্যয় স্বাভাবিক আয়ের চেয়ে বেশি দেখানো
অনেক সময় আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় দেখানোর ভুল করেন অনেকেই। সেটা হয়ে গেলে অতিরিক্ত অর্থের উৎস কী, তা নিয়ে বিশদ ব্যাখ্যা দিতে হবে। সে কারণে এই দুইয়ে ভারসাম্য থাকা জরুরি।
আরও একটি কাজ করা জরুরি। প্রথমবারে রিটার্নে দেখানো হয় যে সম্পদ ও আয়ের উৎস, সেগুলোর যথাযথ ব্যাখ্যা প্রস্তুত রাখা উচিত। সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্রও সংরক্ষণে রাখতে হবে।
