ইউরোপে পোশাক রপ্তানি কমেছে
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
ফাইল ছবি।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি-জুলাই মেয়াদের তুলনায় ২০২৬ সালের একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ও মূল্য-দুটোই কমেছে। তবে প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনাম ও চীনের রপ্তানি বেড়েছে এই বাজারে।
ইউরোস্ট্যাটের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ইইউর মোট পোশাক আমদানি মূল্য ৫ দশমিক ১০ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে পরিমাণ কমেছে ৩ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং পোশাকের গড় আমদানিমূল্য প্রতি কেজিতে ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ কমেছে। অর্থাৎ ইউরোপের দেশগুলো এখন পোশাক আমদানি কম করার পাশাপাশি দরও হাঁকাচ্ছে কম।
প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাজারের এই সার্বিক মন্দার চেয়েও বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। আলোচ্য সময়ে ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি মূল্য ১৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং পরিমাণের দিক থেকে ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ কমেছে। এর ফলে ইউরোপের বাজারে তৈরি পোশাকের অংশীদারিত্ব (মার্কেট শেয়ার) হারিয়েছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া পোশাকের গড় দাম প্রতি কেজিতে ৮ দশমিক ৪৭ শতাংশ কমেছে। ইউরোপে পোশাক সরবরাহকারী শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই সবচেয়ে কম দামে পোশাক সরবরাহ করছে।
অবশ্য মন্দার মধ্যে ইউরোপের বাজারে প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে চীন ও ভিয়েতনাম। চীনের রপ্তানি মূল্য ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং ভিয়েতনামের ৩ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়েছে। অন্য সরবরাহকারীদের বাজার হারিয়ে এ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশ দুটি। ভিয়েতনাম তাদের পোশাকের গড় দাম ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং কম্বোডিয়া ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, সামগ্রিকভাবে চলতি বছরে ইউরোপে পোশাক আমদানি কমেছে। যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের ওপর। গত ২ মাসে রপ্তানি কিছুটা বেড়েছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে-মন্দার মধ্যেও প্রধান প্রতিযোগী দেশ চীন ও ভিয়েতনামের রপ্তানি বেড়েছে।

