শেয়ারবাজারে কারসাজি বন্ধে বিএসইসির চার নির্দেশনা
jugantor
শেয়ারবাজারে কারসাজি বন্ধে বিএসইসির চার নির্দেশনা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১২ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৩৪:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

শেয়ারবাজারে কারসাজি চিহ্নিত করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) তৎপরতা বেড়েছে। এক্ষেত্রে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করলে তার কারণ জানতে চেয়েছে সংস্থাটি।

পাশাপাশি শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস), লেনদেন ও মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশের আগে পরে কোম্পানির দর কেমন থাকে তাও নজরে আনা হচ্ছে। সবমিলিয়ে ৪টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে আগামী ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে বিষয়টি কমিশনকে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি আপাতত একটি গাইড লাইন হিসাবে বিবেচিত হবে। এক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জের উপর কোনো ধরনের চাপ নেই। বিএসইসি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানতে চাইলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম যুগান্তরকে বলেন, এই নির্দেশনা সব সময়ের জন্য। এটি কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা খাতের বিরুদ্ধে নয়। এটি একটি গাইড লাইন। তিনি বলেন, স্টক এক্সচেঞ্জগুলো নিয়মিত বাজার নজরদারি করে। নতুন জিনিস হলো, তারা চাইলে বিএসইসির এই গাইড লাইন আমলে নিতে পারে। এতে লেনদেনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। তার মতে, এতে বিনিয়োগকারী আরও উৎসাহিত হবে।

জানা গেছে, বিএসইসির চিঠিতে ৪টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে- ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে যে সব কোম্পানির শেয়ারের দর ৫০ শতাংশের বেশি উঠা-নামা করেছে, তার পেছনে কোনো কারসাজি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। দ্বিতীয়ত, গত বছরের তুলনায় এ বছর যে সব কোম্পানির ইপিএস ৫০ শতাংশের বেশি পরিবর্তন হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে হবে। তৃতীয়ত, গত এক মাসে যে সব কোম্পানির গড় লেনদেন আগের ৬ মাসের চেয়ে ৫ গুণের বেশি বেড়েছে, তারও কারণ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সবশেষে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশের আগের ১০ কার্যদিবসে, যে সব কোম্পানির দাম ও লেনদেন ৩০ শতাংশের কম-বেশি হয়েছে, সে সব কোম্পানির বিষয়েও তদন্ত করতে হবে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিষয়টি ইতিবাচক। এতে বাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়বে।

শেয়ারবাজারে কারসাজি বন্ধে বিএসইসির চার নির্দেশনা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১২ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শেয়ারবাজারে কারসাজি চিহ্নিত করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) তৎপরতা বেড়েছে। এক্ষেত্রে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করলে তার কারণ জানতে চেয়েছে সংস্থাটি।

পাশাপাশি শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস), লেনদেন ও মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশের আগে পরে কোম্পানির দর কেমন থাকে তাও নজরে আনা হচ্ছে। সবমিলিয়ে ৪টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে আগামী ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে বিষয়টি কমিশনকে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি আপাতত একটি গাইড লাইন হিসাবে বিবেচিত হবে। এক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জের উপর কোনো ধরনের চাপ নেই। বিএসইসি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানতে চাইলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম যুগান্তরকে বলেন, এই নির্দেশনা সব সময়ের জন্য। এটি কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা খাতের বিরুদ্ধে নয়। এটি একটি গাইড লাইন। তিনি বলেন, স্টক এক্সচেঞ্জগুলো নিয়মিত বাজার নজরদারি করে। নতুন জিনিস হলো, তারা চাইলে বিএসইসির এই গাইড লাইন আমলে নিতে পারে। এতে লেনদেনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। তার মতে, এতে বিনিয়োগকারী আরও উৎসাহিত হবে।

জানা গেছে, বিএসইসির চিঠিতে ৪টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে- ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে যে সব কোম্পানির শেয়ারের দর ৫০ শতাংশের বেশি উঠা-নামা করেছে, তার পেছনে কোনো কারসাজি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। দ্বিতীয়ত, গত বছরের তুলনায় এ বছর যে সব কোম্পানির ইপিএস ৫০ শতাংশের বেশি পরিবর্তন হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে হবে। তৃতীয়ত, গত এক মাসে যে সব কোম্পানির গড় লেনদেন আগের ৬ মাসের চেয়ে ৫ গুণের বেশি বেড়েছে, তারও কারণ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সবশেষে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশের আগের ১০ কার্যদিবসে, যে সব কোম্পানির দাম ও লেনদেন ৩০ শতাংশের কম-বেশি হয়েছে, সে সব কোম্পানির বিষয়েও তদন্ত করতে হবে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিষয়টি ইতিবাচক। এতে বাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়বে।